স্কুলের নামে জমি লিখে দিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান
jugantor
স্কুলের নামে জমি লিখে দিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান

  গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী) প্রতিনিধি  

২০ মে ২০২২, ০০:২৫:৫৫  |  অনলাইন সংস্করণ

পদ্মা নদীর করাল গ্রাসে গোয়ালন্দ উপজেলার দেবগ্রাম ইউনিয়নের বাঘাবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি ৩ বার নদীগর্ভে বিলীন হয়।

গত কয়েক বছর আগে সর্বশেষ ভাঙ্গনের পর এটি দেবগ্রাম ইউনিয়নের ১নং আশ্রয় কেন্দ্রের সরকারি জায়গায় অস্থায়ীভাবে স্থাপিত হয়।

বিদ্যালয়টির নামে নির্দিষ্ট কোনো জমি না থাকায় এতদিন ধরে বারবার ভবন বরাদ্দ এসেও ফেরত যায়। বাধ্য হয়ে জরাজীর্ণ টিনশেড ঘরেই নানা ভোগান্তি নিয়ে চলতে থাকে পাঠদান কার্যক্রম।

এমতাবস্থায় বিদ্যালয়টির জমির সমস্যা সমাধানে এগিয়ে আসেন গোয়ালন্দ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. মোস্তফা মুন্সি। বুধবার (১৮ মে) তিনি ওই এলাকায় তার মূল্যবান ৩৩ শতাংশ জমি বিদ্যালয়টির নামে দলিল করে দিয়েছেন।

এ বিষয়ে গোয়ালন্দ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা কবির হোসেন জানান, জমির অভাবে বাঘাবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবন নির্মাণ কাজ হচ্ছিল না। এ সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় ৩৩ শতাংশ জমি দান করেছেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মোস্তফা মুন্সি। এতে স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ এলাকার লোকজন অনেক খুশি।

বাঘাবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও গোয়ালন্দ উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান চৌধুরী জানান, উপজেলা চেয়ারম্যান একজন শিক্ষানুরাগী ও মানবিক মানুষ। তার এ অবদান এলাকার শিক্ষা বিস্তারে ব্যাপক অবদান রাখবে।

গোয়ালন্দ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মোস্তফা মুন্সি বলেন, জায়গার অভাবে আমার উপজেলার কোনো স্কুলের শিক্ষার্থীরা পাঠদান করতে পারবে না- এটা আমার জন্য অনেক কষ্টদায়ক। এ সমস্যার সমাধান করা আমার নৈতিক দায়িত্ব ছিল। তিনি ওই এলাকার শিক্ষা বিস্তার ও দক্ষ মানবসম্পদ সৃষ্টিতে সেখানে একটি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রতিষ্ঠারও উদ্যোগ নিয়েছেন বলে জানান।

স্কুলের নামে জমি লিখে দিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান

 গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী) প্রতিনিধি 
২০ মে ২০২২, ১২:২৫ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

পদ্মা নদীর করাল গ্রাসে গোয়ালন্দ উপজেলার দেবগ্রাম ইউনিয়নের বাঘাবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি ৩ বার নদীগর্ভে বিলীন হয়।

গত কয়েক বছর আগে সর্বশেষ ভাঙ্গনের পর এটি দেবগ্রাম ইউনিয়নের ১নং আশ্রয় কেন্দ্রের সরকারি জায়গায় অস্থায়ীভাবে স্থাপিত হয়।

বিদ্যালয়টির নামে নির্দিষ্ট কোনো জমি না থাকায় এতদিন ধরে বারবার ভবন বরাদ্দ এসেও ফেরত যায়। বাধ্য হয়ে জরাজীর্ণ টিনশেড ঘরেই নানা ভোগান্তি নিয়ে চলতে থাকে পাঠদান কার্যক্রম। 

এমতাবস্থায় বিদ্যালয়টির জমির সমস্যা সমাধানে এগিয়ে আসেন গোয়ালন্দ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. মোস্তফা মুন্সি। বুধবার (১৮ মে) তিনি ওই এলাকায় তার মূল্যবান ৩৩ শতাংশ জমি বিদ্যালয়টির নামে দলিল করে দিয়েছেন।

এ বিষয়ে গোয়ালন্দ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা কবির হোসেন জানান, জমির অভাবে বাঘাবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবন নির্মাণ কাজ হচ্ছিল না। এ সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় ৩৩ শতাংশ জমি দান করেছেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মোস্তফা মুন্সি। এতে স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ এলাকার লোকজন অনেক খুশি।

বাঘাবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও গোয়ালন্দ উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান চৌধুরী জানান, উপজেলা চেয়ারম্যান একজন শিক্ষানুরাগী ও মানবিক মানুষ। তার এ অবদান এলাকার শিক্ষা বিস্তারে ব্যাপক অবদান রাখবে।

গোয়ালন্দ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মোস্তফা মুন্সি বলেন, জায়গার অভাবে আমার উপজেলার কোনো স্কুলের শিক্ষার্থীরা পাঠদান করতে পারবে না- এটা আমার জন্য অনেক কষ্টদায়ক। এ সমস্যার সমাধান করা আমার নৈতিক দায়িত্ব ছিল। তিনি ওই এলাকার শিক্ষা বিস্তার ও দক্ষ মানবসম্পদ সৃষ্টিতে সেখানে একটি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রতিষ্ঠারও উদ্যোগ নিয়েছেন বলে জানান।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন