মেয়র সাক্কুর ‘বিচার করতে’ মন্ত্রীর হেল্প চাইলেন এমপি বাহার
jugantor
মেয়র সাক্কুর ‘বিচার করতে’ মন্ত্রীর হেল্প চাইলেন এমপি বাহার

  কুমিল্লা ব্যুরো  

২৪ জুলাই ২০২২, ২২:৩২:০১  |  অনলাইন সংস্করণ

কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের সদ্য সাবেক মেয়র মনিরুল হক সাক্কু

কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের সদ্য সাবেক মেয়র মনিরুল হক সাক্কুর অনিয়ম দুর্নীতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রীর সহযোগিতা চাইলেন কুমিল্লা-৬ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহার।

রোববার দুপুরে কুমিল্লার আদালত প্রাঙ্গণে জেলা আইনজীবী সমিতির ১১ তলা ভবন নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এ সহযোগিতা চান তিনি।

এ সময় প্রধান অতিথি হিসেবে মঞ্চে বসা ছিলেন স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী তাজুল ইসলাম।

এমপি বাহার বলেন, সাক্কু একজন দুর্নীতিবাজ। ১০ বছর সে কুমিল্লা সিটি করপোরেশনকে দুর্নীতির আখড়া বানিয়েছিল। একটি প্ল্যান পাশ করতে ৮০ লাখ টাকা নিয়েছে সাক্কু। প্রতিটি বিল্ডিংয়ের প্ল্যান পাশ করাতে তাকে অর্থ দিতে হয়েছে। সিটি করপোরেশনের বরাদ্দের টাকা লুটপাট করেছে। আমি মন্ত্রণালয় থেকে সিটি করপোরেশনের জন্য বরাদ্দ এনে দিয়েছি, সাক্কু সেসব বরাদ্দ লুটপাট করেছে।

তিনি আরও বলেন, কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের ড্রেন পরিষ্কারের নাম করে পাঁচ থেকে ছয় কোটি টাকা লুটপাট করা হয়েছে। আমরা সাক্কুর দুর্নীতির সেসব শ্বেতপত্র প্রকাশ করব। তাকে বিচারের মুখোমুখি দাঁড় করাব। মাননীয় মন্ত্রী, আপনি আমাদের সহযোগিতা করবেন বলে বিশ্বাস করি।

গত ১৫ জুন কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচনের প্রসঙ্গে সংসদ সদস্য বলেন, প্রশাসনের কিছু দুর্নীতিবাজ অফিসার মস্তানের ভূমিকা পালন করেছিল। কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। তবু আমার দলীয় নেতাকর্মীদের পিটিয়ে পানিতে ফেলা হয়েছে। মামলা দিয়ে জেলে পাঠানো হয়েছে। কেন? ভোট তো ইভিএমে হয়েছে, কেন এমন করা হলো আমার নেতাকর্মীদের সঙ্গে? তাদের বুকে লাগানো নৌকার ব্যাজ খুলে নেওয়া হয়েছে। সেসব দুর্নীতিবাজ অফিসারের বিচার হওয়া উচিত।

অনুষ্ঠানে সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারপতি আতাবুল্লাহ খন্দকারের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা-৫ (বুড়িচং-ব্রাহ্মণপাড়া) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আবুল হাসেম খান, কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের মেয়র আরফানুল হক রিফাত, কুমিল্লা জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান, পুলিশ সুপার ফারুক আহমেদ প্রমুখ।

মেয়র সাক্কুর ‘বিচার করতে’ মন্ত্রীর হেল্প চাইলেন এমপি বাহার

 কুমিল্লা ব্যুরো 
২৪ জুলাই ২০২২, ১০:৩২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের সদ্য সাবেক মেয়র মনিরুল হক সাক্কু
কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র মনিরুল হক সাক্কু। ছবি:সংগৃহীত

কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের সদ্য সাবেক মেয়র মনিরুল হক সাক্কুর অনিয়ম দুর্নীতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রীর সহযোগিতা চাইলেন কুমিল্লা-৬ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহার।

রোববার দুপুরে কুমিল্লার আদালত প্রাঙ্গণে জেলা আইনজীবী সমিতির ১১ তলা ভবন নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এ সহযোগিতা চান তিনি। 

এ সময় প্রধান অতিথি হিসেবে মঞ্চে বসা ছিলেন স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী তাজুল ইসলাম।
 
এমপি বাহার বলেন, সাক্কু একজন দুর্নীতিবাজ। ১০ বছর সে কুমিল্লা সিটি করপোরেশনকে দুর্নীতির আখড়া বানিয়েছিল। একটি প্ল্যান পাশ করতে ৮০ লাখ টাকা নিয়েছে সাক্কু। প্রতিটি বিল্ডিংয়ের প্ল্যান পাশ করাতে তাকে অর্থ দিতে হয়েছে। সিটি করপোরেশনের বরাদ্দের টাকা লুটপাট করেছে। আমি মন্ত্রণালয় থেকে সিটি করপোরেশনের জন্য বরাদ্দ এনে দিয়েছি, সাক্কু সেসব বরাদ্দ লুটপাট করেছে।

তিনি আরও বলেন, কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের ড্রেন পরিষ্কারের নাম করে পাঁচ থেকে ছয় কোটি টাকা লুটপাট করা হয়েছে। আমরা সাক্কুর দুর্নীতির সেসব শ্বেতপত্র প্রকাশ করব। তাকে বিচারের মুখোমুখি দাঁড় করাব। মাননীয় মন্ত্রী, আপনি আমাদের সহযোগিতা করবেন বলে বিশ্বাস করি।

গত ১৫ জুন কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচনের প্রসঙ্গে সংসদ সদস্য বলেন, প্রশাসনের কিছু দুর্নীতিবাজ অফিসার মস্তানের ভূমিকা পালন করেছিল। কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। তবু আমার দলীয় নেতাকর্মীদের পিটিয়ে পানিতে ফেলা হয়েছে। মামলা দিয়ে জেলে পাঠানো হয়েছে। কেন? ভোট তো ইভিএমে হয়েছে, কেন এমন করা হলো আমার নেতাকর্মীদের সঙ্গে? তাদের বুকে লাগানো নৌকার ব্যাজ খুলে নেওয়া হয়েছে। সেসব দুর্নীতিবাজ অফিসারের বিচার হওয়া উচিত।

অনুষ্ঠানে সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারপতি আতাবুল্লাহ খন্দকারের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা-৫ (বুড়িচং-ব্রাহ্মণপাড়া) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আবুল হাসেম খান, কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের মেয়র আরফানুল হক রিফাত, কুমিল্লা জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান, পুলিশ সুপার ফারুক আহমেদ প্রমুখ।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন