প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে ‘সাজানো ঘটনায়’ মামলা
jugantor
প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে ‘সাজানো ঘটনায়’ মামলা

  কাশিয়ানী (গোপালগঞ্জ) প্রতিনিধি  

১৮ মে ২০২২, ১৬:৩১:৪৮  |  অনলাইন সংস্করণ

প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে মিথ্যা ঘটনা সাজিয়ে আদালতে মামলা করার অভিযোগ উঠেছে এক নারীর বিরুদ্ধে।

গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার ওড়াকান্দি ইউনিয়নের খাগড়াবাড়িয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে।

মিথ্যা মামলায় হয়রানির শিকার হচ্ছেন ওই গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য মো. ফায়েকুজ্জামান মোল্যা ও পরিবারের লোকজন।

ভুক্তভোগী ফায়েকুজ্জামান বলেন, একটি জমি নিয়ে একই গ্রামের সাকাত মোল্যার সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। এরই জের গত ২৬ এপ্রিল সাকাত মোল্যার স্ত্রী তাসলিমা বেগম বাদী হয়ে গোপালগঞ্জ আদালতে একটি মামলা করেন। মামলায় আমাদের ৬ ভাই, আমার স্ত্রী-সন্তান ও দুই ভাইয়ের স্ত্রীসহ ১০ জনকে আসামি করা হয়েছে। তাদের সঙ্গে আমাদের কোনো ধরনের ঘটনা ঘটেনি। অথচ মিথ্যা ঘটনা সাজিয়ে মেডিকেল সার্টিফিকেট বের করে মামলাটি করেছে। আমরা অপরাধ না করেও মামলার আসামি হয়ে অযথা হয়রানির শিকার হচ্ছি। পরপর তিনবার সুনামের সঙ্গে ইউপি সদস্য নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব পালন করেছি। এখন অসুস্থ, হার্টের রোগী। প্রতিপক্ষের মিথ্যা মামলা থেকে বাঁচতে চাই। মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি বন্ধে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

উপজেলা পরিবার-পরিকল্পনা কর্মকর্তা কার্যালয়ে খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, মামলার ৯ নম্বর আসামি লাভলী বেগম ওড়াকান্দি ইউনিয়ন পরিবার কল্যাণ সহকারী হিসেবে কর্মরত। তিনি গত ২৫ এপ্রিল থেকে দুদিনব্যাপী ‘সুখী জীবন’ প্রকল্পের আওতায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হলরুমে ‘প্রসবোত্তর পরিবার পরিকল্পনা’ বিষয়ক প্রশিক্ষণে অংশ নিয়েছেন। সেখানে হাজিরা শিটেও তার স্বাক্ষর রয়েছে। অথচ তাকেও মামলার আসামি করা হয়েছে।

প্রতিবেশী সোহেল শেখসহ কয়েকজন জানান, জমি নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছিল। কিন্তু তাদের জানামতে ওই দিন ওখানে কোনো ঘটনা ঘটেনি। হয়তো ওই নারী মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করার চেষ্টা করছেন বলেও জানান তারা।

ওড়াকান্দি ইউপি চেয়ারম্যান মো. বদরুল আলম বিটুল বলেন, ওখানে মারামারির কোনো ঘটনা ঘটেনি। জমি নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ চলছিল। বিষয়টি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে কয়েকবার সমাধান করে দিয়েছি। কিন্ত সাকাত মোল্যার পরিবার তা মানেন না। উল্টো প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে একটা মামলা দিয়েছে।

মামলার বাদী মোসা. তাসলিমা বেগমের কাছে মামলার ঘটনার বিষয় জানতে চাইলে তিনি বলেন, যা হওয়ার আদালতে হবে। এর বাইরে তিনি সাংবাদিকদের কাছে কোনো ধরনের বক্তব্য দিতে রাজি হননি।

কাশিয়ানী থানার ওসি মোহাম্মাদ মাসুদ রায়হান বলেন, বিষয়টি তদন্তাধীন। তদন্ত শেষে সঠিক প্রতিবেদন আদালতে পাঠানো হবে।

প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে ‘সাজানো ঘটনায়’ মামলা

 কাশিয়ানী (গোপালগঞ্জ) প্রতিনিধি 
১৮ মে ২০২২, ০৪:৩১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে মিথ্যা ঘটনা সাজিয়ে আদালতে মামলা করার অভিযোগ উঠেছে এক নারীর বিরুদ্ধে। 

গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার ওড়াকান্দি ইউনিয়নের খাগড়াবাড়িয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে। 

মিথ্যা মামলায় হয়রানির শিকার হচ্ছেন ওই গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য মো. ফায়েকুজ্জামান মোল্যা ও পরিবারের লোকজন। 

ভুক্তভোগী ফায়েকুজ্জামান বলেন, একটি জমি নিয়ে একই গ্রামের সাকাত মোল্যার সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। এরই জের গত ২৬ এপ্রিল সাকাত মোল্যার স্ত্রী তাসলিমা বেগম বাদী হয়ে গোপালগঞ্জ আদালতে একটি মামলা করেন। মামলায় আমাদের ৬ ভাই, আমার স্ত্রী-সন্তান ও দুই ভাইয়ের স্ত্রীসহ ১০ জনকে আসামি করা হয়েছে। তাদের সঙ্গে আমাদের কোনো ধরনের ঘটনা ঘটেনি। অথচ মিথ্যা ঘটনা সাজিয়ে মেডিকেল সার্টিফিকেট বের করে মামলাটি করেছে। আমরা অপরাধ না করেও মামলার আসামি হয়ে অযথা হয়রানির শিকার হচ্ছি। পরপর তিনবার সুনামের সঙ্গে ইউপি সদস্য নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব পালন করেছি। এখন অসুস্থ, হার্টের রোগী। প্রতিপক্ষের মিথ্যা মামলা থেকে বাঁচতে চাই। মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি বন্ধে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

উপজেলা পরিবার-পরিকল্পনা কর্মকর্তা কার্যালয়ে খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, মামলার ৯ নম্বর আসামি লাভলী বেগম ওড়াকান্দি ইউনিয়ন পরিবার কল্যাণ সহকারী হিসেবে কর্মরত। তিনি গত ২৫ এপ্রিল থেকে দুদিনব্যাপী ‘সুখী জীবন’ প্রকল্পের আওতায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হলরুমে ‘প্রসবোত্তর পরিবার পরিকল্পনা’ বিষয়ক প্রশিক্ষণে অংশ নিয়েছেন। সেখানে হাজিরা শিটেও তার স্বাক্ষর রয়েছে। অথচ তাকেও মামলার আসামি করা হয়েছে। 

প্রতিবেশী সোহেল শেখসহ কয়েকজন জানান, জমি নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছিল। কিন্তু তাদের জানামতে ওই দিন ওখানে কোনো ঘটনা ঘটেনি। হয়তো ওই নারী মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করার চেষ্টা করছেন বলেও জানান তারা। 

ওড়াকান্দি ইউপি চেয়ারম্যান মো. বদরুল আলম বিটুল বলেন, ওখানে মারামারির কোনো ঘটনা ঘটেনি। জমি নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ চলছিল। বিষয়টি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে কয়েকবার সমাধান করে দিয়েছি। কিন্ত সাকাত মোল্যার পরিবার তা মানেন না। উল্টো প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে একটা মামলা দিয়েছে।

মামলার বাদী মোসা. তাসলিমা বেগমের কাছে মামলার ঘটনার বিষয় জানতে চাইলে তিনি বলেন, যা হওয়ার আদালতে হবে। এর বাইরে তিনি সাংবাদিকদের কাছে কোনো ধরনের বক্তব্য দিতে রাজি হননি।

কাশিয়ানী থানার ওসি মোহাম্মাদ মাসুদ রায়হান বলেন, বিষয়টি তদন্তাধীন। তদন্ত শেষে সঠিক প্রতিবেদন আদালতে পাঠানো হবে।   
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন