ট্রেন-মাইক্রোবাস দুর্ঘটনা: আরও এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু
jugantor
ট্রেন-মাইক্রোবাস দুর্ঘটনা: আরও এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু

  হাটহাজারী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি  

০৭ আগস্ট ২০২২, ০১:৫৩:৩২  |  অনলাইন সংস্করণ

চট্টগ্রামের হাটহাজারী থেকে মিরসরাইয়ের খৈয়াছড়া ঝর্না দেখতে গিয়ে বড়তাকিয়া স্টেশন এলাকায় রেলক্রসিং পার হওয়ার সময় ট্রেনের ধাক্কায় মাইক্রোবাসের প্রাণে বেঁচে যাওয়া সাত জনের মধ্যে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাছমির হাসান (১৭) নামের আরও একজন মারা গেছেন। এ নিয়ে ওই দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩ জনে।

প্রায় আটদিন মৃত্যুর সঙ্গে যুদ্ধ করে অবশেষে শনিবার রাতে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছে তাছমির নামে ওই এসএসসি পরীক্ষার্থী।

বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন চিকনদণ্ডী ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান ও স্থানীয় ইউপি মেম্বার তোফায়েল আহাম্মদ। তিনি জানান, শনিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

নিহত তাছমির হাটহাজারী উপজেলার চিকনদণ্ডী ইউনিয়নের খন্দকিয়া গ্রামের যুগিরহাট এলাকার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সাবরেজিস্ট্রার বাড়ির মৃত মোহাম্মদ পারভেজের ছেলে। সে চলতি বছর উপজেলার শিকারপুর ইউনিয়নের কেএস নজু মিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের অধীনে এসএসসি পরীক্ষা দেয়ার কথা ছিল বলে জানিয়েছে উক্ত বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. শফিউল আলম।

এর আগে ৩০ জুলাই তাছমিরকে নিউরো সার্জারি বিভাগ থেকে আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়েছিল। দুর্ঘটনার পর থেকে তার অবস্থা আশঙ্কাজনক ছিল। তার মাথা ও ঘাড়ে আঘাত ছিল মারাত্বক ছিল বলে চমেক হাসপাতাল থেকে জানানো হয়েছিল বলে জানান তার চাচা মো. জুলফিকার।

তিনি জানান, প্রায় ৪ বছর আগে ২০১৮ সালে নিহত তাছমিরের বাবা মৃত্যুবরণ করেছে। কাশ্মীর তাদের দুই ভাইয়ের মধ্যে সবার বড় ছিল। তার বাবার মৃত্যুর পর থেকে হতদরিদ্র এই পরিবারকে আমরা বিভিন্ন রকমের সাহায্যে সহযোগিতা দিয়ে চালিয়ে নিয়ে আসছিলাম।

প্রসঙ্গত, গত ২৯ জুলাই দুপুরে চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ের খৈয়াছড়া ঝর্ণা দেখে ফেরার পথে বড়তাকিয়া স্টেশন এলাকায় রেলক্রসিং পার হওয়ার সময় মহানগর প্রভাতি ট্রেনের ধাক্কায় ১১ জন নিহত হয়। তারা হাটহাজারীর খন্দকিয়া গ্রামের যুগিরহাটের আর অ্যান্ড জে কোচিং সেন্টার থেকে খৈয়াছড়া ঝর্ণা দেখতে গিয়েছিল। এ ঘটনায় সাতজন আহত হন।

আহতদের মধ্যে মো. ইমন নামে একজন ঘটনার দুই/তিন দিন পর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে এসেছেন। তবে গত শুক্রবার আয়াত হোসেন ও শনিবার রাতে তাছমিরের মৃত্যু হলেও আরও আহত চারজন চমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

ট্রেন-মাইক্রোবাস দুর্ঘটনা: আরও এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু

 হাটহাজারী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি 
০৭ আগস্ট ২০২২, ০১:৫৩ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

চট্টগ্রামের হাটহাজারী থেকে মিরসরাইয়ের খৈয়াছড়া ঝর্না দেখতে গিয়ে বড়তাকিয়া স্টেশন এলাকায় রেলক্রসিং পার হওয়ার সময় ট্রেনের ধাক্কায় মাইক্রোবাসের প্রাণে বেঁচে যাওয়া সাত জনের মধ্যে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাছমির হাসান (১৭) নামের আরও একজন মারা গেছেন। এ নিয়ে ওই দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩ জনে।

প্রায় আটদিন মৃত্যুর সঙ্গে যুদ্ধ করে অবশেষে শনিবার রাতে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছে তাছমির নামে ওই এসএসসি পরীক্ষার্থী। 

বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন চিকনদণ্ডী ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান ও স্থানীয় ইউপি মেম্বার তোফায়েল আহাম্মদ। তিনি জানান, শনিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। 

নিহত তাছমির হাটহাজারী উপজেলার চিকনদণ্ডী ইউনিয়নের খন্দকিয়া গ্রামের যুগিরহাট এলাকার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সাবরেজিস্ট্রার বাড়ির মৃত মোহাম্মদ পারভেজের ছেলে। সে চলতি বছর উপজেলার শিকারপুর ইউনিয়নের কেএস নজু মিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের অধীনে এসএসসি পরীক্ষা দেয়ার কথা ছিল বলে জানিয়েছে উক্ত বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. শফিউল আলম।

এর আগে ৩০ জুলাই তাছমিরকে নিউরো সার্জারি বিভাগ থেকে আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়েছিল। দুর্ঘটনার পর থেকে তার অবস্থা আশঙ্কাজনক ছিল। তার মাথা ও ঘাড়ে আঘাত ছিল মারাত্বক ছিল বলে চমেক হাসপাতাল থেকে জানানো হয়েছিল বলে জানান তার চাচা মো. জুলফিকার। 

তিনি জানান, প্রায় ৪ বছর আগে ২০১৮ সালে নিহত তাছমিরের বাবা মৃত্যুবরণ করেছে। কাশ্মীর তাদের দুই ভাইয়ের মধ্যে সবার বড় ছিল। তার বাবার মৃত্যুর পর থেকে হতদরিদ্র এই পরিবারকে আমরা বিভিন্ন রকমের সাহায্যে সহযোগিতা দিয়ে চালিয়ে নিয়ে আসছিলাম। 

প্রসঙ্গত, গত ২৯ জুলাই দুপুরে চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ের খৈয়াছড়া ঝর্ণা দেখে ফেরার পথে বড়তাকিয়া স্টেশন এলাকায় রেলক্রসিং পার হওয়ার সময় মহানগর প্রভাতি ট্রেনের ধাক্কায় ১১ জন নিহত হয়। তারা হাটহাজারীর খন্দকিয়া গ্রামের যুগিরহাটের আর অ্যান্ড জে কোচিং সেন্টার থেকে খৈয়াছড়া ঝর্ণা দেখতে গিয়েছিল। এ ঘটনায় সাতজন আহত হন। 

আহতদের মধ্যে মো. ইমন নামে একজন ঘটনার দুই/তিন দিন পর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে এসেছেন। তবে গত শুক্রবার আয়াত হোসেন ও শনিবার রাতে তাছমিরের মৃত্যু হলেও আরও আহত চারজন চমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন