স্তূপকৃত ধানে চারা গজিয়েছে
jugantor
স্তূপকৃত ধানে চারা গজিয়েছে

  হাবিবুর রহমান, জামালগঞ্জ (সুনামগঞ্জ)  

২০ মে ২০২২, ০০:৩০:০৪  |  অনলাইন সংস্করণ

পাহাড়ি ঢলে ও টানা ১৪ দিন ধরে বৃষ্টিতে জামালগঞ্জে কাটা স্তূপকৃত বোরো ধানে গজিয়েছে চারা। পচন ধরেছে মাড়াই করে রাখা ধানেও।

অন্যদিকে হাওড় এলাকার বাইরে আবাদকৃত উঁচু এলাকার জমির কাটা বাকি অবশিষ্ট ধানের জমি ডুবে যাওয়ার আশঙ্কায় তড়িঘড়ি করে সেই ধান কেটেছেন কৃষকরা।

সুনামগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ১২-১৪ দিন আগে হাওড়ের বোরো ধান কাটা শেষ হয়েছে। তবে হাওড়ের বাইরে উঁচু এলাকায় আবাদকৃত বোরো ধান কাটার পর থেকে বৈরী আবহাওয়ার কারণে এ ধান স্তূপ করে রাখা হয়েছে। এদিকে গত দু-সপ্তাহ ধরে পাহাড়ি ঢল ও বর্ষণে নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় উঁচু এলাকাও প্লাবিত হয়েছে।

পাকনার হাওড়ের কৃষক আব্দুল্লা জানান, ধান কাটার পর থেকে বৈরী আবহাওয়া রোদের দেখা না পাওয়ায় স্তূপকৃত শত শত মন ধান নিয়ে বিপাকে আছি। আর স্তূপকৃত ধান দীর্ঘদিন পড়ে থাকায় চারা গজিয়ে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।

হালির হাওরের কৃষক খালেক মিয়া বলেন, প্রায় দশ দিন আগে ধান কাটছিলাম। তখন দিন মেঘাছন্ন ছিল। সেই ধান রোদ না থাকায় মাড়াই করতে পারিনি। স্তূপ করে রেখেছিলাম। এখন চারা গজিয়ে ধান নষ্ট হয়ে গেছে। তাছাড়া গবাদি পশুর জন্য রাখা খড়ও নষ্ট হয়ে গেছে।

সুনামগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক বিমল চন্দ্র সোম বলেন, গত কয়েক দিন যাবত টানা বৃষ্টিপাতে স্তূপকৃত ধানে পচন ধরেছে। স্তূপ করে রাখা বেশির ভাগ ধানে চারা গজিয়েছে। তবে সমস্যা কম কৃষকেরই। এ কারণে তেমন বড় ক্ষয়-ক্ষতি হবে না।

স্তূপকৃত ধানে চারা গজিয়েছে

 হাবিবুর রহমান, জামালগঞ্জ (সুনামগঞ্জ) 
২০ মে ২০২২, ১২:৩০ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

পাহাড়ি ঢলে ও টানা ১৪ দিন ধরে বৃষ্টিতে জামালগঞ্জে কাটা স্তূপকৃত বোরো ধানে গজিয়েছে চারা। পচন ধরেছে মাড়াই করে রাখা ধানেও।

অন্যদিকে হাওড় এলাকার বাইরে আবাদকৃত উঁচু এলাকার জমির কাটা বাকি অবশিষ্ট ধানের জমি ডুবে যাওয়ার আশঙ্কায় তড়িঘড়ি করে সেই ধান কেটেছেন কৃষকরা। 

সুনামগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ১২-১৪ দিন আগে হাওড়ের বোরো ধান কাটা শেষ হয়েছে। তবে হাওড়ের বাইরে উঁচু এলাকায় আবাদকৃত বোরো ধান কাটার পর থেকে বৈরী আবহাওয়ার কারণে এ ধান স্তূপ করে রাখা হয়েছে। এদিকে গত দু-সপ্তাহ ধরে পাহাড়ি ঢল ও বর্ষণে নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় উঁচু এলাকাও প্লাবিত হয়েছে।

পাকনার হাওড়ের কৃষক আব্দুল্লা জানান, ধান কাটার পর থেকে বৈরী আবহাওয়া রোদের দেখা না পাওয়ায় স্তূপকৃত শত শত মন ধান নিয়ে বিপাকে আছি। আর স্তূপকৃত ধান দীর্ঘদিন পড়ে থাকায় চারা গজিয়ে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।

হালির হাওরের কৃষক খালেক মিয়া বলেন, প্রায় দশ দিন আগে ধান কাটছিলাম। তখন দিন মেঘাছন্ন ছিল। সেই ধান রোদ না থাকায় মাড়াই করতে পারিনি। স্তূপ করে রেখেছিলাম। এখন চারা গজিয়ে ধান নষ্ট হয়ে গেছে। তাছাড়া গবাদি পশুর জন্য রাখা খড়ও নষ্ট হয়ে গেছে।

সুনামগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক বিমল চন্দ্র সোম বলেন, গত কয়েক দিন যাবত টানা বৃষ্টিপাতে স্তূপকৃত ধানে পচন ধরেছে। স্তূপ করে রাখা বেশির ভাগ ধানে চারা গজিয়েছে। তবে সমস্যা কম কৃষকেরই। এ কারণে তেমন বড় ক্ষয়-ক্ষতি হবে না।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন