যে কারণে ৫৪ জনের নামে মামলা করলেন আইনজীবী হত্যার আসামি
jugantor
যে কারণে ৫৪ জনের নামে মামলা করলেন আইনজীবী হত্যার আসামি

  মদন (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি  

১২ আগস্ট ২০২২, ২২:৪০:১৯  |  অনলাইন সংস্করণ

নেত্রকোনার মদনে শিক্ষানবিশ আইনজীবী হত্যার জেরে ৫৪ জনের নামে ভাংচুর ও লুটপাটের মামলা দায়ের করেছেন হত্যা মামলার আসামি সামরুল হক চৌধুরী। বৃহস্পতিবার রাতে বাদী হয়ে মদন থানায় দ্রুতবিচার আইনে এ মামলাটি দায়ের করেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, মদন উপজেলার ছালাকান্দা গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য ফারুক মিয়া ও একই গ্রামের ইমদাদুল হক চৌধুরীর গ্রুপের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। এরই জেরে গত ৭ জুলাই উভয় পক্ষের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক হয়। দুপুরে শিক্ষানবিশ আইনজীবী হাফিজুল হকের লোকজনের সঙ্গে ফারুক মেম্বরের লোকজনের মধ্যে মারামারি শুরু হয়।

এমন সংবাদের পরিপ্রেক্ষিতে আইনজীবী হাফিজুল ছুটে গেলে অতর্কিত হামলা করে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে তাকে আঘাত করে। এতে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান। এ ঘটনায় ৪৮ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন নিহত হাফিজুলের বাবা ইমদাদুল হক।

মামলার পর থেকেই প্রতিপক্ষের লোকজন বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়। এ সুযোগে প্রতিপক্ষ ফারুক মিয়ার বাড়িসহ ৭৯টি গরু, প্রায় ৩ হাজার মণ ধান, ১শ মণ চাল, ৩০ ভরি স্বর্ণালংকার, নগদ টাকা, হাঁস-মুরগি, কৃষি যন্ত্রপাতি ও আসবাবপত্র ভাংচুর ও লুটপাট করে নিয়ে যায়। এছাড়াও অধিকাংশ ঘর-বাড়ি নিশ্চিহ্ন করা হয়েছে।

এ ঘটনায় সামারুল হক চৌধুরী বাদী হয়ে নিহত শিক্ষানবিশ আইনজীবী হাফিজুল হক চৌধুরীর বাবা ইমদাদুল হক চৌধুরীকে প্রধান আসামি করে লুঠপাট ও ভাংচুর মামলা দায়ের করেছেন।

ভাংচুর ও লুটপাটের মামলার বিষয়ে জানতে চাইলে মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ ফেরদৌস আলম জানান, ছালাকান্দায় হাফিজুল হক হত্যাকাণ্ডের পর ভাংচুর ও লুঠপাটের ঘটনায় দ্রুতবিচার আইনে মামলা হয়েছে। মামলা তদন্তাধীন রয়েছে এবং আসামি ধরার চেষ্টা চলছে।

যে কারণে ৫৪ জনের নামে মামলা করলেন আইনজীবী হত্যার আসামি

 মদন (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি 
১২ আগস্ট ২০২২, ১০:৪০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

নেত্রকোনার মদনে শিক্ষানবিশ আইনজীবী হত্যার জেরে ৫৪ জনের নামে ভাংচুর ও লুটপাটের মামলা দায়ের করেছেন হত্যা মামলার আসামি সামরুল হক চৌধুরী। বৃহস্পতিবার রাতে বাদী হয়ে মদন থানায় দ্রুতবিচার আইনে এ মামলাটি দায়ের করেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, মদন উপজেলার ছালাকান্দা গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য ফারুক মিয়া ও একই গ্রামের ইমদাদুল হক চৌধুরীর গ্রুপের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। এরই জেরে গত ৭ জুলাই উভয় পক্ষের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক হয়। দুপুরে শিক্ষানবিশ আইনজীবী হাফিজুল হকের লোকজনের সঙ্গে ফারুক মেম্বরের লোকজনের মধ্যে মারামারি শুরু হয়।

এমন সংবাদের পরিপ্রেক্ষিতে আইনজীবী হাফিজুল ছুটে গেলে অতর্কিত হামলা করে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে তাকে আঘাত করে। এতে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান। এ ঘটনায় ৪৮ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন নিহত হাফিজুলের বাবা ইমদাদুল হক।

মামলার পর থেকেই প্রতিপক্ষের লোকজন বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়। এ সুযোগে প্রতিপক্ষ ফারুক মিয়ার বাড়িসহ ৭৯টি গরু, প্রায় ৩ হাজার মণ ধান, ১শ মণ চাল, ৩০ ভরি স্বর্ণালংকার, নগদ টাকা, হাঁস-মুরগি, কৃষি যন্ত্রপাতি ও আসবাবপত্র ভাংচুর ও লুটপাট করে নিয়ে যায়। এছাড়াও অধিকাংশ ঘর-বাড়ি নিশ্চিহ্ন করা হয়েছে।

এ ঘটনায় সামারুল হক চৌধুরী বাদী হয়ে নিহত শিক্ষানবিশ আইনজীবী হাফিজুল হক চৌধুরীর বাবা ইমদাদুল হক চৌধুরীকে প্রধান আসামি করে লুঠপাট ও ভাংচুর মামলা দায়ের করেছেন।

ভাংচুর ও লুটপাটের মামলার বিষয়ে জানতে চাইলে মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ ফেরদৌস আলম জানান, ছালাকান্দায় হাফিজুল হক হত্যাকাণ্ডের পর ভাংচুর ও লুঠপাটের ঘটনায় দ্রুতবিচার আইনে মামলা হয়েছে। মামলা তদন্তাধীন রয়েছে এবং আসামি ধরার চেষ্টা চলছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন