যে কারণে সাবেক স্বামীর বিরুদ্ধে অভিযোগ!
jugantor
যে কারণে সাবেক স্বামীর বিরুদ্ধে অভিযোগ!

  নিয়ামতপুর (নওগাঁ) প্রতিনিধি  

২৩ জুন ২০২২, ০০:৪২:২৬  |  অনলাইন সংস্করণ

ইন্টারনেটে অশ্লীল ছবি ও ভিডিও ছড়ানোর হুমকি দেওয়ায় সাবেক স্বামীর বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন এক নারী। ওই নারীর নাম জেরিনা খাতুন (২০)। তিনি উপজেলার বাহাদুরপুর ইউনিয়নের আঘোর মুন্নাপাড়া গ্রামের জসীম উদ্দিনের মেয়ে।

মঙ্গলবার (২১ জুন) রাতে থানায় উপস্থিত হয়ে সাবেক স্বামী নিয়ামতপুর উপজেলার পাঁড়ইল ইউনিয়নের গন্ধশাইল গ্রামের বাসিন্দা দুরুল হুদার ছেলে রনির (২৫) বিরুদ্ধে তিনি এ লিখিত অভিযোগ করেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ৮ মাস পূর্বে জেরিনা খাতুনের সঙ্গে রনির বিবাহ বিচ্ছেদ হয়। এরপর মাঝে মধ্যেই রনি মোবাইল ফোনে কল দেয় ও কথা বলার চেষ্টা করে। ছাড়াছাড়ির হওয়ার কারণে জেরিনা তার সঙ্গে ফোনে কথা বলতে অস্বীকার করে। ফোন কল আসলে কেটে দেয় সে। এতে করে রনির আঁতে ঘা লাগে।

এক পর্যায়ে সে ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে এবং তার কাছে থাকা অশ্লীল ছবি ও ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেয়। ২১ জুন দুপুরে জেরিনা তানোর উপজেলার মাদারীপুর কলেজ থেকে টমটমে করে বাড়ি ফেরার পথে উপজেলার বাহাদুরপুর ইউনিয়নের নাকইল গ্রামে রাস্তার ওপর ওত পেতে থাকা তার সাবেক স্বামী রনী তার পথরোধ করে এবং জোরপূর্বক অপহরণের চেষ্টা করে। এতে স্থানীয়রা ছুটে এসে জেরিনাকে উদ্ধার করে বাড়ি পাঠায়।

জেরিনা খাতুন জানান, বিয়ের পর থেকেই আমাকে অত্যাচার করতো। রাতে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় এসে মারধর করতো। মারধরের কারণে কয়েকবার বাবার বাড়িতে চলে আসি। আবার ফিরে যায়। কিন্তু তার নির্যাতনটা এতই বেড়ে গিয়েছির যে, শেষমেশ আর সহ্য করতে না পেরে পারিবারিক সম্মতিতেই আমাদের ছাড়াছাড়ি হয়। ছাড়াছাড়ি হওয়ার পর থেকেই সে ফোন করে অশ্লীল ছবি ও ভিডিও ছড়ানোর হুমকি দিত মোবাইল ফোনে। ফোন দিতে নিষেধ করায় বন্ধুদের মাধ্যমে হুমকি দিত অনবরত। মঙ্গলবার কলেজ থেকে ফেরার পথে আমাকে অপহরণের চেষ্টা করে সে। এ সময় স্থানীয়রা আমাকে উদ্ধার করেন।

জেরিনার বাবা জসীম উদ্দিন জানান, গত দুই বছর আগে মেয়ের বিয়ে দিয়েছিলাম। যৌতুকের জন্য মারধরের কারণে ছাড়াছাড়ি করিয়ে নিতে হয়েছে।

অভিযুক্ত রনি প্রতিবেদককে বলেন, জেরিনার কারণেই আমার সংসার টিকেনি। আমি তার অত্যাচারে অতিষ্ঠ ছিলাম। যে অভিযোগ আমার বিরুদ্ধে করা হয়েছে তার কোনো ভিত্তি নেই।

এ ঘটনায় নিয়ামতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবির বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

যে কারণে সাবেক স্বামীর বিরুদ্ধে অভিযোগ!

 নিয়ামতপুর (নওগাঁ) প্রতিনিধি 
২৩ জুন ২০২২, ১২:৪২ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ইন্টারনেটে অশ্লীল ছবি ও ভিডিও ছড়ানোর হুমকি দেওয়ায় সাবেক স্বামীর বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন এক নারী। ওই নারীর নাম জেরিনা খাতুন (২০)। তিনি উপজেলার বাহাদুরপুর ইউনিয়নের আঘোর মুন্নাপাড়া গ্রামের জসীম উদ্দিনের মেয়ে।

মঙ্গলবার (২১ জুন) রাতে থানায় উপস্থিত হয়ে সাবেক স্বামী নিয়ামতপুর উপজেলার পাঁড়ইল ইউনিয়নের গন্ধশাইল গ্রামের বাসিন্দা দুরুল হুদার ছেলে রনির (২৫) বিরুদ্ধে তিনি এ লিখিত অভিযোগ করেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ৮ মাস পূর্বে জেরিনা খাতুনের সঙ্গে রনির বিবাহ বিচ্ছেদ হয়। এরপর মাঝে মধ্যেই রনি মোবাইল ফোনে কল দেয় ও কথা বলার চেষ্টা করে। ছাড়াছাড়ির হওয়ার কারণে জেরিনা তার সঙ্গে ফোনে কথা বলতে অস্বীকার করে। ফোন কল আসলে কেটে দেয় সে। এতে করে রনির আঁতে ঘা লাগে।

এক পর্যায়ে সে ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে এবং তার কাছে থাকা অশ্লীল ছবি ও ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেয়। ২১ জুন দুপুরে জেরিনা তানোর উপজেলার মাদারীপুর কলেজ থেকে টমটমে করে বাড়ি ফেরার পথে উপজেলার বাহাদুরপুর ইউনিয়নের নাকইল গ্রামে রাস্তার ওপর ওত পেতে থাকা তার সাবেক স্বামী রনী তার পথরোধ করে এবং জোরপূর্বক অপহরণের চেষ্টা করে। এতে স্থানীয়রা ছুটে এসে জেরিনাকে উদ্ধার করে বাড়ি পাঠায়।

জেরিনা খাতুন জানান, বিয়ের পর থেকেই আমাকে অত্যাচার করতো। রাতে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় এসে মারধর করতো। মারধরের কারণে কয়েকবার বাবার বাড়িতে চলে আসি। আবার ফিরে যায়। কিন্তু তার নির্যাতনটা এতই বেড়ে গিয়েছির যে, শেষমেশ আর সহ্য করতে না পেরে পারিবারিক সম্মতিতেই আমাদের ছাড়াছাড়ি হয়। ছাড়াছাড়ি হওয়ার পর থেকেই সে ফোন করে অশ্লীল ছবি ও ভিডিও ছড়ানোর হুমকি দিত মোবাইল ফোনে। ফোন দিতে নিষেধ করায় বন্ধুদের মাধ্যমে হুমকি দিত অনবরত। মঙ্গলবার কলেজ থেকে ফেরার পথে আমাকে অপহরণের চেষ্টা করে সে। এ সময় স্থানীয়রা আমাকে উদ্ধার করেন।

জেরিনার বাবা জসীম উদ্দিন জানান, গত দুই বছর আগে মেয়ের বিয়ে দিয়েছিলাম। যৌতুকের জন্য মারধরের কারণে ছাড়াছাড়ি করিয়ে নিতে হয়েছে।

অভিযুক্ত রনি প্রতিবেদককে বলেন, জেরিনার কারণেই আমার সংসার টিকেনি। আমি তার অত্যাচারে অতিষ্ঠ ছিলাম। যে অভিযোগ আমার বিরুদ্ধে করা হয়েছে তার কোনো ভিত্তি নেই।

এ ঘটনায় নিয়ামতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবির বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও খবর
 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন