দেড় ঘণ্টার ব্যবধানে দুই ছাত্র-ছাত্রীর অপমৃত্যুর নেপথ্যে...
jugantor
দেড় ঘণ্টার ব্যবধানে দুই ছাত্র-ছাত্রীর অপমৃত্যুর নেপথ্যে...

  ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি  

০৯ আগস্ট ২০২২, ১৮:১৯:১৬  |  অনলাইন সংস্করণ

মাত্র দেড় ঘণ্টার ব্যবধানে কিশোর বয়সের দুই ছাত্র-ছাত্রীর অপমৃত্যুর হয়েছে। মর্মস্পর্শী এ ঘটনা ঘটেছে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার রাজাগাঁও ইউনিয়নের পাটিয়াডাঙ্গী ও বাজারামপুর গ্রামে।

মৃতরা হলো- কিশোর প্রতিপক্ষ রায় (১৭) ও রত্না রাণী (১৪)। একজন দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী। অপরজন অষ্টম শ্রেণিতে পড়তো। তাদের মৃত্যু নিয়ে এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

সোমবার সন্ধ্যায় ওই ইউনিয়নের পাটিয়াডাঙ্গী গ্রামের প্রতিপক্ষ রায়ের মরদেহ তার বাড়ি থেকে একটু অদূরে অবস্থিত লিচু গাছে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। এর দেড় ঘণ্টা পর পাশে রামপুর গ্রামের বিনয় সরকারের স্কুল পড়ুয়া মেয়ে থাকার ঘরে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে।

সংবাদ পেয়ে সেখান গিয়ে পুলিশ তাদের মরদেহ উদ্ধার করে। মঙ্গলবার ওই দুজনের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

রাজাগাঁও ইউপির চেয়ারম্যান খাদেমুল ইসলাম বলেন, প্রতিপক্ষ রায়ের মরদেহ লিচু বাগানের একটি গাছে ঝুলন্ত অবস্থায় ছিল। আর বাজারামপুর গ্রামের বিনয় সরকারের স্কুল পড়ুয়া মেয়ে থাকার ঘরে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করে।

স্থানীয়রা জানায়, প্রতিপক্ষ রায়ের ঝুলন্ত মরদেহ দেখে রত্না বাড়ি ফিরে নিজ ঘরের আড়ার সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করে। অনেক ধারণা করছেন, দুইজনের মধ্যে হয়তো প্রেমের সম্পর্ক ছিল। এটি সে মেনে নিতে পারেনি।

এ বিষয়ে রুহিয়া থানার ওসি সোহেল রানা বলেন, প্রাথমিক ধারনা করা হচ্ছে দুজনের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। তদন্ত শেষে প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে।

দেড় ঘণ্টার ব্যবধানে দুই ছাত্র-ছাত্রীর অপমৃত্যুর নেপথ্যে...

 ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি 
০৯ আগস্ট ২০২২, ০৬:১৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

মাত্র দেড় ঘণ্টার ব্যবধানে কিশোর বয়সের দুই ছাত্র-ছাত্রীর অপমৃত্যুর হয়েছে। মর্মস্পর্শী এ ঘটনা ঘটেছে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার রাজাগাঁও ইউনিয়নের পাটিয়াডাঙ্গী ও বাজারামপুর গ্রামে। 

মৃতরা হলো- কিশোর প্রতিপক্ষ রায় (১৭) ও রত্না রাণী (১৪)। একজন দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী। অপরজন অষ্টম শ্রেণিতে পড়তো। তাদের মৃত্যু নিয়ে এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

সোমবার সন্ধ্যায় ওই ইউনিয়নের পাটিয়াডাঙ্গী গ্রামের প্রতিপক্ষ রায়ের মরদেহ তার বাড়ি থেকে একটু অদূরে অবস্থিত লিচু গাছে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। এর দেড় ঘণ্টা পর পাশে রামপুর গ্রামের বিনয় সরকারের স্কুল পড়ুয়া মেয়ে থাকার ঘরে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে।

সংবাদ পেয়ে সেখান গিয়ে পুলিশ তাদের মরদেহ উদ্ধার করে। মঙ্গলবার ওই দুজনের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। 

রাজাগাঁও ইউপির চেয়ারম্যান খাদেমুল ইসলাম বলেন, প্রতিপক্ষ রায়ের মরদেহ লিচু বাগানের একটি গাছে ঝুলন্ত অবস্থায় ছিল। আর বাজারামপুর গ্রামের বিনয় সরকারের স্কুল পড়ুয়া মেয়ে থাকার ঘরে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করে।  

স্থানীয়রা জানায়, প্রতিপক্ষ রায়ের ঝুলন্ত মরদেহ দেখে রত্না বাড়ি ফিরে নিজ ঘরের আড়ার সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করে। অনেক ধারণা করছেন, দুইজনের মধ্যে হয়তো প্রেমের সম্পর্ক ছিল। এটি সে মেনে নিতে পারেনি।

এ বিষয়ে রুহিয়া থানার ওসি সোহেল রানা বলেন, প্রাথমিক ধারনা করা হচ্ছে দুজনের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। তদন্ত শেষে প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন