উড়ে গেল মাদ্রাসার চালা, খোলা আকাশের নিচে ছাত্ররা
jugantor
উড়ে গেল মাদ্রাসার চালা, খোলা আকাশের নিচে ছাত্ররা

  নড়াইল প্রতিনিধি  

২৭ মে ২০২২, ১৭:৪৩:৫৫  |  অনলাইন সংস্করণ

নড়াইলে ঝড়ে লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে পৌর এলাকার খাদেমুল ইসলাম মাদ্রাসা। বৃহস্পতিবার রাতের ঝড়ে উড়ে গেছে মাদ্রাসাটির চালা। ফলে খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপন করছেন মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। এছাড়া ইটের গাঁথুনি ভেঙে পড়েছে; নষ্ট হয়েছে আসবাবপত্র, ফ্যান, ধর্মীয় বইসহ অন্যান্য জিনিসপত্র নষ্ট হয়ে গেছে।

মাদ্রাসার ছাত্ররা জানায়, কিছু বুঝে ওঠার আগেই অল্প সময়ের মধ্যে মাদ্রাসার চালাসহ ইটের গাঁথুনি ভেঙে পড়ে। দ্রুত রুম থেকে বের হওয়ার চেষ্টা করে তারা। এ সময় কয়েকজন ছাত্র সামান্য আহত হয়।

মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক মাওলানা রেজাউল করিম বলেন, ঝড়ের সময় মাদ্রাসায় ছিলাম না। তবে খবর পেয়ে দ্রুত মাদ্রাসায় এসে দেখি টিনের চালা উড়ে প্রায় দেড়শ ফুট দূরে গিয়ে পড়েছে। মাদ্রাসায় ৩২ জন আবাসিক ছাত্র এবং তিনজন শিক্ষক আছেন। সবাই খোলা আকাশের নিচে অনেক কষ্টে জীবনযাপন করছেন। এ ব্যাপারে স্থানীয় এমপি, ডিসি স্যার ও পৌর মেয়রের সুদৃষ্টি কামনা করছি। ২০২০ সালে প্রতিষ্ঠিত মাদ্রাসাটিতে হাফেজ, নুরানী ও জামাত বিভাগ রয়েছে।

নড়াইল পৌর মেয়র আঞ্জুমান আরা বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত মাদ্রাসা পরিদর্শন করেছি। আমার সাধ্যমতো সহযোগিতা করব।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত মাদ্রাসাটি পুন:নির্মাণে সহযোগিতা করা হবে।

উড়ে গেল মাদ্রাসার চালা, খোলা আকাশের নিচে ছাত্ররা

 নড়াইল প্রতিনিধি 
২৭ মে ২০২২, ০৫:৪৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

নড়াইলে ঝড়ে লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে পৌর এলাকার খাদেমুল ইসলাম মাদ্রাসা। বৃহস্পতিবার রাতের ঝড়ে উড়ে গেছে মাদ্রাসাটির চালা। ফলে খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপন করছেন মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। এছাড়া ইটের গাঁথুনি ভেঙে পড়েছে; নষ্ট হয়েছে আসবাবপত্র, ফ্যান, ধর্মীয় বইসহ অন্যান্য জিনিসপত্র নষ্ট হয়ে গেছে। 

মাদ্রাসার ছাত্ররা জানায়, কিছু বুঝে ওঠার আগেই অল্প সময়ের মধ্যে মাদ্রাসার চালাসহ ইটের গাঁথুনি ভেঙে পড়ে। দ্রুত রুম থেকে বের হওয়ার চেষ্টা করে তারা। এ সময় কয়েকজন ছাত্র সামান্য আহত হয়।

মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক মাওলানা রেজাউল করিম বলেন, ঝড়ের সময় মাদ্রাসায় ছিলাম না। তবে খবর পেয়ে দ্রুত মাদ্রাসায় এসে দেখি টিনের চালা উড়ে প্রায় দেড়শ ফুট দূরে গিয়ে পড়েছে। মাদ্রাসায় ৩২ জন আবাসিক ছাত্র এবং তিনজন শিক্ষক আছেন। সবাই খোলা আকাশের নিচে অনেক কষ্টে জীবনযাপন করছেন। এ ব্যাপারে স্থানীয় এমপি, ডিসি স্যার ও পৌর মেয়রের সুদৃষ্টি কামনা করছি। ২০২০ সালে প্রতিষ্ঠিত মাদ্রাসাটিতে হাফেজ, নুরানী ও জামাত বিভাগ রয়েছে।  

নড়াইল পৌর মেয়র আঞ্জুমান আরা বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত মাদ্রাসা পরিদর্শন করেছি। আমার সাধ্যমতো সহযোগিতা করব। 

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত মাদ্রাসাটি পুন:নির্মাণে সহযোগিতা করা হবে।
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন