স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের পর ভিডিও ইন্টারনেটে
jugantor
স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের পর ভিডিও ইন্টারনেটে

  নেত্রকোনা প্রতিনিধি  

২৮ জুন ২০২২, ০০:৫১:০১  |  অনলাইন সংস্করণ

প্রেমের ফাঁদ পেতে ধর্ষণের পর তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে পূর্বধলা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন এবং পর্নোগ্রাফি আইনে মামলা হয়েছে।

ভিকটিমের মা বাদী হয়ে অভিযুক্ত যুবক ও তার বাবার বিরুদ্ধে রোববার বিকালে পূর্বধলা থানায় মামলা করেন। সোমবার পর্যন্ত মামলার কোনো আসামিকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।

জানা গেছে, জেলার পূর্বধলা উপজেলার ধলামূলগাঁও ইউনিয়নের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রীর ওপর দৃষ্টি পড়ে রাজমিস্ত্রি দুলাল মিয়ার ছেলে ভাড়ায় মোটরসাইকেল চালক সুজল মিয়ার। ওই ছাত্রী স্কুলে যাওয়া আসার পথে সুজল তাকে প্রায়শই প্রেম নিবেদন করত। একপর্যায়ে তাকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে সম্প্রতি বেড়াতে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে দুর্গাপুরের কদমতলী এলাকার একটি হোটেলে নিয়ে ধর্ষণ করে।

পরবর্তীতে সুজল মিয়া তার মোবাইলে জোরপূর্বক ছাত্রীর বিবস্ত্র ভিডিও ধারণ করে তাকে ব্ল্যাকমেইলিং করতে শুরু করে। সুজল তার মোবাইলে ধারণকৃত ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে তাকে পুনরায় ধর্ষণের চেষ্টা করে। পরে ছাত্রী তার সঙ্গে সব ধরনের যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়।

এতে ক্ষিপ্ত হয়ে সুজল দুই দিন আগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভিডিওটি ছড়িয়ে দেয়। এ ঘটনার পর থেকেই স্কুলছাত্রীর পরিবার লোকলজ্জার ভয়ে বাড়ি থেকে বের হতে পারছে না।

ভিকটিমের বড়বোন বলেন, আমরা চার বোনের মধ্যে তিন বোনের আর্থিক সহায়তায় আদরের ছোট বোনকে লেখাপড়া করাচ্ছিলাম। এ ঘটনায় আমাদের মান-সম্মান আর কিছুই থাকল না।

ভিকটিমের বৃদ্ধ বাবা এ ঘটনার জন্য অভিযুক্ত যুবকের কঠোর শাস্তির দাবি জানান।

ধলামূলগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. রেজুয়ানুর রহমান রনি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে এ ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

পূর্বধলা থানার ওসি মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, স্কুলছাত্রী ধর্ষণের ঘটনায় মামলা হয়েছে। আসামিদের গ্রেফতারের জন্য চেষ্টা চালানো হচ্ছে। ওদের এলাকায় পাওয়া যাচ্ছে না।

স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের পর ভিডিও ইন্টারনেটে

 নেত্রকোনা প্রতিনিধি 
২৮ জুন ২০২২, ১২:৫১ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

প্রেমের ফাঁদ পেতে ধর্ষণের পর তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে পূর্বধলা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন এবং পর্নোগ্রাফি আইনে মামলা হয়েছে।

ভিকটিমের মা বাদী হয়ে অভিযুক্ত যুবক ও তার বাবার বিরুদ্ধে রোববার বিকালে পূর্বধলা থানায় মামলা করেন। সোমবার পর্যন্ত মামলার কোনো আসামিকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।

জানা গেছে, জেলার পূর্বধলা উপজেলার ধলামূলগাঁও ইউনিয়নের  অষ্টম শ্রেণির ছাত্রীর ওপর দৃষ্টি পড়ে রাজমিস্ত্রি দুলাল মিয়ার ছেলে ভাড়ায় মোটরসাইকেল চালক সুজল মিয়ার। ওই ছাত্রী স্কুলে যাওয়া আসার পথে সুজল তাকে প্রায়শই প্রেম নিবেদন করত। একপর্যায়ে তাকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে সম্প্রতি বেড়াতে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে দুর্গাপুরের কদমতলী এলাকার একটি হোটেলে নিয়ে ধর্ষণ করে।

পরবর্তীতে সুজল মিয়া তার মোবাইলে জোরপূর্বক ছাত্রীর বিবস্ত্র ভিডিও ধারণ করে তাকে ব্ল্যাকমেইলিং করতে শুরু করে। সুজল তার মোবাইলে ধারণকৃত ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে তাকে পুনরায় ধর্ষণের চেষ্টা করে। পরে ছাত্রী তার সঙ্গে সব ধরনের যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়।

এতে ক্ষিপ্ত হয়ে সুজল দুই দিন আগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভিডিওটি ছড়িয়ে দেয়। এ ঘটনার পর থেকেই স্কুলছাত্রীর পরিবার লোকলজ্জার ভয়ে বাড়ি থেকে বের হতে পারছে না।

ভিকটিমের বড়বোন বলেন, আমরা চার বোনের মধ্যে তিন বোনের আর্থিক সহায়তায় আদরের ছোট বোনকে লেখাপড়া করাচ্ছিলাম। এ ঘটনায় আমাদের মান-সম্মান আর কিছুই থাকল না।

ভিকটিমের বৃদ্ধ বাবা এ ঘটনার জন্য অভিযুক্ত যুবকের কঠোর শাস্তির দাবি জানান।

ধলামূলগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. রেজুয়ানুর রহমান রনি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে এ ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

পূর্বধলা থানার ওসি মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, স্কুলছাত্রী ধর্ষণের ঘটনায় মামলা হয়েছে। আসামিদের গ্রেফতারের জন্য চেষ্টা চালানো হচ্ছে। ওদের এলাকায় পাওয়া যাচ্ছে না।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন