স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদণ্ড
jugantor
স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

  টাঙ্গাইল প্রতিনিধি  

১৬ মে ২০২২, ২০:৫৫:৪১  |  অনলাইন সংস্করণ

টাঙ্গাইলে স্ত্রীকে হত্যার দায়ে এক ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। সোমবার (১৬ মে) দুপুরে টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক খালেদা ইয়াসমিন এ রায় দেন।

দণ্ডিত ওই ব্যক্তির নাম মো. রিয়াজ উদ্দিন (৩৫)। তিনি ঘাটাইল উপজেলার গারোবাজার এলাকার বশির উদ্দিনের ছেলে। তিনি জামিনে মুক্ত হওয়ার পর পলাতক রয়েছেন।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিশেষ সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) আলী আহমদ জানান, ১০ হাজার টাকা যৌতুকের জন্য রিয়াজ উদ্দিন ২০০৯ সালের ১০ আগস্ট তার স্ত্রী লিজা আক্তারকে (২০) মারপিট করে আহত করে। গুরুতর আহত অবস্থায় লিজাকে প্রথমে ফুলবাড়িয়া উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছর ২৭ আগস্ট লিজা মারা যান।

লিজা ফুলবাড়িয়া উপজেলার এনায়েতপুর গ্রামের আব্দুল কদ্দুসের মেয়ে। ঘটনার পর লিজার ভাই আজাহার আলী বাদী হয়ে ২০০৯ সালের ১৯ আগস্ট নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ঘাটাইল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. সুলতান ওই বছর ২০ নভেম্বর আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। মামলায় ১৫ জন সাক্ষীর মধ্যে ১০ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত এ রায় দেন। দণ্ডিত রিয়াজের অনুপস্থিতিতেই রায় ঘোষণা করেন আদালত।

স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

 টাঙ্গাইল প্রতিনিধি 
১৬ মে ২০২২, ০৮:৫৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

টাঙ্গাইলে স্ত্রীকে হত্যার দায়ে এক ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। সোমবার (১৬ মে) দুপুরে টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক খালেদা ইয়াসমিন এ রায় দেন।

দণ্ডিত ওই ব্যক্তির নাম মো. রিয়াজ উদ্দিন (৩৫)। তিনি ঘাটাইল উপজেলার গারোবাজার এলাকার বশির উদ্দিনের ছেলে। তিনি জামিনে মুক্ত হওয়ার পর পলাতক রয়েছেন।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিশেষ সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) আলী আহমদ জানান, ১০ হাজার টাকা যৌতুকের জন্য রিয়াজ উদ্দিন ২০০৯ সালের ১০ আগস্ট তার স্ত্রী লিজা আক্তারকে (২০) মারপিট করে আহত করে। গুরুতর আহত অবস্থায় লিজাকে প্রথমে ফুলবাড়িয়া উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছর ২৭ আগস্ট লিজা মারা যান।

লিজা ফুলবাড়িয়া উপজেলার এনায়েতপুর গ্রামের আব্দুল কদ্দুসের মেয়ে। ঘটনার পর লিজার ভাই আজাহার আলী বাদী হয়ে ২০০৯ সালের ১৯ আগস্ট নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ঘাটাইল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. সুলতান ওই বছর ২০ নভেম্বর আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। মামলায় ১৫ জন সাক্ষীর মধ্যে ১০ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত এ রায় দেন। দণ্ডিত রিয়াজের অনুপস্থিতিতেই রায় ঘোষণা করেন আদালত।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন