গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার, পরিবারের দাবি হত্যা
jugantor
গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার, পরিবারের দাবি হত্যা

  মুরাদনগর (কুমিল্লা) প্রতিনিধি  

০৬ আগস্ট ২০২২, ২১:১৭:১৫  |  অনলাইন সংস্করণ

কুমিল্লার মুরাদনগরে ফাতেমা আক্তার বৃষ্টি (২০) নামের এক গৃহবধূর গলায় ফাঁস দেওয়া ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার বিকালে উপজেলার চাপিতলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

এদিকে নিহতের পরিবারের দাবি শ্বশুরবাড়ির লোকজন হত্যা করে লাশ ঝুলিয়ে রেখে আত্মহত্যা করেছে বলে তা প্রচার করছে।

নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, উপজেলার চাপিতলা গ্রামের খাইরুল ইসলাম বাবুর সঙ্গে গত দেড় বছর আগে উপজেলার সদর ইউনিয়নের পশ্চিম সোনাউল্লাহ গ্রামের ফরিদ মিয়ার মেয়ে ফাতেমা আক্তার বৃষ্টির পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। বিয়ের কিছুদিন পর থেকে বিভিন্ন সময় বৃষ্টির শ্বশুরবাড়ির লোকজন যৌতুকের টাকার জন্য ও ছোটখাটো বিষয় নিয়ে বৃষ্টির ওপর নির্যাতন চালাত।

নিহতের বাবা ফরিদ মিয়া অভিযোগ করে বলেন, আমার মেয়েকে হত্যা করে গাছের মধ্যে ঝুলিয়ে রেখে শ্বশুরবাড়ির লোকজন অত্মহত্যা বলে চালিয়ে দিচ্ছে। বৃষ্টির শরীরে ও গলায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। আমার মেয়ে আত্মহত্যা করবে বলে বিশ্বাস হয় না। প্রায় সময়ই আমাদের ফোনে জানাত শ্বশুরবাড়ির লোকজন তার ওপর নির্যাতন চালাচ্ছে। বৃষ্টির শ্বশুরবাড়ির লোকজন আমার মেয়েকে মেরে ফেলেছে। আমরা এ বিষয়ে হত্যা মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছি।

বাঙ্গরা বাজার থানার ওসি কামরুজ্জামান তালুকদার বলেন, নিহতের লাশ উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (কুমেক) মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় বাঙ্গরা থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার, পরিবারের দাবি হত্যা

 মুরাদনগর (কুমিল্লা) প্রতিনিধি 
০৬ আগস্ট ২০২২, ০৯:১৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

কুমিল্লার মুরাদনগরে ফাতেমা আক্তার বৃষ্টি (২০) নামের এক গৃহবধূর গলায় ফাঁস দেওয়া ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার বিকালে উপজেলার চাপিতলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

এদিকে নিহতের পরিবারের দাবি শ্বশুরবাড়ির লোকজন হত্যা করে লাশ ঝুলিয়ে রেখে আত্মহত্যা করেছে বলে তা প্রচার করছে। 

নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, উপজেলার  চাপিতলা গ্রামের খাইরুল ইসলাম বাবুর সঙ্গে গত দেড় বছর আগে উপজেলার সদর ইউনিয়নের পশ্চিম সোনাউল্লাহ গ্রামের ফরিদ মিয়ার মেয়ে ফাতেমা আক্তার বৃষ্টির পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। বিয়ের কিছুদিন পর থেকে বিভিন্ন সময় বৃষ্টির শ্বশুরবাড়ির লোকজন যৌতুকের টাকার জন্য ও ছোটখাটো বিষয় নিয়ে বৃষ্টির ওপর  নির্যাতন চালাত। 

নিহতের বাবা ফরিদ মিয়া অভিযোগ করে বলেন, আমার মেয়েকে হত্যা করে গাছের মধ্যে ঝুলিয়ে রেখে শ্বশুরবাড়ির লোকজন অত্মহত্যা বলে চালিয়ে দিচ্ছে। বৃষ্টির শরীরে ও গলায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। আমার মেয়ে আত্মহত্যা করবে বলে বিশ্বাস হয় না। প্রায় সময়ই আমাদের ফোনে জানাত শ্বশুরবাড়ির লোকজন তার ওপর নির্যাতন চালাচ্ছে। বৃষ্টির শ্বশুরবাড়ির লোকজন আমার মেয়েকে মেরে ফেলেছে। আমরা এ বিষয়ে হত্যা মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছি। 

বাঙ্গরা বাজার থানার ওসি কামরুজ্জামান তালুকদার বলেন, নিহতের লাশ উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (কুমেক) মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় বাঙ্গরা থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন