ছাত্রদল নেতার ওপর হামলা, বাড়িঘর ভাঙচুর-লুটপাট
jugantor
ছাত্রদল নেতার ওপর হামলা, বাড়িঘর ভাঙচুর-লুটপাট

  সোনারগাঁ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি  

০৬ আগস্ট ২০২২, ২১:০৭:৪৪  |  অনলাইন সংস্করণ

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ থানা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ রানা বাবু ও তার মায়ের ওপর সন্ত্রাসী হামলার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার সকালে পশ্চিম হাবিবপুর গ্রামে তার বাড়িতে হামলা চালিয়ে লুটপাট ও ভাঙচুর করা হয়। এ সময় মাসুদ রানা বাবু ও তার মাকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে আহত করে হামলাকারীরা।

আহতদের সোনারগাঁ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় মাসুদ রানার বড় ভাই সানাউল্লাহ রনি বাদী হয়ে সোনারগাঁ থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।

সোনারগাঁ থানায় দায়ের করা অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার কোরবানপূর গ্রামের মাদক ব্যবসায়ী মো. রাসেল মিয়ার সঙ্গে পশ্চিম হাবিবপুর গ্রামের বাবুল মিয়ার ছেলে সোনারগাঁও থানা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক বাবুর পূর্বশত্রুতার জের ধরে দ্বন্দ্ব চলে আসছিল। এ দ্বন্দ্বের জের ধরে শনিবার সকালে রাসেলের নেতৃত্বে কমল হক, তাহের আলী, ইব্রাহিম, জাহিদ, সুধির, ইমরান, মাহফুজ, টিপু, রানা, লুৎফর, সজিব, শরীফসহ অজ্ঞাত ৪-৫ জন দেশীয় অস্ত্র চাকু, ছোরা, লোহার রড, রামদা, লাঠিসোটা নিয়ে বাবুর বাড়িতে অতর্কিত হামলা চালায়।

এ সময় হামলাকারীরা ওই বাড়ির ভেতরের দুটি দরজা-জানালা ভাঙচুর করে বিভিন্ন আসবাবপত্র তছনছ করে মালামাল লুটপাট করে নিয়ে যায়। এতে বাধা দেওয়ায় মাসুদ রানা বাবু ও তার মা সানোয়ারা বেগমকে হামলাকারীরা পিটিয়ে ও কুপিয়ে আহত করে।

আহত মাসুদ রানা বাবু জানান, রাসেল একজন র‌্যাব ও পুলিশের তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসায়ী। তার শ্যালক সন্ত্রাসী গিট্টু হৃদয় র‌্যাবের ক্রসফায়ারে নিহত হয়। গিট্টু হৃদয় মারা যাওয়ার পর কিছুদিন গা-ঢাকা দিলেও বর্তমানে সে এলাকায় প্রকাশ্যে মাদক ব্যবসা ও সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। আমি মাদকের বিরুদ্ধে কথা বলার কারণে সে আমার পরিবারকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে বাড়িঘরে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়।

তবে অভিযুক্ত রাসেল বলেন, এ ঘটনার সঙ্গে আমি জড়িত নই। অন্য কেউ এ ঘটনা ঘটাতে পারে।

সোনারগাঁ থানার ওসি মোহাম্মদ হাফিজুর রহমান বলেন, হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় থানায় একটি অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে। অভিযোগটি তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ছাত্রদল নেতার ওপর হামলা, বাড়িঘর ভাঙচুর-লুটপাট

 সোনারগাঁ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি 
০৬ আগস্ট ২০২২, ০৯:০৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ থানা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ রানা বাবু ও তার মায়ের ওপর সন্ত্রাসী হামলার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার সকালে পশ্চিম হাবিবপুর গ্রামে তার বাড়িতে হামলা চালিয়ে লুটপাট ও ভাঙচুর করা হয়। এ সময় মাসুদ রানা বাবু ও তার মাকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে আহত করে হামলাকারীরা। 

আহতদের সোনারগাঁ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় মাসুদ রানার বড় ভাই সানাউল্লাহ রনি বাদী হয়ে সোনারগাঁ থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। 

সোনারগাঁ থানায় দায়ের করা অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার কোরবানপূর গ্রামের মাদক ব্যবসায়ী মো. রাসেল মিয়ার সঙ্গে পশ্চিম হাবিবপুর গ্রামের বাবুল মিয়ার ছেলে সোনারগাঁও থানা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক বাবুর পূর্বশত্রুতার জের ধরে দ্বন্দ্ব চলে আসছিল। এ দ্বন্দ্বের জের ধরে শনিবার সকালে রাসেলের নেতৃত্বে কমল হক, তাহের আলী,  ইব্রাহিম, জাহিদ, সুধির, ইমরান, মাহফুজ, টিপু, রানা, লুৎফর, সজিব, শরীফসহ অজ্ঞাত ৪-৫ জন দেশীয় অস্ত্র চাকু, ছোরা, লোহার রড, রামদা, লাঠিসোটা নিয়ে বাবুর বাড়িতে অতর্কিত হামলা চালায়। 

এ সময় হামলাকারীরা ওই বাড়ির ভেতরের দুটি দরজা-জানালা ভাঙচুর করে বিভিন্ন আসবাবপত্র তছনছ করে মালামাল লুটপাট করে নিয়ে যায়। এতে বাধা দেওয়ায় মাসুদ রানা বাবু ও তার মা সানোয়ারা বেগমকে হামলাকারীরা পিটিয়ে ও কুপিয়ে আহত করে। 

আহত মাসুদ রানা বাবু জানান, রাসেল একজন র‌্যাব ও পুলিশের তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসায়ী। তার শ্যালক সন্ত্রাসী গিট্টু হৃদয় র‌্যাবের ক্রসফায়ারে নিহত হয়। গিট্টু হৃদয় মারা যাওয়ার পর কিছুদিন গা-ঢাকা দিলেও বর্তমানে সে এলাকায় প্রকাশ্যে মাদক ব্যবসা ও সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। আমি মাদকের বিরুদ্ধে কথা বলার কারণে সে আমার পরিবারকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে বাড়িঘরে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়। 
 
তবে অভিযুক্ত রাসেল বলেন, এ ঘটনার সঙ্গে আমি জড়িত নই। অন্য কেউ এ ঘটনা ঘটাতে পারে।   

সোনারগাঁ থানার ওসি মোহাম্মদ হাফিজুর রহমান বলেন, হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় থানায় একটি অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে। অভিযোগটি তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন