খুলনায় বিএনপির ৮শ নেতার নামে মামলা, গ্রেফতার ৪১
jugantor
খুলনায় বিএনপির ৮শ নেতার নামে মামলা, গ্রেফতার ৪১

  খুলনা ব্যুরো  

২৮ মে ২০২২, ০১:০৩:১৫  |  অনলাইন সংস্করণ

খুলনায় বিএনপির সঙ্গে পুলিশ ও ছাত্রলীগের সংঘর্ষের ঘটনায় মহানগর ও জেলা বিএনপির আহবায়ক, সদস্য সচিব এবং অঙ্গসংগঠনের ৯২ জনসহ অজ্ঞাতনামা ৮শ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।

পুলিশের কাজে বাধা ও হামলাসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী কার্যক্রমের কারণে খুলনা সদর থানার এসআই বিশ্বজিৎ কুমার বসু বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার রাতে মামলাটি দায়ের করেন।

শুক্রবার দুপুরে সিএমএম আদালতে গ্রেফতার ৪১ জনকে হাজির করা হয়। এর মধ্যে ১২ জন মহিলা নেতার জামিন মঞ্জুর করা হয়।

বৃহস্পতিবার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে পুলিশ ১২৭ রাউন্ড শটগান, ৪৩ রাউন্ড টিয়ারসেল নিক্ষেপ করে। বিএনপি, ছাত্রলীগ ও পুলিশ মিলিয়ে প্রায় ২শ জন আহত হন।

এদিকে শুক্রবার সকালে বিএনপির নেতারা কেডি ঘোষ রোডের দলীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন। এ সময় নগর বিএনপির আহবায়ক অ্যাডভোকেট শফিকুল আলম মনা দাবি করেন, বিএনপির শান্তিপূর্ণ সমাবেশ পণ্ড করার জন্য পুলিশের সহযোগিতায় ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা তাদের ওপর হামলা করেন। এ সময় শতাধিক নেতাকর্মী আহত এবং ৪১ জনকে আটক করা হয়।

তিনি অভিযোগ করেন, আহত নেতাকর্মীদের সরকারি হাসপাতালে যাওয়ার পর সেখান থেকেও তাদের আটক করা হয়েছে।

এর আগে শুক্রবার রাতেই মহানগর আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন নগর ও জেলা ছাত্রলীগ। তারা দাবি করেন, সন্ত্রাসবিরোধী বিক্ষোভ সমাবেশ করার জন্য ছাত্রলীগ মিছিল করছিল। এ সময় বিএনপি কার্যালয়ের এলাকা থেকে তাদের মিছিলে ইটপাটকেল এবং গুলতির মাধ্যমে কাচের গুলি নিক্ষেপ করা হয়। এ ঘটনায় তাদের একাধিক নেতাকর্মী আহত হন।

পুলিশের দাবি, বৃহস্পতিবার বিকালে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে হত্যার হুমকির প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে খুলনা মহানগর ও জেলা বিএনপির বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশ থেকে জেলা ছাত্রলীগের বিক্ষোভ মিছিলে হামলা করা হয়। পুলিশ এ সময় বিএনপি নেতাকর্মীদের বাধা দিলে বিএনপি নেতাকর্মীরা পুলিশের ওপর হামলা করে।

পরবর্তীতে ছাত্রলীগ ও বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ হলে পিকচার প্যালেস মোড় এলাকা থেকে বিএনপির কার্যালয় পর্যন্ত রণক্ষেত্র হয়ে যায়। এ সময় পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে ১২৭ রাউন্ড শটগান, ৪৩ রাউন্ড টিয়ারসেল নিক্ষেপ করে। রণক্ষেত্রে পুলিশের ১৪ জন আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থল থেকে মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব শফিকুল আলম তুহিন, যুগ্ম আহবায়ক সৈয়দা রেহানা ঈসাসহ ৪১ জন আটক হন।

মামলার আসামিরা হলেন:

নগর বিএনপির সদস্য সচিব শফিকুল আলম তুহিন, মো. রনি শেখ, মো. হাফিজুর রহমান, মো. মালেক খা, মো. আবু জাফর, মো. আসাদ মোল্লা, বিএল কলেজ ছাত্রদলের সদস্য সচিব শেখ খালিদ বিন ওয়ালিদ শোভন, মো. সাইফুল ইসলাম, মো. রুবেল হোসেন, মো. তিতাস শেখ, ডুমুরিয়া উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব শেখ সরোয়ার হোসেন, মো. রেজাউল ইসলাম, আলী আজগর সরদার, মো. উজ্জল মোল্লা, ইমরান বিশ্বাস, মো. শহিদুল ইসলাম, রবিউল ইসলাম, নয়ন সরদার, মো. বোরহান আলী আকুঞ্জি, সাইফুল ইসলাম, আবু সালেহ শিমুল, মো. দুলাল, মো. লিটন ফকির, সুমন মীর, মোল্লা তরিকুল ইসলাম, সাজ্জাত হোসেন জিতু, নুর আলম নুরু, মো. সোবহান খান, মো. কদর শিকদার, কাওসারী জাহান মঞ্জু, শারমিন আক্তার, মরিয়ম খাতুন মুন্নি, ইভা জামান, মনি, রুকাইয়া শারমিন দোলা, রুবিনা, কাজলী, সাবেক কাউন্সিলর আনজিরা খাতুন, পাপিয়া আক্তার পারুল, আফরোজা জামান, নগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক সৈয়দা রেহেনা আক্তার। এই ৪১ নেতাকর্মীর সবাই আটক হয়েছেন।

এজাহারনামা অনুযায়ী পলাতক রয়েছেন নগর বিএনপির আহবায়ক অ্যাডভোকেট শফিকুল আলম মনা, খুলনা-৩ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও মহানগরের সদস্য রকিবুল ইসলাম বকুল, জেলা বিএনপির আহবায়ক আমির এজাজ খান, নগর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-আহবায়ক তরিকুল ইসলাম জহির, নগর যুবদলের সভাপতি মাহাবুব হাসান পিয়ারু, নগর ছাত্রদলের আহবায়ক মো. ইসতিয়াক আহম্মেদ ইস্তি, জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা তুহিন, নগর ছাত্রদলের সদস্য সচিব মো. তাজিম বিশ্বাস, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি আব্দুল মান্নান মিস্ত্রী, নগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক মো. মাসুদ পারভেজ বাবু, নগর ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হেলাল আহম্মেদ সুমন, নগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি একরামুল হক হেলাল, নগর বিএনপির যুগ্ম-আহবায়ক আজিজুল হাসান দুলু, মো. রাজু আহম্মেদ, মো. মাসুদ খান বাদল ওরফে বোমারু বাদল, নগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হুদা চৌধুরী সাগর, জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ইবাদুল হক রুবায়েত, মতিউর রহমান বুলেট, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পি, নগর বিএনপির যুগ্ম-আহবায়ক চৌধুরী হাসানুর রশিদ মিরাজ, আশিকুর রহমান অনি, কিমিয়া সাদাত, মাহমুদ নিবিড়, রিয়াজ মোল্লা, মাসকুর হাসান ফ্রান্স, মেহেদী হাসান, মো. অনিক আহম্মেদ, রবিউল ইসলাম রবি, তৌহিদুর রহমান তৌহিদ, মো. শাওন, মো. জাহিদ মোল্যা, বাচ্চু মোল্যা, শ্রমিকদল নেতা মো. শফিকুল ইসলাম শফি, মফিজুল সরদার, নগর বিএনপির যুগ্ম-আহবায়ক শেখ সাদী, জেলা বিএনপির জাফরিন নেওয়াজ চন্দন, হেলাল হোসেন গাজী, বেলাল হোসেন গাজী, মো. ফরিদ মোল্যা, নগর শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক মো. মজিবুর রহমান, মো. ফারুক হোসেন, নাইম, গাউস, সোহেল, নগর বিএনপির যুগ্ম-আহবায়ক কাজী মাহামুদ আলী, মো. সাজ্জাদ আহসান পরাগ, একরামুল কবির মিল্টন, ডালিম গাজী, মনিরুল ইসলাম, নগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক স ম আবদুর রহমান এবং শফিকুল ইসলাম টিপুসহ অজ্ঞাত ৭০০ থেকে ৮০০ জন।

খুলনায় বিএনপির ৮শ নেতার নামে মামলা, গ্রেফতার ৪১

 খুলনা ব্যুরো 
২৮ মে ২০২২, ০১:০৩ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

খুলনায় বিএনপির সঙ্গে পুলিশ ও ছাত্রলীগের সংঘর্ষের ঘটনায় মহানগর ও জেলা বিএনপির আহবায়ক, সদস্য সচিব এবং অঙ্গসংগঠনের ৯২ জনসহ অজ্ঞাতনামা ৮শ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।

পুলিশের কাজে বাধা ও হামলাসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী কার্যক্রমের কারণে খুলনা সদর থানার এসআই বিশ্বজিৎ কুমার বসু বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার রাতে মামলাটি দায়ের করেন।

শুক্রবার দুপুরে সিএমএম আদালতে গ্রেফতার ৪১ জনকে হাজির করা হয়। এর মধ্যে ১২ জন মহিলা নেতার জামিন মঞ্জুর করা হয়।

বৃহস্পতিবার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে পুলিশ ১২৭ রাউন্ড শটগান, ৪৩ রাউন্ড টিয়ারসেল নিক্ষেপ করে। বিএনপি, ছাত্রলীগ ও পুলিশ মিলিয়ে প্রায় ২শ জন আহত হন।

এদিকে শুক্রবার সকালে বিএনপির নেতারা কেডি ঘোষ রোডের দলীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন। এ সময় নগর বিএনপির আহবায়ক অ্যাডভোকেট শফিকুল আলম মনা দাবি করেন, বিএনপির শান্তিপূর্ণ সমাবেশ পণ্ড করার জন্য পুলিশের সহযোগিতায় ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা তাদের ওপর হামলা করেন। এ সময় শতাধিক নেতাকর্মী আহত এবং ৪১ জনকে আটক করা হয়।

তিনি অভিযোগ করেন, আহত নেতাকর্মীদের সরকারি হাসপাতালে যাওয়ার পর সেখান থেকেও তাদের আটক করা হয়েছে।

এর আগে শুক্রবার রাতেই মহানগর আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন নগর ও জেলা ছাত্রলীগ। তারা দাবি করেন, সন্ত্রাসবিরোধী বিক্ষোভ সমাবেশ করার জন্য ছাত্রলীগ মিছিল করছিল। এ সময় বিএনপি কার্যালয়ের এলাকা থেকে তাদের মিছিলে ইটপাটকেল এবং গুলতির মাধ্যমে কাচের গুলি নিক্ষেপ করা হয়। এ ঘটনায় তাদের একাধিক নেতাকর্মী আহত হন।

পুলিশের দাবি, বৃহস্পতিবার বিকালে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে হত্যার হুমকির প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে খুলনা মহানগর ও জেলা বিএনপির বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশ থেকে জেলা ছাত্রলীগের বিক্ষোভ মিছিলে হামলা করা হয়। পুলিশ এ সময় বিএনপি নেতাকর্মীদের বাধা দিলে বিএনপি নেতাকর্মীরা পুলিশের ওপর হামলা করে।

পরবর্তীতে ছাত্রলীগ ও বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ হলে পিকচার প্যালেস মোড় এলাকা থেকে বিএনপির কার্যালয় পর্যন্ত রণক্ষেত্র হয়ে যায়। এ সময় পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে ১২৭ রাউন্ড শটগান, ৪৩ রাউন্ড টিয়ারসেল নিক্ষেপ করে। রণক্ষেত্রে পুলিশের ১৪ জন আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থল থেকে মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব শফিকুল আলম তুহিন, যুগ্ম আহবায়ক সৈয়দা রেহানা ঈসাসহ ৪১ জন আটক হন।

মামলার আসামিরা হলেন:

নগর বিএনপির সদস্য সচিব শফিকুল আলম তুহিন, মো. রনি শেখ, মো. হাফিজুর রহমান, মো. মালেক খা, মো. আবু জাফর, মো. আসাদ মোল্লা, বিএল কলেজ ছাত্রদলের সদস্য সচিব শেখ খালিদ বিন ওয়ালিদ শোভন, মো. সাইফুল ইসলাম, মো. রুবেল হোসেন, মো. তিতাস শেখ, ডুমুরিয়া উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব শেখ সরোয়ার হোসেন, মো. রেজাউল ইসলাম, আলী আজগর সরদার, মো. উজ্জল মোল্লা, ইমরান বিশ্বাস, মো. শহিদুল ইসলাম, রবিউল ইসলাম, নয়ন সরদার, মো. বোরহান আলী আকুঞ্জি, সাইফুল ইসলাম, আবু সালেহ শিমুল, মো. দুলাল, মো. লিটন ফকির, সুমন মীর, মোল্লা তরিকুল ইসলাম, সাজ্জাত হোসেন জিতু, নুর আলম নুরু, মো. সোবহান খান, মো. কদর শিকদার, কাওসারী জাহান মঞ্জু, শারমিন আক্তার, মরিয়ম খাতুন মুন্নি, ইভা জামান, মনি, রুকাইয়া শারমিন দোলা, রুবিনা, কাজলী, সাবেক কাউন্সিলর আনজিরা খাতুন, পাপিয়া আক্তার পারুল, আফরোজা জামান, নগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক সৈয়দা রেহেনা আক্তার। এই ৪১ নেতাকর্মীর সবাই আটক হয়েছেন।

এজাহারনামা অনুযায়ী পলাতক রয়েছেন নগর বিএনপির আহবায়ক অ্যাডভোকেট শফিকুল আলম মনা, খুলনা-৩ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও মহানগরের সদস্য রকিবুল ইসলাম বকুল, জেলা বিএনপির আহবায়ক আমির এজাজ খান, নগর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-আহবায়ক তরিকুল ইসলাম জহির, নগর যুবদলের সভাপতি মাহাবুব হাসান পিয়ারু, নগর ছাত্রদলের আহবায়ক মো. ইসতিয়াক আহম্মেদ ইস্তি, জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা তুহিন, নগর ছাত্রদলের সদস্য সচিব মো. তাজিম বিশ্বাস, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি আব্দুল মান্নান মিস্ত্রী, নগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক মো. মাসুদ পারভেজ বাবু, নগর ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হেলাল আহম্মেদ সুমন, নগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি একরামুল হক হেলাল, নগর বিএনপির যুগ্ম-আহবায়ক আজিজুল হাসান দুলু, মো. রাজু আহম্মেদ, মো. মাসুদ খান বাদল ওরফে বোমারু বাদল, নগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হুদা চৌধুরী সাগর, জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ইবাদুল হক রুবায়েত, মতিউর রহমান বুলেট, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পি,  নগর বিএনপির যুগ্ম-আহবায়ক চৌধুরী হাসানুর রশিদ মিরাজ, আশিকুর রহমান অনি, কিমিয়া সাদাত, মাহমুদ নিবিড়,  রিয়াজ মোল্লা,  মাসকুর হাসান ফ্রান্স, মেহেদী হাসান, মো. অনিক আহম্মেদ, রবিউল ইসলাম রবি, তৌহিদুর রহমান তৌহিদ, মো. শাওন, মো. জাহিদ মোল্যা, বাচ্চু মোল্যা, শ্রমিকদল নেতা মো. শফিকুল ইসলাম শফি, মফিজুল সরদার, নগর বিএনপির যুগ্ম-আহবায়ক শেখ সাদী, জেলা বিএনপির জাফরিন নেওয়াজ চন্দন, হেলাল হোসেন গাজী, বেলাল হোসেন গাজী, মো. ফরিদ মোল্যা, নগর শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক মো. মজিবুর রহমান, মো. ফারুক হোসেন, নাইম, গাউস, সোহেল, নগর বিএনপির যুগ্ম-আহবায়ক কাজী মাহামুদ আলী, মো. সাজ্জাদ আহসান পরাগ, একরামুল কবির মিল্টন, ডালিম গাজী, মনিরুল ইসলাম, নগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক স ম আবদুর রহমান এবং শফিকুল ইসলাম টিপুসহ অজ্ঞাত ৭০০ থেকে ৮০০ জন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন