চলন্ত বাসে ডাকাতি-ধর্ষণ, গ্রেফতার ১০ জন গোয়েন্দা পুলিশের কাছে
jugantor
চলন্ত বাসে ডাকাতি-ধর্ষণ, গ্রেফতার ১০ জন গোয়েন্দা পুলিশের কাছে

  টাঙ্গাইল প্রতিনিধি  

০৯ আগস্ট ২০২২, ০০:৩১:২৩  |  অনলাইন সংস্করণ

কুষ্টিয়া থেকে ছেড়ে আসা ঈগল এক্সপ্রেস পরিবহণে ডাকাতি ও গণধর্ষণের ঘটনায় মূল পরিকল্পনাকারীসহ গ্রেফতার ১০ জনকে টাঙ্গাইল গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

টাঙ্গাইল র্যা ব-১২ এর তিন নম্বর কোম্পানি কমান্ডার মেজর মোহাম্মদ আনিসুজ্জামান জানান, সোমবার (৮ আগস্ট) রাত ৮টার দিকে রতনসহ গ্রেফতারকৃত ১০ জনকে ঢাকা থেকে টাঙ্গাইল আনা হয়। এরপর রাত সাড়ে ৮টার দিকে তাদের গোয়েন্দা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এর আগে রোববার (৭ আগস্ট) তাদের ঢাকা, গাজীপুর, টাঙ্গাইল ও সিরাজগঞ্জ থেকে গ্রেফতার করে র্যা ব-১২ ও ১৪।

র্যা ব জানায়, বাসের হেলপারির ছদ্মবেশে ২০১৮ সাল থেকে যাত্রীবাহী বাসসহ বিভিন্ন স্থানে ডাকাতি কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল মো. রতন হোসেন (২১)। তিনি এ চক্রের দলনেতা। তার অধীনে ১৩-১৫ জন্য সদস্যও রয়েছে। ডাকাতির ঘটনায় দুই দুই দফায় সে কারাভোগও করেছেন। দ্বিতীয় দফায় ৯ মাস কারাভোগের পর জামিনে বের হয়ে আসে এবং পুনরায় যাত্রীবাহী বাসে ডাকাতি সংঘটিত করে দলনেতা রতন হোসেন।

গ্রেফতার ডাকাত দলের বাকি সদস্যরা হচ্ছেন- মো. আলাউদ্দিন (২৪), মো. সোহাগ মণ্ডল (২০), খন্দকার মো. হাসমত আলী ওরফে দীপু (২৩), মো. বাবু হোসেন ওরফে জুলহাস (২১), মো. জীবন (২১), মো. আব্দুল মান্নান (২২), মো. নাঈম সরকার (১৯), রাসেল তালুকদার (৩২) ও আসলাম তালুকদার ওরফে রায়হান (১৮)।

এর আগে টাঙ্গাইলের গোয়েন্দা পুলিশ শহরের নতুন বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে রাজা মিয়া ও কালিয়াকৈর থেকে আব্দুল আউয়াল এবং নুরনবীকে গ্রেফতার করে। রাজা বর্তমানে রিমান্ডে রয়েছেন এবং আউয়াল ও নুরনবী স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেওয়ায় তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

চলন্ত বাসে ডাকাতি-ধর্ষণ, গ্রেফতার ১০ জন গোয়েন্দা পুলিশের কাছে

 টাঙ্গাইল প্রতিনিধি 
০৯ আগস্ট ২০২২, ১২:৩১ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

কুষ্টিয়া থেকে ছেড়ে আসা ঈগল এক্সপ্রেস পরিবহণে ডাকাতি ও গণধর্ষণের ঘটনায় মূল পরিকল্পনাকারীসহ গ্রেফতার ১০ জনকে টাঙ্গাইল গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

টাঙ্গাইল র্যা ব-১২ এর তিন নম্বর কোম্পানি কমান্ডার মেজর মোহাম্মদ আনিসুজ্জামান জানান, সোমবার (৮ আগস্ট) রাত ৮টার দিকে রতনসহ গ্রেফতারকৃত ১০ জনকে ঢাকা থেকে টাঙ্গাইল আনা হয়। এরপর রাত সাড়ে ৮টার দিকে তাদের গোয়েন্দা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এর আগে রোববার (৭ আগস্ট) তাদের ঢাকা, গাজীপুর, টাঙ্গাইল ও সিরাজগঞ্জ থেকে গ্রেফতার করে র্যা ব-১২ ও ১৪।

র্যা ব জানায়, বাসের হেলপারির ছদ্মবেশে ২০১৮ সাল থেকে যাত্রীবাহী বাসসহ বিভিন্ন স্থানে ডাকাতি কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল মো. রতন হোসেন (২১)। তিনি এ চক্রের দলনেতা। তার অধীনে ১৩-১৫ জন্য সদস্যও রয়েছে। ডাকাতির ঘটনায় দুই দুই দফায় সে কারাভোগও করেছেন। দ্বিতীয় দফায় ৯ মাস কারাভোগের পর জামিনে বের হয়ে আসে এবং পুনরায় যাত্রীবাহী বাসে ডাকাতি সংঘটিত করে দলনেতা রতন হোসেন।

গ্রেফতার ডাকাত দলের বাকি সদস্যরা হচ্ছেন- মো. আলাউদ্দিন (২৪), মো. সোহাগ মণ্ডল (২০), খন্দকার মো. হাসমত আলী ওরফে দীপু (২৩), মো. বাবু হোসেন ওরফে জুলহাস (২১), মো. জীবন (২১), মো. আব্দুল মান্নান (২২), মো. নাঈম সরকার (১৯), রাসেল তালুকদার (৩২) ও  আসলাম তালুকদার ওরফে রায়হান (১৮)।

এর আগে টাঙ্গাইলের গোয়েন্দা পুলিশ শহরের নতুন বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে রাজা মিয়া ও কালিয়াকৈর থেকে আব্দুল আউয়াল এবং নুরনবীকে গ্রেফতার করে। রাজা বর্তমানে রিমান্ডে রয়েছেন এবং আউয়াল ও নুরনবী স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেওয়ায় তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন