প্রবাসী স্বামী ফেরার ৫ দিন পর মিলল গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ, পরিবারের দাবি হত্যা
jugantor
প্রবাসী স্বামী ফেরার ৫ দিন পর মিলল গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ, পরিবারের দাবি হত্যা

  রাঙ্গুনিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি  

০৫ আগস্ট ২০২২, ২১:২২:৫৭  |  অনলাইন সংস্করণ

চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় এক গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার সকালে উপজেলার পোমরা ইউনিয়নের আছুয়াপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত গৃহবধূ কুসুম আক্তার (২০) ওই এলাকার প্রবাসী মো. মিজানের স্ত্রী।

নিহতের পরিবারের দাবি- তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। তবে শ্বশুরবাড়ির লোকজন বলছে, কুসুম ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যা করেছে। তবে এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা তা ময়নাতদন্ত শেষে জানা যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

নিহতের পরিবার ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কুসুম পোমরা ইউনিয়নের হাজারীখীল এলাকার মতিউর রহমানের চার মেয়ে ও এক ছেলের মধ্যে সবার ছোট। তিন বছর আগে তার বিয়ে হয়েছিল। বিয়ের কয়েক মাস পর স্বামী বিদেশ চলে যাওয়ার পর গত মাসের ৩০ জুলাই দেশে আসেন। এর ৫ দিন পর কুসুম আক্তারের রহস্যজনক মৃত্যু হয়।

নিহত গৃহবধূর বড়বোন রুজি আক্তার অভিযোগ করে বলেন, আমার বোনের স্বামীর সঙ্গে অন্য কারো অবৈধ সম্পর্ক রয়েছে। সেটি আমার বোন জানতে পেরে জিজ্ঞেস করলে স্বামী ও শাশুড়ির সঙ্গে ঝগড়া হয়। তারা দুজন মিলে আমার বোনকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে লাশ ঝুলিয়ে রেখে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দিতে চাচ্ছে। বিয়ের পর থেকে আমার বোনকে শান্তি দেয়নি তারা।

নিহত কুসুমের স্বামী মো. মিজান বলেন, সকালে নাস্তা করে ঘর থেকে বের হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই শুনি কুসুম নিজ কক্ষের দরজা বন্ধ করে ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যা করেছে। আমি দ্রুত ঘরে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। আমার সঙ্গে তার কোনো সমস্যা ছিল না। তুচ্ছ বিষয়ে সামান্য কথা কাটাকাটি হয়েছিল। তবে সে কেন আত্মহত্যা করেছে বুঝতে পারছি না।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক তানজিনা তাবাসসুম বলেন, বেলা সোয়া ১১টার দিকে কুসুম আক্তারকে হাসপাতালে আনা হয়েছিল। হাসপাতালে আনার আগেই তিনি মারা যান।

রাঙ্গুনিয়া থানার ওসি মো. মাহবুব মিলকী বলেন, লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলেই মৃত্যুর কারণ জানা যাবে। তবে থানায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।

প্রবাসী স্বামী ফেরার ৫ দিন পর মিলল গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ, পরিবারের দাবি হত্যা

 রাঙ্গুনিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি 
০৫ আগস্ট ২০২২, ০৯:২২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় এক গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার সকালে উপজেলার পোমরা ইউনিয়নের আছুয়াপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। 

নিহত গৃহবধূ কুসুম আক্তার (২০) ওই এলাকার প্রবাসী মো. মিজানের স্ত্রী।

নিহতের পরিবারের দাবি- তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। তবে শ্বশুরবাড়ির লোকজন বলছে, কুসুম ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যা করেছে। তবে এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা তা ময়নাতদন্ত শেষে জানা যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

নিহতের পরিবার ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কুসুম পোমরা ইউনিয়নের হাজারীখীল এলাকার মতিউর রহমানের চার মেয়ে ও এক ছেলের মধ্যে সবার ছোট। তিন বছর আগে তার বিয়ে হয়েছিল। বিয়ের কয়েক মাস পর স্বামী বিদেশ চলে যাওয়ার পর গত মাসের ৩০ জুলাই দেশে আসেন। এর ৫ দিন পর কুসুম আক্তারের রহস্যজনক মৃত্যু হয়।

নিহত গৃহবধূর বড়বোন রুজি আক্তার অভিযোগ করে বলেন, আমার বোনের স্বামীর সঙ্গে অন্য কারো অবৈধ সম্পর্ক রয়েছে। সেটি আমার বোন জানতে পেরে জিজ্ঞেস করলে স্বামী ও শাশুড়ির সঙ্গে ঝগড়া হয়। তারা দুজন মিলে আমার বোনকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে লাশ ঝুলিয়ে রেখে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দিতে চাচ্ছে। বিয়ের পর থেকে আমার বোনকে শান্তি দেয়নি তারা। 

নিহত কুসুমের স্বামী মো. মিজান বলেন, সকালে নাস্তা করে ঘর থেকে বের হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই শুনি কুসুম নিজ কক্ষের দরজা বন্ধ করে ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যা করেছে। আমি দ্রুত ঘরে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। আমার সঙ্গে তার কোনো সমস্যা ছিল না। তুচ্ছ বিষয়ে সামান্য কথা কাটাকাটি হয়েছিল। তবে সে কেন আত্মহত্যা করেছে বুঝতে পারছি না।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক তানজিনা তাবাসসুম বলেন, বেলা সোয়া ১১টার দিকে কুসুম আক্তারকে হাসপাতালে আনা হয়েছিল। হাসপাতালে আনার আগেই তিনি মারা যান।

রাঙ্গুনিয়া থানার ওসি মো. মাহবুব মিলকী বলেন, লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলেই মৃত্যুর কারণ জানা যাবে। তবে থানায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। 
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন