মেহেদির দাগ না মুছতেই জীবন দিতে হল কিশোরীর
jugantor
মেহেদির দাগ না মুছতেই জীবন দিতে হল কিশোরীর

  ধামরাই (ঢাকা) প্রতিনিধি  

২৪ জুন ২০২২, ০৫:৪৮:৩৩  |  অনলাইন সংস্করণ

ঢাকার ধামরাইয়ে প্রেমের বিয়ের পর গায়ের হলুদ আর হাতের মেহেদির দাগ না মুছতেই জীবন বিসর্জন দিতে হলো সদ্য বিবাহিত নববধূকে।

বিয়ের ১৫দিনের মধ্যে স্বামী-শ্বশুরের দাবিকৃত যৌতুকের টাকা পরিশোধ করতে না পারায় অকালে জীবন দিতে হলো সাবরিনা ইসলাম রোমানা(১৬) নামের ওই নববধূকে।

দরিদ্র বাবা আর্থিক অনটনের বারণে আত্মহত্যার পথ বেছে ওই নববধূ। বৃহস্পতিবার রাতে ঝুলন্তবস্থায় পুলিশ ওই নববধূর মরদেহ উদ্ধার করে।

ছুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি শেষে ময়না তদন্তের জন্য রাজধানীর হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। এব্যাপারে ধামরাই থানায় একটি অপমৃত্যু মামরা দায়ের হয়েছে। এ ঘটনাটি ঘটেছে ধামরাই পৌরসভার তালতলা মহল্লায়।

নিহতের পরিবার জানান, ধামরাই পৌরসভার তালতলা মহল্লার কবির হোসেনের ভাড়াটিয়া মো. রফিকুল ইসলাম একমাত্র মেয়ে সাবরিনা ইসলাম রোমানকে (১৬) ফরিদপুর জেলার নগরকান্দা থানার আশফদ্দী গ্রামের নবাব আলী খন্দকারের ছেলে রনিস খন্দকারে (২৭) সঙ্গে প্রেমের টানে বিয়ে হয় মাত্র ১৫দিন আগে।

বিয়ের পর নববধূ সাবরিনা ইসলাম রোমানা ও তার বাবা রফিকুল ইসলামের কাছে দুই লাখ টাকা যৌতুক চায় রনিস খন্দকার ও তার পরিবারের লোকজন।

যৌতুকের দুই লাখ টাকা দিতে না পারায় নববধূ রোমানাকে মারধরসহ বিভিন্ন ভাবে অমানুষিক নির্যাতন করে। একপর্যায়ে তাকে স্বামীর বাড়ী থেকে রোমানার বাবার বাড়ীতে পাঠিয়ে দেয় স্বামী রনিস খন্দার ও তার পরিবারের লোকজন।

বৃস্পতিবার রোমানাকে ফোন করে স্বামী রনিস খন্দকার জানায়, যৌতুকের দুই লাখ টাকা না দিলে তাকে ডিভোস দেবে। ফলে মানুষিক চাপ সইতে না পেরে রাত ৮টার দিকে গলায় রশি বেঁধে ফাঁসি দিয়ে আত্মহত্যার পথ বেছে নেয় রোমানা। বাবার বাড়ীতে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন ওই নববধূ।

রোমানার বাবা রফিকুল ইসলাম জানান, বিয়ের কিছুদিন পর থেকেই দুই লাখ টাকা যৌতুক চায় মেয়ের জামাই ও তার বাবা। তাদের দাবিকৃত যৌতুকের দুই লাখ টাকা আমি দিতে না পারায় মেয়েকে মারধর করে আসছিল স্বামী ও তার পরিবার। যৌতুক দিতে না পারায় আজ আমার মেয়েকে হারালাম। আমার মেয়ের মৃত্যুর উপযুক্ত বিচার চাই।

ধামরাই থানার অফিসার ইনচার্জ আতিকুর রহমান বলেন,লাশ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি শেষে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এব্যাপারে একটি ইউডি মামলা দায়ের হয়েছে।

মেহেদির দাগ না মুছতেই জীবন দিতে হল কিশোরীর

 ধামরাই (ঢাকা) প্রতিনিধি 
২৪ জুন ২০২২, ০৫:৪৮ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ঢাকার ধামরাইয়ে প্রেমের বিয়ের পর গায়ের হলুদ আর হাতের মেহেদির দাগ না মুছতেই জীবন বিসর্জন দিতে হলো সদ্য বিবাহিত নববধূকে। 

বিয়ের ১৫দিনের মধ্যে স্বামী-শ্বশুরের দাবিকৃত যৌতুকের টাকা পরিশোধ করতে না পারায় অকালে জীবন দিতে হলো সাবরিনা ইসলাম রোমানা(১৬) নামের ওই নববধূকে। 

দরিদ্র বাবা আর্থিক অনটনের বারণে আত্মহত্যার পথ বেছে ওই নববধূ। বৃহস্পতিবার রাতে  ঝুলন্তবস্থায় পুলিশ ওই নববধূর মরদেহ উদ্ধার করে।

ছুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি শেষে  ময়না তদন্তের জন্য রাজধানীর হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। এব্যাপারে ধামরাই থানায় একটি অপমৃত্যু মামরা দায়ের হয়েছে। এ ঘটনাটি ঘটেছে ধামরাই পৌরসভার তালতলা মহল্লায়। 
 
নিহতের পরিবার জানান, ধামরাই পৌরসভার তালতলা মহল্লার কবির হোসেনের ভাড়াটিয়া মো. রফিকুল ইসলাম একমাত্র মেয়ে সাবরিনা ইসলাম রোমানকে (১৬) ফরিদপুর জেলার নগরকান্দা থানার আশফদ্দী গ্রামের নবাব আলী খন্দকারের ছেলে রনিস খন্দকারে (২৭) সঙ্গে প্রেমের টানে বিয়ে হয় মাত্র ১৫দিন আগে। 

বিয়ের পর নববধূ সাবরিনা ইসলাম রোমানা ও তার বাবা রফিকুল ইসলামের কাছে দুই লাখ টাকা যৌতুক চায় রনিস খন্দকার ও তার পরিবারের লোকজন।

যৌতুকের দুই লাখ টাকা দিতে না পারায় নববধূ রোমানাকে মারধরসহ বিভিন্ন ভাবে অমানুষিক নির্যাতন করে। একপর্যায়ে তাকে স্বামীর বাড়ী থেকে রোমানার বাবার বাড়ীতে পাঠিয়ে দেয় স্বামী রনিস খন্দার ও তার পরিবারের লোকজন। 

বৃস্পতিবার রোমানাকে ফোন করে স্বামী রনিস খন্দকার জানায়, যৌতুকের দুই লাখ টাকা না দিলে তাকে ডিভোস দেবে। ফলে মানুষিক চাপ সইতে না পেরে রাত ৮টার দিকে গলায় রশি বেঁধে ফাঁসি দিয়ে আত্মহত্যার পথ বেছে নেয় রোমানা। বাবার বাড়ীতে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন ওই নববধূ।

রোমানার বাবা রফিকুল ইসলাম জানান, বিয়ের কিছুদিন পর থেকেই দুই লাখ টাকা যৌতুক চায় মেয়ের জামাই ও তার বাবা। তাদের দাবিকৃত যৌতুকের দুই লাখ টাকা আমি দিতে না পারায় মেয়েকে মারধর করে আসছিল স্বামী ও তার পরিবার। যৌতুক দিতে না পারায় আজ আমার মেয়েকে হারালাম। আমার মেয়ের মৃত্যুর উপযুক্ত বিচার চাই।

ধামরাই থানার অফিসার ইনচার্জ আতিকুর রহমান বলেন,লাশ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি শেষে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এব্যাপারে একটি ইউডি মামলা দায়ের হয়েছে।
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন