যমুনায় বিলীন ২৫ বাড়িঘর  
jugantor
যমুনায় বিলীন ২৫ বাড়িঘর  

  শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি  

২০ মে ২০২২, ২২:২৭:০১  |  অনলাইন সংস্করণ

যমুনা

বন্যার পানি বাড়তে থাকায় ও উজানের ঢলে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে যমুনা নদী তীরবর্তী কয়েকটি গ্রামে ব্যাপক ভাঙন শুরু হয়েছে।

গত ২৪ ঘণ্টায়উপজেলার জালালপুর ইউনিয়নের আরকান্দি, ঘাটাবাড়ি, জালালপুর ও পাকুরতলা- এ চার গ্রামে অন্তত ২৫টি বাড়িঘর নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।

ফলে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের লোকজন সব হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন। বর্তমানের তারা খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

শুক্রবার সকালে সরেজমিন দেখা গেছে, ভাঙনকবলিত এলাকার মানুষজন তাদের জিনিসপত্র সরিয়ে নিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন। খোলা আকাশের নিচে বসে শিশুসন্তানদের নিয়ে আহাজারি করছেন।

ভুক্তভোগী জালালপুর গ্রামের আলহাজ আলী বলেন, বৃহস্পতিবার রাতে ঝড়-বৃষ্টির সময় নদীতে প্রচণ্ড ঢেউ শুরু হয়। মুহূর্তে যমুনা পাড়ের ২৫টি বসতবাড়ি রাতের অন্ধকারে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। হঠাৎ ভাঙনে বাড়ির জিনিসপত্র অনেকেই রক্ষা করতে পারেননি। সবকিছু চোখের সামনে নদীতে তলিয়ে গেছে। রাত থেকে আমরা খোলা আকাশের নিচে বাস করছি।

জালালপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সুলতান মাহমুদ জানান, তিনি স্থানীয় ইউপি সদস্যদের নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। দ্রুত সাহায্য চেয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। এখনো কোনো সাহায্য হাতে আসেনি। পাওয়া মাত্র বিতরণ করা হবে বলে তিনি জানান।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহ মো. শামসুজ্জোহা বলেন, ভাঙন রোধে ব্যবস্থা নিতে সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডকে জানানো হয়েছে। এছাড়া ক্ষতিগ্রস্তদের দ্রুত ইউনিয়ন পরিষদে সরিয়ে নিতে স্থানীয় চেয়ারম্যানকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সরকারের ত্রাণ তহবিল থেকে সাহায্যের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পরে তাদের নিরাপদ স্থানে পুনর্বাসন করা হবে।

যমুনায় বিলীন ২৫ বাড়িঘর  

 শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি 
২০ মে ২০২২, ১০:২৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
যমুনা
ছবি-যুগান্তর

বন্যার পানি বাড়তে থাকায় ও উজানের ঢলে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে যমুনা নদী তীরবর্তী কয়েকটি গ্রামে ব্যাপক ভাঙন শুরু হয়েছে। 

গত ২৪ ঘণ্টায় উপজেলার জালালপুর ইউনিয়নের আরকান্দি, ঘাটাবাড়ি, জালালপুর ও পাকুরতলা- এ চার গ্রামে অন্তত ২৫টি বাড়িঘর নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।

ফলে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের লোকজন সব হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন। বর্তমানের তারা খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। 

শুক্রবার সকালে সরেজমিন দেখা গেছে, ভাঙনকবলিত এলাকার মানুষজন তাদের জিনিসপত্র সরিয়ে নিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন। খোলা আকাশের নিচে বসে শিশুসন্তানদের নিয়ে আহাজারি করছেন।

ভুক্তভোগী জালালপুর গ্রামের আলহাজ আলী বলেন, বৃহস্পতিবার রাতে ঝড়-বৃষ্টির সময় নদীতে প্রচণ্ড ঢেউ শুরু হয়। মুহূর্তে যমুনা পাড়ের ২৫টি বসতবাড়ি রাতের অন্ধকারে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। হঠাৎ ভাঙনে বাড়ির জিনিসপত্র অনেকেই রক্ষা করতে পারেননি। সবকিছু চোখের সামনে নদীতে তলিয়ে গেছে। রাত থেকে আমরা খোলা আকাশের নিচে বাস করছি।

জালালপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সুলতান মাহমুদ জানান, তিনি স্থানীয় ইউপি সদস্যদের নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। দ্রুত সাহায্য চেয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। এখনো কোনো সাহায্য হাতে আসেনি। পাওয়া মাত্র বিতরণ করা হবে বলে তিনি জানান।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহ মো. শামসুজ্জোহা বলেন, ভাঙন রোধে ব্যবস্থা নিতে সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডকে জানানো হয়েছে। এছাড়া ক্ষতিগ্রস্তদের দ্রুত ইউনিয়ন পরিষদে সরিয়ে নিতে স্থানীয় চেয়ারম্যানকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সরকারের ত্রাণ তহবিল থেকে সাহায্যের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পরে তাদের নিরাপদ স্থানে পুনর্বাসন করা হবে। 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন