আত্মগোপনের পর সীমান্তে গ্রেফতার চেয়ারম্যান পুত্র
jugantor
আত্মগোপনের পর সীমান্তে গ্রেফতার চেয়ারম্যান পুত্র

  যুগান্তর প্রতিবেদন,তাহিরপুর  

১২ আগস্ট ২০২২, ০৫:৩০:০৩  |  অনলাইন সংস্করণ

চাঁদাবাজি ও অপহরণ মামলায় সুনামগঞ্জের তাহিরপুর সীমান্ত থেকে মোর্শেদ আলম নামে এক পলাতক আসামীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার দিবাগত সোয়া ৩টায় তাহিরপুরের লাউরগড় সীমান্তের সাহিদাবাদ থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতার মোর্শেদ উপজেলার বাদাঘাট ইউনিয়নের প্রয়াত ইউপি চেয়ারম্যান মোদেরগাঁও গ্রামের বাসিন্দা জালাল উদ্দিনের ছেলে।

তাকে গ্রেফতারের বিষয়টি যুগান্তরকে নিশ্চিত করেন সুনামগঞ্জ জেলা পুলিশের মিডিয়া সেল।

১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি পূরণ না করায় দুটি স্পীডবোড যোগে ১৪ থেকে ১৫ জনের সংঘবদ্ধ একটি গ্রুপ বুধবার রাত সাড়ে ১১টায় সুনামগঞ্জের তাহিরপুরের সংসার হাওরের জেটি থেকে অস্ত্র ঠেকিয়ে জিম্মি করে ব্যবসায়ীসহ তিন ব্যাক্তিকে অপহরণ করে নিয়ে এসে রাতভর শারীরিক নির্যাতন,প্যাডে,সাদা কাগজে স্বাক্ষর আদায় করে।

বিষয়টি জানাজানি হলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তৎপর হয়ে উঠায় অপহরণকারী গ্রপের সদস্যরা ব্যবসায়ীসহ তিন ব্যক্তিকে বৃহস্পতিবার ভোররাতে জিম্মিদশা থেকে ছেড়ে দেয়।

অপহরণের শিকার আহত ব্যবসায়ীসহ অপর দুইজন সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নেয়ার পর বৃহস্পতিবার রাতে ওই ঘটনায় মোর্শেদ আলম, তার অপর তিন সহোদরসহ সাত জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত নামা ৭ থেকে ৮ জনকে আসামী করে তাহিরপুর থানায় চাঁদাবাজি ও অপহরণ মামলা দায়ের করা হয়।

মামলার বাদী হলেন,সুনামগঞ্জ পৌর শহরের হাসন নগর আবাসিক এলাকার বাসিন্দা মৃত রাজা মিয়ার ছেলে অলিউর রহমান।

মামলা দায়েরের পরপরই সদ্য পদোন্নতিপ্রাপ্ত অতিরিক্ত ডিআইজি ও সুনামগঞ্জ পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমানের নির্দেশে পুলিশের কয়েকটি টিম আসামীদের গ্রেফতারে রাতভর সাড়াশী অভিযানে নামে।

পুলিশের নিজস্ব গোয়েন্দা সুত্রে প্রাপ্ত তথ্যের ভিক্তিত্বে তাহিরপুর থানার ওসি মো. আব্দুল লতিফ তরফদারের নেতৃত্বে বৃহস্পতিবার মধ্যরাত পরবর্তী সোয়া ৩টার দিকে উপজেলার লাউরগড় সীমান্তের সাহিদাবাদ থেকে মোর্শেদকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসে।

আত্মগোপনের পর সীমান্তে গ্রেফতার চেয়ারম্যান পুত্র

 যুগান্তর প্রতিবেদন,তাহিরপুর 
১২ আগস্ট ২০২২, ০৫:৩০ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

চাঁদাবাজি ও অপহরণ মামলায় সুনামগঞ্জের তাহিরপুর সীমান্ত থেকে মোর্শেদ আলম নামে এক পলাতক আসামীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার দিবাগত সোয়া ৩টায় তাহিরপুরের লাউরগড় সীমান্তের সাহিদাবাদ থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতার মোর্শেদ উপজেলার বাদাঘাট ইউনিয়নের প্রয়াত ইউপি চেয়ারম্যান মোদেরগাঁও গ্রামের বাসিন্দা জালাল উদ্দিনের ছেলে।

তাকে গ্রেফতারের বিষয়টি যুগান্তরকে নিশ্চিত করেন সুনামগঞ্জ জেলা পুলিশের মিডিয়া সেল।

১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি পূরণ না করায় দুটি স্পীডবোড যোগে ১৪ থেকে ১৫ জনের সংঘবদ্ধ একটি গ্রুপ বুধবার রাত সাড়ে ১১টায় সুনামগঞ্জের তাহিরপুরের সংসার হাওরের জেটি থেকে অস্ত্র ঠেকিয়ে জিম্মি করে ব্যবসায়ীসহ তিন ব্যাক্তিকে অপহরণ করে নিয়ে এসে রাতভর শারীরিক নির্যাতন,প্যাডে,সাদা কাগজে স্বাক্ষর আদায় করে। 

বিষয়টি জানাজানি হলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তৎপর হয়ে উঠায় অপহরণকারী গ্রপের সদস্যরা ব্যবসায়ীসহ তিন ব্যক্তিকে বৃহস্পতিবার ভোররাতে জিম্মিদশা থেকে ছেড়ে দেয়।

অপহরণের শিকার আহত ব্যবসায়ীসহ অপর দুইজন সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নেয়ার পর বৃহস্পতিবার রাতে ওই ঘটনায় মোর্শেদ আলম, তার অপর তিন সহোদরসহ সাত জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত নামা ৭ থেকে ৮ জনকে আসামী করে তাহিরপুর থানায় চাঁদাবাজি ও অপহরণ মামলা দায়ের করা হয়।  

মামলার বাদী হলেন,সুনামগঞ্জ পৌর শহরের হাসন নগর আবাসিক এলাকার বাসিন্দা মৃত রাজা মিয়ার ছেলে অলিউর রহমান।

মামলা দায়েরের পরপরই সদ্য পদোন্নতিপ্রাপ্ত অতিরিক্ত ডিআইজি ও সুনামগঞ্জ পুলিশ সুপার  মো. মিজানুর রহমানের নির্দেশে পুলিশের কয়েকটি টিম আসামীদের গ্রেফতারে রাতভর সাড়াশী অভিযানে নামে।

পুলিশের নিজস্ব গোয়েন্দা সুত্রে প্রাপ্ত তথ্যের ভিক্তিত্বে তাহিরপুর থানার ওসি মো. আব্দুল লতিফ তরফদারের নেতৃত্বে বৃহস্পতিবার মধ্যরাত পরবর্তী সোয়া ৩টার দিকে উপজেলার লাউরগড় সীমান্তের সাহিদাবাদ থেকে মোর্শেদকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসে। 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন