প্রকাশ্যে শিয়াল জবাই করে মাংস ভাগবাটোয়ারা
jugantor
প্রকাশ্যে শিয়াল জবাই করে মাংস ভাগবাটোয়ারা

  আখাউড়া (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি  

১৭ মে ২০২২, ২০:৩৫:২৫  |  অনলাইন সংস্করণ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় প্রকাশ্যে শিয়াল জবাই করে মাংস ভাগবাটোয়ারা করেছে উপজেলার ধরখার ইউনিয়নের ছতুরা শরীফ গ্রামের কয়েকটি পরিবার। এ সময় কেজি দরে মাংস বিক্রিও করা হয়েছে।

মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার ধরখার ইউনিয়নের তন্তরবাজার এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটেছে।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. সাইফুল ইসলাম খবর পেয়ে ধরখার ফাঁড়ি থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে যাওয়ার আগেই একটি জীবিত শিয়ালকে ফেলে জবাই করা শিয়ালের মাংস নিয়ে পালিয়ে যায় লোকজন। তবে এ ঘটনায় পুলিশ কাউকে আটক করতে না পারলেও দড়িতে বাঁধা জীবিত একটি শিয়াল জঙ্গলে অবমুক্ত করেছে।

স্থানীয় লোকজনের বরাত দিয়ে ধরখার ফাঁড়ি থানার এসআই মো. হুমায়ুন কবির যুগান্তরকে জানান, মঙ্গলবার দুপুরে ছতুরা শরীফ গ্রামের জনৈক ব্যক্তির বেগুন ক্ষেত থেকে দুটি শিয়াল আটক করেন স্থানীয়রা। এসময় কসবা উপজেলার ভাদুইর গ্রামের সিএনজি অটোরিকশাচালক আসলাম ও ফোরকান ওই গ্রামের কিছু লোকজন নিয়ে তন্তরবাজার এলাকায় একটি শিয়াল জবাই করে মাংস ভাগবাটোয়ারা ও কিছু মাংস বিক্রি করেন। এ সময় ঘটনাটি পুরো এলাকায় জানাজানি হয়ে যায়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন ক্রেতা বলেন, মাংস বিক্রেতা আসলাম বলেছিলেন- বাত-ব্যথা কিংবা কঠিন রোগের প্রতিষেধক হিসেবে শিয়ালের মাংস রান্না করে খাওয়ার বিকল্প নেই। এসব ক্ষেত্রে শিয়ালের মাংস অব্যর্থ ওষুধ। তার সেই কথা বিশ্বাস করে অনেকেই শিয়ালের মাংস কিনে নেন। মানুষকে বিশ্বাস করাতে পাশেই রাখা হয়েছিল শিয়ালের কাটা মাথা। অপর জীবিত শিয়ালটিও জবাইয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছিল তারা। পুলিশের কারণে রক্ষা হয়।

আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রোমানা আক্তার যুগান্তরকে বলেন, বন্যপ্রাণী জবাই করে মাংস বিক্রি করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।

তিনি বলেন, শিয়াল ও অন্যান্য বন্যপ্রাণী প্রকৃতির অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ, যা পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এ ঘটনাটি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি জানিয়েছেন।

প্রকাশ্যে শিয়াল জবাই করে মাংস ভাগবাটোয়ারা

 আখাউড়া (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি 
১৭ মে ২০২২, ০৮:৩৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় প্রকাশ্যে শিয়াল জবাই করে মাংস ভাগবাটোয়ারা করেছে উপজেলার ধরখার ইউনিয়নের ছতুরা শরীফ গ্রামের কয়েকটি পরিবার। এ সময় কেজি দরে মাংস বিক্রিও করা হয়েছে।

মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার ধরখার ইউনিয়নের তন্তরবাজার এলাকায় এ  ঘটনাটি ঘটেছে।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. সাইফুল ইসলাম খবর পেয়ে ধরখার ফাঁড়ি থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে যাওয়ার আগেই একটি জীবিত শিয়ালকে ফেলে জবাই করা শিয়ালের মাংস নিয়ে পালিয়ে যায় লোকজন। তবে এ ঘটনায় পুলিশ কাউকে আটক করতে না পারলেও দড়িতে বাঁধা জীবিত একটি শিয়াল জঙ্গলে অবমুক্ত করেছে।

স্থানীয় লোকজনের বরাত দিয়ে ধরখার ফাঁড়ি থানার এসআই মো. হুমায়ুন কবির যুগান্তরকে জানান, মঙ্গলবার দুপুরে ছতুরা শরীফ গ্রামের জনৈক ব্যক্তির বেগুন ক্ষেত থেকে দুটি শিয়াল আটক করেন স্থানীয়রা। এসময় কসবা উপজেলার ভাদুইর গ্রামের সিএনজি অটোরিকশাচালক আসলাম ও ফোরকান ওই গ্রামের কিছু লোকজন নিয়ে তন্তরবাজার এলাকায় একটি শিয়াল জবাই করে মাংস ভাগবাটোয়ারা ও কিছু মাংস বিক্রি করেন। এ সময় ঘটনাটি পুরো এলাকায় জানাজানি হয়ে যায়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন ক্রেতা বলেন, মাংস বিক্রেতা আসলাম বলেছিলেন- বাত-ব্যথা কিংবা কঠিন রোগের প্রতিষেধক হিসেবে শিয়ালের মাংস রান্না করে খাওয়ার বিকল্প নেই। এসব ক্ষেত্রে শিয়ালের মাংস অব্যর্থ ওষুধ। তার সেই কথা বিশ্বাস করে অনেকেই শিয়ালের মাংস কিনে নেন। মানুষকে বিশ্বাস করাতে পাশেই রাখা হয়েছিল শিয়ালের কাটা মাথা। অপর জীবিত শিয়ালটিও জবাইয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছিল তারা। পুলিশের কারণে রক্ষা হয়।

আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রোমানা আক্তার যুগান্তরকে বলেন, বন্যপ্রাণী জবাই করে মাংস বিক্রি করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।

তিনি বলেন, শিয়াল ও অন্যান্য বন্যপ্রাণী প্রকৃতির অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ, যা পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এ ঘটনাটি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি জানিয়েছেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন