চিৎকার শুনে সপ্তম শ্রেণির ছাত্রীকে উদ্ধার করলেন মা-স্বজনরা
jugantor
চিৎকার শুনে সপ্তম শ্রেণির ছাত্রীকে উদ্ধার করলেন মা-স্বজনরা

  লামা (বান্দরবান) প্রতিনিধি  

২৫ জুন ২০২২, ১৯:৩৯:৫০  |  অনলাইন সংস্করণ

বান্দরবানের লামায় সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রীকে জোরপূর্বক ধর্ষণ চেষ্টা চালায় দুই যুবক। পরে ছাত্রীর চিৎকার শুনে তার মা ও স্বজনরা গিয়ে তাকে উদ্ধার করেন।

লামা সদর ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের মঙ্গলবার (২১ জুন) সকাল ৮টায় এ ঘটনা ঘটে। চিকিৎসা শেষে ভিকটিমের মা বাদী হয়ে শুক্রবার (২৪ জুন) দুপুরে লামা থানায় দুইজনকে আসামি করে অভিযোগ দায়ের করেন।

আসামিরা হলেন- লামা সদর ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের আবু শামার ছেলে ফরিদুল আলম (৩২) ও একই এলাকার সৈয়দ আহমদের ছেলে মো. নুর কবির (৩২)।

থানায় এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার বাড়ির পেছনে ঘাসের একটি জায়গায় সকাল ৭টার সময় তাদের পালিত একটি ছাগল ঘাস খাওয়ার জন্য বেঁধে দিয়ে আসে। কিছুক্ষণ পর আকাশ অন্ধকার করে বৃষ্টি আসতে দেখে সকাল ৮টার দিকে ওই ছাত্রী ঘাসের মাঠ থেকে ছাগলটি আনতে যায়। সেখানে ওতপেতে থাকা ফরিদুল আলম ছাত্রীকে জাপটে ধরে পাশের কলাগাছের ঝোঁপে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়।

এ সময় ছাত্রীর চিৎকার শুনে তার মা ও স্বজনরা ঘটনাস্থলে গিয়ে ফরিদুল আলমের কাছ থেকে ছাত্রীকে উদ্ধার করেন। বাড়িতে আনার সময় ২নং আসামি মো. নুর কবির পুনরায় আক্রমণ করে তাদের মারধর করে। ওই সময় তাদের চিৎকার শুনে এলাকাবাসী এগিয়ে আসলে আসামিরা পালিয়ে যায়।

পরে ছাত্রীকে লামা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্তি করান। হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে ওই ছাত্রীকে বাড়ি নিয়ে যাওয়া হয়।

স্কুল ছাত্রীর মা এজাহারে আরও উল্লেখ করেন, আমার মেয়ে সপ্তম শ্রেণিতে পড়ে। ঘটনার কিছু দিন ধরে উল্লেখিত আসামিরা ওই ছাত্রীকে বিদ্যালয়ে আসা যাওয়ার সময় উত্ত্যক্ত করে আসছিল। এ বিষয়টি ছাত্রী তার মাকে জানান। পরে ছাত্রীর মা মানসম্মানের কথা বিবেচনা করে উল্লেখিত আসামিদের কাছে গিয়ে বিনয়ের সহিত বুঝিয়ে উত্ত্যক্ত না করার জন্য অনুরোধ করেন।

এ ব্যাপারে লামা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শিবেন বিশ্বাস বলেন, স্কুলছাত্রীর মা বাদী হয়ে শুক্রবার দুপুরে দুইজনকে আসামি করে থানায় একটি অভিযোগ দিয়েছেন। এ ঘটনায় তদন্ত করতে ঘটনাস্থলে অফিসার পাঠিয়েছি। ঘটনার সত্যতা পেলে মামলা নেওয়া হবে।

চিৎকার শুনে সপ্তম শ্রেণির ছাত্রীকে উদ্ধার করলেন মা-স্বজনরা

 লামা (বান্দরবান) প্রতিনিধি 
২৫ জুন ২০২২, ০৭:৩৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বান্দরবানের লামায় সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রীকে জোরপূর্বক ধর্ষণ চেষ্টা চালায় দুই যুবক। পরে ছাত্রীর চিৎকার শুনে তার মা ও স্বজনরা গিয়ে তাকে উদ্ধার করেন।

লামা সদর ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের মঙ্গলবার (২১ জুন) সকাল ৮টায় এ ঘটনা ঘটে। চিকিৎসা শেষে ভিকটিমের মা বাদী হয়ে শুক্রবার (২৪ জুন) দুপুরে লামা থানায় দুইজনকে আসামি করে অভিযোগ দায়ের করেন।

আসামিরা হলেন- লামা সদর ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের আবু শামার ছেলে ফরিদুল আলম (৩২) ও একই এলাকার সৈয়দ আহমদের ছেলে মো. নুর কবির (৩২)।

থানায় এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার বাড়ির পেছনে ঘাসের একটি জায়গায় সকাল ৭টার সময় তাদের পালিত একটি ছাগল ঘাস খাওয়ার জন্য বেঁধে দিয়ে আসে। কিছুক্ষণ পর আকাশ অন্ধকার করে বৃষ্টি আসতে দেখে সকাল ৮টার দিকে ওই ছাত্রী ঘাসের মাঠ থেকে ছাগলটি আনতে যায়। সেখানে ওতপেতে থাকা ফরিদুল আলম ছাত্রীকে জাপটে ধরে পাশের কলাগাছের ঝোঁপে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়।

এ সময় ছাত্রীর চিৎকার শুনে তার মা ও স্বজনরা ঘটনাস্থলে গিয়ে ফরিদুল আলমের কাছ থেকে ছাত্রীকে উদ্ধার করেন। বাড়িতে আনার সময় ২নং আসামি মো. নুর কবির পুনরায় আক্রমণ করে তাদের মারধর করে। ওই সময় তাদের চিৎকার শুনে এলাকাবাসী এগিয়ে আসলে আসামিরা পালিয়ে যায়।

পরে ছাত্রীকে লামা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্তি করান। হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে ওই ছাত্রীকে বাড়ি নিয়ে যাওয়া হয়। 

স্কুল ছাত্রীর মা এজাহারে আরও উল্লেখ করেন, আমার মেয়ে সপ্তম শ্রেণিতে পড়ে। ঘটনার কিছু দিন ধরে উল্লেখিত আসামিরা ওই ছাত্রীকে বিদ্যালয়ে আসা যাওয়ার সময় উত্ত্যক্ত করে আসছিল। এ বিষয়টি ছাত্রী তার মাকে জানান। পরে ছাত্রীর মা মানসম্মানের কথা বিবেচনা করে উল্লেখিত আসামিদের কাছে গিয়ে বিনয়ের সহিত বুঝিয়ে উত্ত্যক্ত না করার জন্য অনুরোধ করেন।

এ ব্যাপারে লামা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শিবেন বিশ্বাস বলেন, স্কুলছাত্রীর মা বাদী হয়ে শুক্রবার দুপুরে দুইজনকে আসামি করে থানায় একটি অভিযোগ দিয়েছেন। এ ঘটনায় তদন্ত করতে ঘটনাস্থলে অফিসার পাঠিয়েছি। ঘটনার সত্যতা পেলে মামলা নেওয়া হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন