অন্যকে ফাঁসাতে ৯৯৯-এ কল, ফেঁসে গেলেন নিজেরাই
jugantor
অন্যকে ফাঁসাতে ৯৯৯-এ কল, ফেঁসে গেলেন নিজেরাই

  নোয়াখালী প্রতিনিধি  

১৭ মে ২০২২, ১৮:১৭:১৭  |  অনলাইন সংস্করণ

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে পূর্বশত্রুতার জের ধরে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল দিয়ে অন্যকে গাঁজা দিয়ে ফাঁসাতে গিয়ে পুলিশের হাতে গ্রেফতার হলেন দুই যুবক।

গ্রেফতাররা হলেন- উপজেলার বসুরহাট পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের উজির আলী চৌকিদার বাড়ির আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে মো. ইমন (২২) ও সেনবাগ উপজেলার নবীপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মাহাবুল হক মিস্ত্রি বাড়ির মৃত বেলায়েত হোসেনের ছেলে মো. সুজন হোসেন (২৪)।

মঙ্গলবার দুপুরের দিকে গ্রেফতারকৃত আসামিদের নোয়াখালী চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। এর আগে সোমবার বিকাল থেকে রাত পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে উপজেলার বসুরহাট পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের গরুবাজার এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করে।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সোমবার দুপুর পৌনে ২টার দিকে এমরান হোসেন নামে এক ব্যক্তি জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল দিয়ে জানান- বসুরহাট পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের উজির আলী চৌকিদার বাড়িতে গাঁজাসহ এক যুবককে আটক করে রাখা হয়েছে। এরপর পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে তদন্ত করলে সন্দেহ হয়। এরপর পুলিশ ৯৯৯-এ কল করা ব্যক্তিসহ সাক্ষীদের মুখোমুখি জিজ্ঞাসাবাদ করে এবং প্রকাশ্যে এলাকায় তদন্ত করে সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে ঘটনায় মূলহোতা ইমনসহ দুইজনকে গ্রেফতার করে।

তদন্তে জানা যায়, পূর্বশত্রুতার জের ধরে গাঁজা দিয়ে ফাঁসানোর জন্য ৯৯৯-এ কল করা হয়। পরে পুলিশ মূলহোতাদের গ্রেফতার করে বিচারিক আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসির দায়িত্বে থাকা পরিদর্শক (তদন্ত) এসএম মিজানুর রহমান বলেন, গ্রেফতার আসামিদের হেফাজত থেকে ২০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়েছে। ওই মামলায় গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিচারিক আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

অন্যকে ফাঁসাতে ৯৯৯-এ কল, ফেঁসে গেলেন নিজেরাই

 নোয়াখালী প্রতিনিধি 
১৭ মে ২০২২, ০৬:১৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে পূর্বশত্রুতার জের ধরে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল দিয়ে অন্যকে গাঁজা দিয়ে ফাঁসাতে গিয়ে পুলিশের হাতে গ্রেফতার হলেন দুই যুবক।

গ্রেফতাররা হলেন- উপজেলার বসুরহাট পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের উজির আলী চৌকিদার বাড়ির আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে মো. ইমন (২২) ও সেনবাগ উপজেলার নবীপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মাহাবুল হক মিস্ত্রি বাড়ির মৃত বেলায়েত হোসেনের ছেলে মো. সুজন হোসেন (২৪)।

মঙ্গলবার দুপুরের দিকে গ্রেফতারকৃত আসামিদের নোয়াখালী চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। এর আগে সোমবার বিকাল থেকে রাত পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে উপজেলার বসুরহাট পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের গরুবাজার এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করে। 

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সোমবার দুপুর পৌনে ২টার দিকে এমরান হোসেন নামে এক ব্যক্তি জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল দিয়ে জানান- বসুরহাট পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের উজির আলী চৌকিদার বাড়িতে গাঁজাসহ এক যুবককে আটক করে রাখা হয়েছে। এরপর পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে তদন্ত করলে সন্দেহ হয়। এরপর পুলিশ ৯৯৯-এ কল করা ব্যক্তিসহ সাক্ষীদের মুখোমুখি জিজ্ঞাসাবাদ করে এবং প্রকাশ্যে এলাকায় তদন্ত করে সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে ঘটনায় মূলহোতা ইমনসহ দুইজনকে গ্রেফতার করে।

তদন্তে জানা যায়, পূর্বশত্রুতার জের ধরে গাঁজা দিয়ে ফাঁসানোর জন্য ৯৯৯-এ কল করা হয়। পরে পুলিশ মূলহোতাদের গ্রেফতার করে বিচারিক আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসির দায়িত্বে থাকা পরিদর্শক (তদন্ত) এসএম মিজানুর রহমান বলেন, গ্রেফতার আসামিদের হেফাজত থেকে ২০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়েছে। ওই মামলায় গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিচারিক আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন