এএসআইয়ের বিরুদ্ধে মোবাইল ‘ছিনিয়ে নেওয়ার’ অভিযোগ
jugantor
এএসআইয়ের বিরুদ্ধে মোবাইল ‘ছিনিয়ে নেওয়ার’ অভিযোগ

  মির্জাগঞ্জ ও দক্ষিণ (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি  

২০ মে ২০২২, ২২:১৫:০৩  |  অনলাইন সংস্করণ

বিশ্বজিৎ মজুমদার

পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে লিটু দাস নামে এক চা দোকানির মোবাইল ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে পুলিশের এক এএসআইয়ের বিরুদ্ধে। মোবাইল ফেরত চাওয়ায় তাকে মাদক মামলায় ফাঁসানোর হুমকিও দিয়েছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উপজেলা সদরের সুবিদখালী স্টিল ব্রিজের ঢালসংলগ্ন ভুক্তভোগীর দোকানে এ ঘটনা ঘটে।

অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তা বিশ্বজিৎ মজুমদার মির্জাগঞ্জ থানায় কর্মরত।

ভুক্তভোগী লিটু দাস অভিযোগ করে বলেন, এএসআই বিশ্বজিৎ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় আমার চায়ের দোকানে এসে কিছু না বলেই মোবাইল ছিনিয়ে নিয়ে যান। রাতে দোকানের কাছে আবার এলে মোবাইলটি ফেরত চাই। এতে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে আমাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন এবং মাদক মামলায় ফাঁসিয়ে জেলে পাঠানোর হুমকি দেন।

তিনি আরও বলেন, ‘ওই পুলিশ কর্মকর্তার হুমকিতে আতঙ্কে আছি। মোবাইল তো নিয়েই নিলো, ফেরত চাওয়ায় মামলার হুমকি দিল। পুলিশের বিরুদ্ধে কে অভিযোগ নেবে? তিনি (এএসআই) আমাকে আরও বলেন, তুই দোকান খুলবি না, তোর কোন বাপ আছে, প্রধানমন্ত্রী ফোন চাইলেও ফেরত পাবি না। এছাড়া তিনি আমাকে ধাক্কা দিয়ে চড়-থাপ্পড় মেরেছেন।'

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে এএসআই বিশ্বজিৎ মজুমদার বলেন, ‘অভিযোগ তো, বেশ ভালো কথা! আমি খুব ক্লান্ত। এ ব্যাপারে আমি আপনার (প্রতিবেদকের) সঙ্গে পরে কথা বলব।’

মির্জাগঞ্জ থানার ওসি মো. আনোয়ার হোসেন তালুকদার বলেন, ‘বিষয়টি জেনেছি। আমি দেখব।'

পটুয়াখালী পুলিশ সুপার মো. শহিদুল্লাহ বলেন, ভুক্তভোগী লিখিত অভিযোগ দিলে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এএসআইয়ের বিরুদ্ধে মোবাইল ‘ছিনিয়ে নেওয়ার’ অভিযোগ

 মির্জাগঞ্জ ও দক্ষিণ (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি 
২০ মে ২০২২, ১০:১৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
বিশ্বজিৎ মজুমদার
বিশ্বজিৎ মজুমদার। ফাইল ছবি

পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে লিটু দাস নামে এক চা দোকানির মোবাইল ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে পুলিশের এক এএসআইয়ের বিরুদ্ধে। মোবাইল ফেরত চাওয়ায় তাকে মাদক মামলায় ফাঁসানোর হুমকিও দিয়েছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উপজেলা সদরের সুবিদখালী স্টিল ব্রিজের ঢালসংলগ্ন ভুক্তভোগীর দোকানে এ ঘটনা ঘটে।

অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তা বিশ্বজিৎ মজুমদার মির্জাগঞ্জ থানায় কর্মরত। 
  
ভুক্তভোগী লিটু দাস অভিযোগ করে বলেন, এএসআই বিশ্বজিৎ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় আমার চায়ের দোকানে এসে কিছু না বলেই মোবাইল ছিনিয়ে নিয়ে যান। রাতে দোকানের কাছে আবার এলে মোবাইলটি ফেরত চাই। এতে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে আমাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন এবং মাদক মামলায় ফাঁসিয়ে জেলে পাঠানোর হুমকি দেন।

তিনি আরও বলেন, ‘ওই পুলিশ কর্মকর্তার হুমকিতে আতঙ্কে আছি। মোবাইল তো নিয়েই নিলো, ফেরত চাওয়ায় মামলার হুমকি দিল। পুলিশের বিরুদ্ধে কে অভিযোগ নেবে? তিনি (এএসআই) আমাকে আরও বলেন, তুই দোকান খুলবি না, তোর কোন বাপ আছে, প্রধানমন্ত্রী ফোন চাইলেও ফেরত পাবি না। এছাড়া তিনি আমাকে ধাক্কা দিয়ে চড়-থাপ্পড় মেরেছেন।' 

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে এএসআই বিশ্বজিৎ মজুমদার বলেন, ‘অভিযোগ তো, বেশ ভালো কথা! আমি খুব ক্লান্ত। এ ব্যাপারে আমি আপনার (প্রতিবেদকের) সঙ্গে পরে কথা বলব।’ 

মির্জাগঞ্জ থানার ওসি মো. আনোয়ার হোসেন তালুকদার বলেন, ‘বিষয়টি জেনেছি। আমি দেখব।'

পটুয়াখালী পুলিশ সুপার মো. শহিদুল্লাহ বলেন, ভুক্তভোগী লিখিত অভিযোগ দিলে তদন্ত করে  আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন