টাকা নিয়েও মামলা নেয়নি মঠবাড়িয়ার ওসি!
jugantor
টাকা নিয়েও মামলা নেয়নি মঠবাড়িয়ার ওসি!

  বরিশাল ব্যুরো  

২০ মে ২০২২, ০০:৩৯:০৮  |  অনলাইন সংস্করণ

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় হামলার পর থানায় মামলা করতে গেলে পুলিশি হয়রানির শিকার হয়েছে একটি পরিবার। মামলা করতে থানার ওসি ও এএসআই ১০ হাজার ৫শ টাকা নিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

বৃহস্পতিবার বিকালে মঠবাড়িয়া উপজেলার তুষখালী ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের হালিমা বেগম বরিশাল প্রেস ক্লাবের হল রুমে সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন।

লিখিত বক্তব্যে হালিমা বেগম বলেন, ১৫ এপ্রিল তুষখালী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান শাহজাহানের ছেলে শামীম তার দলীয় লোকজনকে নিয়ে তার স্বামী মনির হোসেনকে মারধর করে ও কান কেটে দেয়। আমি এ বিষয়ে থানায় মামলা করতে গেলে ওসি নুরুল ইসলাম বাদল ও এএসআই নজরুল হালিমার সঙ্গে দুর্ব্যবহার করে ও থানা থেকে বের করে দেন। ওই রাতে ওসি নুরুল ইসলাম মামলার খরচ দাবি করলে তাকে ৫ হাজার টাকা ও এএসআই নজরুল ইসলামকে দুইবারে ৫ হাজার ৫শ টাকা দেওয়া হয়। তবুও তারা মামলা নেয়নি। পরে অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের সাথে কথা বলার পর তার নির্দেশে ১৭ তারিখ মামলা নেওয়া হয় থানায়।

ওসি নুরুল ইসলাম বাদল চেয়ারম্যানের ছেলের কাছ থেকে টাকা নিয়ে মামলা নেয়নি বলে সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করে হালিমা বেগম।

এসব অভিযোগের বিষয়ে মঠবাড়িয়া থানার ওসি নুরুল ইসলাম বাদল বলেন, ওই নারীকে আমি চিনি না। আর তাছাড়া আমি ১৬ তারিখ থেকে ১৮ তারিখ ছুটিতে ছিলাম। আমি থানায় ফোন দিয়ে মামলাও নিতে বলেছি, ১৭ তারিখ মামলা হয়। আমার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে।

টাকা নিয়েও মামলা নেয়নি মঠবাড়িয়ার ওসি!

 বরিশাল ব্যুরো 
২০ মে ২০২২, ১২:৩৯ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় হামলার পর থানায় মামলা করতে গেলে পুলিশি হয়রানির শিকার হয়েছে একটি পরিবার। মামলা করতে থানার ওসি ও এএসআই ১০ হাজার ৫শ টাকা নিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

বৃহস্পতিবার বিকালে মঠবাড়িয়া উপজেলার তুষখালী ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের হালিমা বেগম বরিশাল প্রেস ক্লাবের হল রুমে সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন।

লিখিত বক্তব্যে হালিমা বেগম বলেন, ১৫ এপ্রিল তুষখালী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান শাহজাহানের ছেলে শামীম তার দলীয় লোকজনকে নিয়ে তার স্বামী মনির হোসেনকে মারধর করে ও কান কেটে দেয়। আমি এ বিষয়ে থানায় মামলা করতে গেলে ওসি নুরুল ইসলাম বাদল ও এএসআই নজরুল হালিমার সঙ্গে দুর্ব্যবহার করে ও থানা থেকে বের করে দেন। ওই রাতে ওসি নুরুল ইসলাম মামলার খরচ দাবি করলে তাকে ৫ হাজার টাকা ও এএসআই নজরুল ইসলামকে দুইবারে ৫ হাজার ৫শ টাকা দেওয়া হয়। তবুও তারা মামলা নেয়নি। পরে অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের সাথে কথা বলার পর তার নির্দেশে ১৭ তারিখ মামলা নেওয়া হয় থানায়।

ওসি নুরুল ইসলাম বাদল চেয়ারম্যানের ছেলের কাছ থেকে টাকা নিয়ে মামলা নেয়নি বলে সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করে হালিমা বেগম।

এসব অভিযোগের বিষয়ে মঠবাড়িয়া থানার ওসি নুরুল ইসলাম বাদল বলেন, ওই নারীকে আমি চিনি না। আর তাছাড়া আমি ১৬ তারিখ থেকে ১৮ তারিখ ছুটিতে ছিলাম। আমি থানায় ফোন দিয়ে মামলাও নিতে বলেছি, ১৭ তারিখ মামলা হয়। আমার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন