উন্নয়ন কাজের টাকা ফেরৎ, প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে অবহেলার অভিযোগ
jugantor
উন্নয়ন কাজের টাকা ফেরৎ, প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে অবহেলার অভিযোগ

  খালিয়াজুরী (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি  

০২ জুলাই ২০২২, ১৯:৩৪:০৪  |  অনলাইন সংস্করণ

নেত্রকোনার খালিয়াজুরীতে প্রকৌশল অধিদপ্তরের অবহেলায় বার্ষিক উন্নয়ন প্রকল্প কাজের (এডিপি) টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরৎ যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

সরকারি কোষাগারে ৩৩ লাখ টাকা ফেরৎ যাওয়ায় উপজেলার অবকাঠামোগত উন্নয়ন কাজ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন উপজেলার ৬ টি ইউনিয়নের মানুষ।

স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও এলাকাবাসীর অভিযোগের জবাবে প্রকৌশল অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা সাম্প্রতিক বন্যার অজুহাত দিয়ে দায় সারছেন।

উপজেলা প্রকৌশল অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, মেন্দিপুর ইউনিয়নে তিন লাখ ৪৩ হাজার টাকা, চাকুয়া ইউনিয়নে তিন লাখ টাকা, খালিয়াজুরী সদর ইউনিয়নে তিন লাখ টাকা নগর ইউনিয়নে ছয় লাখ টাকা ও কৃষ্ণপুর ইউনিয়নে ১৬ লাখ ৯৫ হাজার টাকা কাজ যথাসময়ে সম্পন্ন করতে পারেননি।

উপজেলার গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে বছরের শুরুতেই বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) ফান্ডে এক কোটি ৪ লাখ টাকার কাজ বরাদ্দ হয়। উপজেলা পরিষদের সমন্বয় সভা থেকে উন্নয়নের স্বার্থে প্রত্যেক ইউপি চেয়ারম্যানকে প্রকল্প জমা দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

প্রায় চার মাস আগে প্রত্যেক ইউপি চেয়ারম্যান নিজ নিজ উন্নয়ন প্রকল্প উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয়ে জমা দেন এবং ১৪টি প্যাকেজের কাজ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ১০ ফেব্রুয়ারি দরপত্র আহ্বান করে।

এ ব্যাপারে খালিয়াজুরী সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান গোলাম আবু ইছহাক বলেন, উপজেলা পরিষদের পরিবেশ সুশৃঙ্খল নয়। পরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রত্যেক চেয়ারম্যান উন্নয়ন প্রকল্পগুলো যথা সময়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জমা দিয়েছেন।প্রকৌশল অধিদপ্তরের অবহেলার কারণেই এডিপি ফান্ডের টাকায় এলাকার উন্নয়ন কাজে ব্যবহৃত না হয়ে সরকারি কোষাগারে ফেরত দেয়া হয়েছে।এতে বেশী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে প্রত্যন্ত অঞ্চলের জনসাধারণ।

খালিয়াজুরী সদরের বীর মুক্তিযোদ্ধা অমলেন্দু দেব রায় বলেন, একই বরাদ্দের টাকা প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটি( পিআইসি) করতে পারলে ঠিকাদাররা কেন করতে পারল না? তারা কাজের অনুমতি পেলেও শুরুতে কাজ করবে না, পানি আসার জন্য অপেক্ষা করবে। পরে শেষ সময়ে যেনতেনভাবে অর্থ খরচ করা হয়। তারা জানেন জুন ফাইনালে তো বিল হবেই, এই হলো অবস্থা।

খালিয়াজুরী উপজেলা প্রকৌশলী মো. মমিনুল ইসলাম বলেন, এডিপি প্রকল্প বাস্তবায়নে ‘আমাদের কোন গাফিলতি ছিল না।কাজ বাস্তবায়নের জন্য যথেষ্ট চেষ্টা করা হয়েছে কিন্তু বন্যার কারণে শতভাগ কাজ বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি। তাই বাস্তবায়নের সময় অতিক্রম হওয়ায় ৩২ লাখ ৩৮ হাজার টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দেয়া হয়েছে।

উপজেলা চেয়ারম্যান মো. জব্বার বলেন, উপজেলা পরিষদের আন্তরিকতা কোন অভাব নেই। উপজেলা প্রকৌশলী যথা সময়ে আমার কাছে ফাইল পাঠাননি।

উন্নয়ন কাজের টাকা ফেরৎ, প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে অবহেলার অভিযোগ

 খালিয়াজুরী (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি 
০২ জুলাই ২০২২, ০৭:৩৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

নেত্রকোনার খালিয়াজুরীতে প্রকৌশল অধিদপ্তরের অবহেলায় বার্ষিক  উন্নয়ন প্রকল্প কাজের (এডিপি) টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরৎ যাওয়ার  অভিযোগ উঠেছে। 

সরকারি কোষাগারে  ৩৩ লাখ টাকা ফেরৎ যাওয়ায়  উপজেলার অবকাঠামোগত উন্নয়ন কাজ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন উপজেলার ৬ টি  ইউনিয়নের মানুষ।

স্থানীয় জনপ্রতিনিধি  ও এলাকাবাসীর অভিযোগের জবাবে  প্রকৌশল অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা সাম্প্রতিক বন্যার অজুহাত দিয়ে দায় সারছেন।

উপজেলা প্রকৌশল অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, মেন্দিপুর ইউনিয়নে তিন লাখ ৪৩ হাজার টাকা, চাকুয়া  ইউনিয়নে তিন লাখ টাকা, খালিয়াজুরী সদর ইউনিয়নে তিন লাখ টাকা নগর ইউনিয়নে ছয় লাখ টাকা ও কৃষ্ণপুর ইউনিয়নে ১৬ লাখ ৯৫ হাজার টাকা কাজ যথাসময়ে সম্পন্ন করতে পারেননি।

উপজেলার গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে বছরের শুরুতেই বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) ফান্ডে এক কোটি ৪ লাখ টাকার কাজ বরাদ্দ হয়। উপজেলা পরিষদের সমন্বয় সভা থেকে উন্নয়নের স্বার্থে প্রত্যেক ইউপি চেয়ারম্যানকে প্রকল্প জমা দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। 

প্রায় চার মাস আগে প্রত্যেক ইউপি চেয়ারম্যান নিজ নিজ উন্নয়ন প্রকল্প উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয়ে জমা দেন এবং ১৪টি প্যাকেজের কাজ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ১০ ফেব্রুয়ারি দরপত্র আহ্বান করে। 

এ ব্যাপারে খালিয়াজুরী সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান গোলাম আবু ইছহাক বলেন, উপজেলা পরিষদের পরিবেশ সুশৃঙ্খল নয়। পরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রত্যেক চেয়ারম্যান উন্নয়ন প্রকল্পগুলো যথা সময়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জমা দিয়েছেন।প্রকৌশল অধিদপ্তরের  অবহেলার কারণেই এডিপি ফান্ডের টাকায় এলাকার উন্নয়ন কাজে ব্যবহৃত না হয়ে সরকারি কোষাগারে ফেরত দেয়া হয়েছে।এতে বেশী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে প্রত্যন্ত অঞ্চলের জনসাধারণ।

খালিয়াজুরী সদরের বীর মুক্তিযোদ্ধা অমলেন্দু দেব রায় বলেন, একই বরাদ্দের টাকা প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটি( পিআইসি) করতে পারলে ঠিকাদাররা কেন করতে পারল না? তারা কাজের অনুমতি পেলেও শুরুতে কাজ করবে না, পানি আসার জন্য অপেক্ষা করবে। পরে শেষ সময়ে যেনতেনভাবে অর্থ খরচ করা হয়। তারা জানেন জুন ফাইনালে তো বিল হবেই, এই হলো অবস্থা।

খালিয়াজুরী উপজেলা প্রকৌশলী মো. মমিনুল ইসলাম বলেন, এডিপি প্রকল্প বাস্তবায়নে ‘আমাদের কোন গাফিলতি ছিল না।কাজ বাস্তবায়নের জন্য যথেষ্ট চেষ্টা করা হয়েছে কিন্তু বন্যার কারণে শতভাগ কাজ বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি। তাই বাস্তবায়নের সময় অতিক্রম হওয়ায় ৩২ লাখ ৩৮ হাজার টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দেয়া হয়েছে। 

উপজেলা চেয়ারম্যান মো. জব্বার বলেন, উপজেলা পরিষদের আন্তরিকতা কোন অভাব নেই। উপজেলা প্রকৌশলী যথা সময়ে আমার কাছে ফাইল পাঠাননি।
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন