বাসায় মিলল কালনাগিনী সাপ
jugantor
বাসায় মিলল কালনাগিনী সাপ

  শ্রীমঙ্গল (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি  

২৮ মে ২০২২, ০০:৫০:৪৯  |  অনলাইন সংস্করণ

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে একটি বিরল প্রজাতির ‘কালনাগিনী’ সাপ উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশন। শুক্রবার সকালে শহরের কালীঘাট সড়কের একটি বাসা থেকে বন বিভাগের সহযোগিতায় সাপটি উদ্ধার করা হয়। প্রাণীটি বর্তমানে শহরের বন বিভাগের রেঞ্জ কার্যালয়ে আছে।

সেবা ফাউন্ডেশনের পরিচালক সজল দেব যুগান্তরকে জানান, গত কয়েক দিন থেকে শহরের কালীঘাট জুয়েল কানুর বাসা থেকে একটি সাপের কথা বলা হচ্ছিল। কিন্তু কয়েকবার গিয়েও সাপটি খুঁজে পাওয়া যায়নি। শুক্রবার বন বিভাগের সাহায্য নিয়ে অক্ষত অবস্থায় সাপটি উদ্ধার করা হয়েছে বলে তিনি জানান।

সজল দেব জানান, কালনাগিনীর ইংরেজি নাম অরনেট ফ্লাইং স্নেক বা গোল্ডেন ফ্লাইং স্নেক। বড় গাছপালা, অপ্রধান বন, মানুষের আবাসস্থলের আশপাশের চাষের জমি, এমনকি মানুষের ঘরের ভেতরেও বাস করে এরা। এর দৈর্ঘ্য সচরাচর ১ থেকে ১ দশমিক ২ মিটার এবং সর্বোচ্চ ১ দশমিক ৭৫ মিটার হয়ে থাকে। সদ্য ফোটা বাচ্চার দৈর্ঘ্য ২৬ সেন্টিমিটার।

তিনি জানান, সাপটির দেহ হালকা সবুজ থেকে হলদে সবুজ। দেহের পুরো দৈর্ঘ্য বরাবর কালো ব্যান্ড ও লাল দাগ পর্যায়ক্রমে চলে গেছে। দেহের নিচের মসৃণ আঁশগুলো ফ্যাকাসে সবুজ। ঈষৎ চ্যাপটা কালো মাথার ওপরে হলদে ব্যান্ড আছে। চোখ বড় বড়। বিরক্ত হলে দেহ চ্যাপটা করে। এরা ব্যাঙ, গিরগিটি, ছোট পাখি ইত্যাদি খায়।

বাসায় মিলল কালনাগিনী সাপ

 শ্রীমঙ্গল (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি 
২৮ মে ২০২২, ১২:৫০ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে একটি বিরল প্রজাতির ‘কালনাগিনী’ সাপ উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশন। শুক্রবার সকালে শহরের কালীঘাট সড়কের একটি বাসা থেকে বন বিভাগের সহযোগিতায় সাপটি উদ্ধার করা হয়। প্রাণীটি বর্তমানে শহরের বন বিভাগের রেঞ্জ কার্যালয়ে আছে।

সেবা ফাউন্ডেশনের পরিচালক সজল দেব যুগান্তরকে জানান, গত কয়েক দিন থেকে শহরের কালীঘাট জুয়েল কানুর বাসা থেকে একটি সাপের কথা বলা হচ্ছিল। কিন্তু কয়েকবার গিয়েও সাপটি খুঁজে পাওয়া যায়নি। শুক্রবার বন বিভাগের সাহায্য নিয়ে অক্ষত অবস্থায় সাপটি উদ্ধার করা হয়েছে বলে তিনি জানান।

সজল দেব জানান, কালনাগিনীর ইংরেজি নাম অরনেট ফ্লাইং স্নেক বা গোল্ডেন ফ্লাইং স্নেক। বড় গাছপালা, অপ্রধান বন, মানুষের আবাসস্থলের আশপাশের চাষের জমি, এমনকি মানুষের ঘরের ভেতরেও বাস করে এরা। এর দৈর্ঘ্য সচরাচর ১ থেকে ১ দশমিক ২ মিটার এবং সর্বোচ্চ ১ দশমিক ৭৫ মিটার হয়ে থাকে। সদ্য ফোটা বাচ্চার দৈর্ঘ্য ২৬ সেন্টিমিটার।

তিনি জানান, সাপটির দেহ হালকা সবুজ থেকে হলদে সবুজ। দেহের পুরো দৈর্ঘ্য বরাবর কালো ব্যান্ড ও লাল দাগ পর্যায়ক্রমে চলে গেছে। দেহের নিচের মসৃণ আঁশগুলো ফ্যাকাসে সবুজ। ঈষৎ চ্যাপটা কালো মাথার ওপরে হলদে ব্যান্ড আছে। চোখ বড় বড়। বিরক্ত হলে দেহ চ্যাপটা করে। এরা ব্যাঙ, গিরগিটি, ছোট পাখি ইত্যাদি খায়।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন