তথ্যপ্রযুক্তি আইনে কারাগারে সাংবাদিক
jugantor
তথ্যপ্রযুক্তি আইনে কারাগারে সাংবাদিক

  নাটোর প্রতিনিধি  

২৫ জুন ২০২২, ২০:২৯:২৮  |  অনলাইন সংস্করণ

নাটোরে তথ্যপ্রযুক্তি আইনের মামলায় বাংলাদেশ প্রতিদিন ও নিউজ টোয়েন্টিফোরের নাটোর জেলা প্রতিনিধি সাংবাদিক নাসিম উদ্দীন নাসিমকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। মামলার অপর আসামি জেলার গুরুদাসপুর উপজেলার সাংবাদিক নাজমুল হাসান নাহিদকেও আটকের জন্য গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

নাটোর থানা ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, নাটোর জেলা ও দায়রা জজ আদালত-২-এ বিচারকাজ চলা অবস্থায় আইনজীবীদের বসার আসনের পেছনে আদালতের একজন পিয়ন বসে ঘুমাচ্ছেন- এমন একটি ভিডিও নিজের আইডি থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে শেয়ার করেন সাংবাদিক নাসিম উদ্দীন নাসিম।

সেখানে তিনি লিখেন- ‘নাটোর জেলা ও দায়রা জজ আদালত-২ একজন পিয়ন বিচারিক কার্যক্রম চলাকালে বিচারকের উপস্থিতিতে এজলাসে ভাতঘুম দিচ্ছে।’ একজন ভুক্তভোগী ভিডিওটি ধারণ করেছে বলেও তিনি সেখানে উল্লেখ করেন। ভিডিওটি আদালতের নজরে আসলে আদালত বাংলাদেশ প্রতিদিন ও নিউজ চ্যানেল টোয়েন্টিফোরের জেলা প্রতিনিধি সাংবাদিক নাসিম উদ্দীন নাসিমের বিরুদ্ধে তথ্যপ্রযুক্তি আইনে মামলা দায়ের করা হয়। একই আদালতের পেশকার আল আমিন ভূঁইয়া বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।

মামলা দায়েরের পর শুক্রবার রাত ৩টার দিকে নাটোর থানা পুলিশ সাংবাদিক নাসিমকে তার নাটোর শহরের বাসা থেকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারের ১৫ ঘণ্টা পর শনিবার বিকাল ৫টার দিকে সাংবাদিক নাসিম উদ্দীন নাসিমকে নাটোর থানাহাজত থেকে নাটোরের সিনিয়র চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয়। এ সময় আদালতে সাংবাদিক আইনজীবী মুক্তার হোসেন তার জামিন আবেদন করেন। আদালতের বিচারক মো. মেহেদী হাসান সাংবাদিক নাসিমকে জামিন না দিয়ে কারাগারে পাঠিয়ে দেন।

একই ভিডিও শেয়ার করায় অপর অভিযুক্ত জেলার গুরুদাসপুর উপজেলার করতোয়া ও চলনবিল আইপি টিভির ব্যবস্থাপনা সম্পাদক সাংবাদিক নাজমুল হাসান নাহিদকে গ্রেফতারের জন্য এ সময় বিচারক গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।

সাংবাদিক নাসিম উদ্দীনের ছোটভাই মামুন খান জানান, তার ভাই অন্যের মাধ্যমে একটি ভিডিও পেয়ে শুক্রবার তা শেয়ার দিয়ে তিন ঘণ্টা পর তা ফেসবুক থেকে সরিয়েও নিয়েছিলেন। তারপরও আদালত তার বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে জেলহাজতে পাঠাল।

নাটোর থানার ওসি নাছিম আহমেদ যুগান্তরকে বলেছেন, বিষয়টি আদালতের ব্যাপার। আটকের নির্দেশনা পেয়ে রাত ৩টার দিকে তাকে বাসা থেকে আটকের বিষয়টি তিনি নিশ্চিত করেছেন।

তথ্যপ্রযুক্তি আইনে কারাগারে সাংবাদিক

 নাটোর প্রতিনিধি 
২৫ জুন ২০২২, ০৮:২৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

নাটোরে তথ্যপ্রযুক্তি আইনের মামলায় বাংলাদেশ প্রতিদিন ও নিউজ টোয়েন্টিফোরের নাটোর জেলা প্রতিনিধি সাংবাদিক নাসিম উদ্দীন নাসিমকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। মামলার অপর আসামি জেলার গুরুদাসপুর উপজেলার সাংবাদিক নাজমুল হাসান নাহিদকেও আটকের জন্য গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। 

নাটোর থানা ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, নাটোর জেলা ও দায়রা জজ আদালত-২-এ বিচারকাজ চলা অবস্থায় আইনজীবীদের বসার আসনের পেছনে আদালতের একজন পিয়ন বসে ঘুমাচ্ছেন- এমন একটি ভিডিও নিজের আইডি থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে শেয়ার করেন সাংবাদিক নাসিম উদ্দীন নাসিম। 

সেখানে তিনি লিখেন- ‘নাটোর জেলা ও দায়রা জজ আদালত-২ একজন পিয়ন বিচারিক কার্যক্রম চলাকালে বিচারকের উপস্থিতিতে এজলাসে ভাতঘুম দিচ্ছে।’ একজন ভুক্তভোগী ভিডিওটি ধারণ করেছে বলেও তিনি সেখানে উল্লেখ করেন। ভিডিওটি আদালতের নজরে আসলে আদালত বাংলাদেশ প্রতিদিন ও নিউজ চ্যানেল টোয়েন্টিফোরের জেলা প্রতিনিধি সাংবাদিক নাসিম উদ্দীন নাসিমের বিরুদ্ধে তথ্যপ্রযুক্তি আইনে মামলা দায়ের করা হয়। একই আদালতের পেশকার আল আমিন ভূঁইয়া বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। 

মামলা দায়েরের পর শুক্রবার রাত ৩টার দিকে নাটোর থানা পুলিশ সাংবাদিক নাসিমকে তার নাটোর শহরের বাসা থেকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারের ১৫ ঘণ্টা পর শনিবার বিকাল ৫টার দিকে সাংবাদিক নাসিম উদ্দীন নাসিমকে নাটোর থানাহাজত থেকে নাটোরের সিনিয়র চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয়। এ সময় আদালতে সাংবাদিক আইনজীবী মুক্তার হোসেন তার জামিন আবেদন করেন। আদালতের বিচারক মো. মেহেদী হাসান সাংবাদিক নাসিমকে জামিন না দিয়ে কারাগারে পাঠিয়ে দেন। 

একই ভিডিও শেয়ার করায় অপর অভিযুক্ত জেলার গুরুদাসপুর উপজেলার করতোয়া ও চলনবিল আইপি টিভির ব্যবস্থাপনা সম্পাদক সাংবাদিক নাজমুল হাসান নাহিদকে গ্রেফতারের জন্য এ সময় বিচারক গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। 

সাংবাদিক নাসিম উদ্দীনের ছোটভাই মামুন খান জানান, তার ভাই অন্যের মাধ্যমে একটি ভিডিও পেয়ে শুক্রবার তা শেয়ার দিয়ে তিন ঘণ্টা পর তা ফেসবুক থেকে সরিয়েও নিয়েছিলেন। তারপরও আদালত তার বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে জেলহাজতে পাঠাল। 

নাটোর থানার ওসি নাছিম আহমেদ যুগান্তরকে বলেছেন, বিষয়টি আদালতের ব্যাপার। আটকের নির্দেশনা পেয়ে রাত ৩টার দিকে তাকে বাসা থেকে আটকের বিষয়টি তিনি নিশ্চিত করেছেন। 
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন