শিশু নির্যাতনের মামলায় ‘ইসলামিক বক্তা’ কারাগারে
jugantor
শিশু নির্যাতনের মামলায় ‘ইসলামিক বক্তা’ কারাগারে

  রাজশাহী ব্যুরো  

১৭ মে ২০২২, ১৭:৫২:৫৯  |  অনলাইন সংস্করণ

রাজশাহীর পবার আল জামিয়া আল সালাফিয়া মাদ্রাসার চতুর্থ শ্রেণির এক শিশু শিক্ষার্থীকে পিটিয়ে জখম করার মামলায় বহুল আলোচিত ইসলামিক বক্তা আবদুর রহমানকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

আবদুর রহমান আল জামিয়া আল সালাফিয়া মাদ্রাসার শিক্ষক। প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষ আলোচিত ইসলামিক বক্তা আবদুর রহমানের বাবা আবদুর রাজ্জাক বিন ইউসুফ।

মঙ্গলবার দুপুরে রাজশাহীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আসামি আবদুর রহমানকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

বাদীপক্ষের আইনজীবী ইব্রাহিম হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, আবদুর রহমান উচ্চ আদালতের অন্তর্বর্তীকালীন জামিনে ছিলেন। উচ্চ আদালত তাকে নিম্ন আদালতে হাজির হতে বলেছিলেন। সে অনুযায়ী তিনি নিম্ন আদালতে হাজির হয়ে জামিন প্রার্থনা করলে আদালত তা নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠান।

গত ১৬ মার্চ মাদ্রাসার দুই শিক্ষার্থীর টাকা হারানোর ঘটনা ঘটে। এ সময় আবদুর রহমানের ভাইয়ের ছেলে এবং ওই মাদ্রাসার চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে টাকা চুরির অভিযোগ তোলেন রামিম হোসেন নামের এক শিক্ষার্থী।

এতেই ক্ষিপ্ত হয়ে পাইপ দিয়ে বেপরোয়া পেটাতে থাকেন আবদুর রহমান। এ সময় বেশ কয়েকবার রামিম জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। পরে পরিবারের সদস্যরা রামিমকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। এ ঘটনায় রামিমের বাবা বাদী হয়ে আব্দুর রহমানকে আসামি করে মহানগরীর শাহমখদুম থানায় মামলা দায়ের করেন।

শিশু নির্যাতনের মামলায় ‘ইসলামিক বক্তা’ কারাগারে

 রাজশাহী ব্যুরো 
১৭ মে ২০২২, ০৫:৫২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

রাজশাহীর পবার আল জামিয়া আল সালাফিয়া মাদ্রাসার চতুর্থ শ্রেণির এক শিশু শিক্ষার্থীকে পিটিয়ে জখম করার মামলায় বহুল আলোচিত ইসলামিক বক্তা আবদুর রহমানকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

আবদুর রহমান আল জামিয়া আল সালাফিয়া মাদ্রাসার শিক্ষক। প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষ আলোচিত ইসলামিক বক্তা আবদুর রহমানের বাবা আবদুর রাজ্জাক বিন ইউসুফ।

মঙ্গলবার দুপুরে রাজশাহীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আসামি আবদুর রহমানকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

বাদীপক্ষের আইনজীবী ইব্রাহিম হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, আবদুর রহমান উচ্চ আদালতের অন্তর্বর্তীকালীন জামিনে ছিলেন। উচ্চ আদালত তাকে নিম্ন আদালতে হাজির হতে বলেছিলেন। সে অনুযায়ী তিনি নিম্ন আদালতে হাজির হয়ে জামিন প্রার্থনা করলে আদালত তা নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠান।

গত ১৬ মার্চ মাদ্রাসার দুই শিক্ষার্থীর টাকা হারানোর ঘটনা ঘটে। এ সময় আবদুর রহমানের ভাইয়ের ছেলে এবং ওই মাদ্রাসার চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে টাকা চুরির অভিযোগ তোলেন রামিম হোসেন নামের এক শিক্ষার্থী।

এতেই ক্ষিপ্ত হয়ে পাইপ দিয়ে বেপরোয়া পেটাতে থাকেন আবদুর রহমান। এ সময় বেশ কয়েকবার রামিম জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। পরে পরিবারের সদস্যরা রামিমকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। এ ঘটনায় রামিমের বাবা বাদী হয়ে আব্দুর রহমানকে আসামি করে মহানগরীর শাহমখদুম থানায় মামলা দায়ের করেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন