সংবাদ প্রকাশের জেরে অপপ্রচার, প্রতিবাদে সংবাদ কর্মীদের মানববন্ধন
jugantor
সংবাদ প্রকাশের জেরে অপপ্রচার, প্রতিবাদে সংবাদ কর্মীদের মানববন্ধন

  যুগান্তর প্রতিবেদন, সাভার  

১২ আগস্ট ২০২২, ২৩:০২:১৫  |  অনলাইন সংস্করণ

মানববন্ধন

ঢাকার সাভারে ইউপি সদস্য গ্রেফতারের ঘটনায় বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের জের ধরে মেম্বারের অনুসারীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সাংবাদিকদের চিত্র ব্যঙ্গ করে অপপ্রচার শুরু করেছে।

এর প্রতিবাদে সাভার ও আশুলিয়ার সংবাদকর্মীরা মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন। শুক্রবার দুপুরে সাভার উপজেলা পরিষদের সামনে কর্মসূচিতে অংশ নেন অন্তত শতাধিক গণমাধ্যমকর্মী।

প্রতিবাদ কর্মসূচিতে মামলার বরাত দিয়ে বক্তারা বলেন, পাথালিয়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড সদস্য সোহাগের নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী একটি বসতবাড়িতে ঢুকে হামলা, মারধর, লুটপাট ও শ্লীলতাহানির ঘটনায় পুলিশ ইউপি সদস্যসহ ৮ জনকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠায়। আদালত সাতজনের জামিন মঞ্জুর করেন। আর ইউপি সদস্য সোহাগকে শ্রীঘরে পাঠান আদালত।

এ ঘটনায় বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হলে সন্ত্রাসী সোহাগের অনুসারীরা সাংবাদিকদের ছবি ব্যঙ্গ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার করে। এ ঘটনায় ফেসবুকের মাধ্যমে দুই সাংবাদিককে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে; যা তথ্য প্রযুক্তি আইন ও ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে অপরাধের শামিল। তাই এ ধরনের অপপ্রচারকারীদের আইনের আওতায় আনতে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ প্রতিদিনের সাংবাদিক নাজমুল হুদা বলেন, সংবাদ প্রকাশের পর ইউপি সদস্যের অপকর্মের বিষয়টি ব্যাপক চাঞ্চলের সৃষ্টি হয় সাভার ও আশুলিয়ায়। এরপর থেকে সন্ত্রাসী বাহিনী সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে। সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ও গণমাধ্যমের মতপ্রকাশের ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা। তাই এসব অপপ্রচারের উস্কানিদাতা ইউপি সদস্যের ভাই সামিউল আলম শামীমকে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আইনের আওতায় আনার আলটিমেটাম দেন সংবাদকর্মীরা।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে আহমেদ আবু জাফর বলেন, বর্তমানে দেশে কথায় কথায় সাংবাদিক নির্যাতন করা হয়। তারা এটি রুটিনে পরিণত করেছে। সাংবাদকর্মীরা সংবাদ প্রকাশ করলেই দলীয় নেতাকর্মী, দুর্নীতিবাজ, অপরাধী, দুর্বৃত্তদের গা জ্বলে। এখন তারা সাংবাদিকদের দমাতে নির্যাতন, হামলা, মিথ্যা মামলা ও লাঞ্ছনাসহ অপপ্রচারের মতো কৌশল বেছে নিয়েছেন। এরা সংবাদের জেরে সংবাদকর্মীদের হত্যা করতেও দ্বিধা করে না। দেশে সাংবাদিক সুরক্ষায় কোনো আইন নেই। রাষ্ট্রকে অবিলম্বে গণমাধ্যমের নিরাপত্তা ও সাংবাদিক সুরক্ষা আইন প্রণয়ন করতে হবে।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন- বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান আবু আহমেদ জাফর, ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য রফিকুল ইসলাম, বাংলাদেশ প্রতিদিন ও নিউজ ২৪ টিভির প্রতিবেদক নাজমুল হুদা, ভোরের পাতার তোফায়েল হোসেন তোফাসানি, সকালের সময়ের ইমাম হোসেন, আহমেদ জীবন, মানবকণ্ঠের সাদ্দাম হোসেন, এশিয়ান টিভির ওমর ফারুক, ডেইলি সানের মেহেদী হাসান মানিক, আলোকিত বাংলাদেশের জাহিন সিংহ, দৈনিক তৃতীয় মাত্রার সোহেল রানা, মোহনা টিভির জিয়াউদ্দিন জাহিদ, যায়যায়দিনের আরজু মীর, সময়ের আলোর দেওয়ান ইমন প্রমুখ।

সংবাদ প্রকাশের জেরে অপপ্রচার, প্রতিবাদে সংবাদ কর্মীদের মানববন্ধন

 যুগান্তর প্রতিবেদন, সাভার 
১২ আগস্ট ২০২২, ১১:০২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
মানববন্ধন
ছবি-যুগান্তর

ঢাকার সাভারে ইউপি সদস্য গ্রেফতারের ঘটনায় বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের জের ধরে মেম্বারের অনুসারীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সাংবাদিকদের চিত্র ব্যঙ্গ করে অপপ্রচার শুরু করেছে। 

এর প্রতিবাদে সাভার ও আশুলিয়ার সংবাদকর্মীরা মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন। শুক্রবার দুপুরে সাভার উপজেলা পরিষদের সামনে কর্মসূচিতে অংশ নেন অন্তত শতাধিক গণমাধ্যমকর্মী। 

প্রতিবাদ কর্মসূচিতে মামলার বরাত দিয়ে বক্তারা বলেন, পাথালিয়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড সদস্য সোহাগের নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী একটি বসতবাড়িতে ঢুকে হামলা, মারধর, লুটপাট ও শ্লীলতাহানির ঘটনায় পুলিশ ইউপি সদস্যসহ ৮ জনকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠায়। আদালত সাতজনের জামিন মঞ্জুর করেন। আর ইউপি সদস্য সোহাগকে শ্রীঘরে পাঠান আদালত। 

এ ঘটনায় বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হলে সন্ত্রাসী সোহাগের অনুসারীরা সাংবাদিকদের ছবি ব্যঙ্গ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার করে। এ ঘটনায় ফেসবুকের মাধ্যমে দুই সাংবাদিককে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে; যা তথ্য প্রযুক্তি আইন ও ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে অপরাধের শামিল। তাই এ ধরনের অপপ্রচারকারীদের আইনের আওতায় আনতে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হচ্ছে। 

বাংলাদেশ প্রতিদিনের সাংবাদিক নাজমুল হুদা বলেন, সংবাদ প্রকাশের পর ইউপি সদস্যের অপকর্মের বিষয়টি ব্যাপক চাঞ্চলের সৃষ্টি হয় সাভার ও আশুলিয়ায়। এরপর থেকে সন্ত্রাসী বাহিনী সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে। সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ও গণমাধ্যমের মতপ্রকাশের ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা। তাই এসব অপপ্রচারের উস্কানিদাতা ইউপি সদস্যের ভাই সামিউল আলম শামীমকে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আইনের আওতায় আনার আলটিমেটাম দেন সংবাদকর্মীরা। 

প্রধান অতিথির বক্তব্যে আহমেদ আবু জাফর বলেন, বর্তমানে দেশে কথায় কথায় সাংবাদিক নির্যাতন করা হয়। তারা এটি রুটিনে পরিণত করেছে। সাংবাদকর্মীরা সংবাদ প্রকাশ করলেই দলীয় নেতাকর্মী, দুর্নীতিবাজ, অপরাধী, দুর্বৃত্তদের গা জ্বলে। এখন তারা সাংবাদিকদের দমাতে নির্যাতন, হামলা, মিথ্যা মামলা ও লাঞ্ছনাসহ অপপ্রচারের মতো কৌশল বেছে নিয়েছেন। এরা সংবাদের জেরে সংবাদকর্মীদের হত্যা করতেও দ্বিধা করে না। দেশে সাংবাদিক সুরক্ষায় কোনো আইন নেই। রাষ্ট্রকে অবিলম্বে গণমাধ্যমের নিরাপত্তা ও সাংবাদিক সুরক্ষা আইন প্রণয়ন করতে হবে।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন- বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান আবু আহমেদ জাফর, ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য রফিকুল ইসলাম, বাংলাদেশ প্রতিদিন ও নিউজ ২৪ টিভির প্রতিবেদক নাজমুল হুদা, ভোরের পাতার তোফায়েল হোসেন তোফাসানি, সকালের সময়ের ইমাম হোসেন, আহমেদ জীবন, মানবকণ্ঠের সাদ্দাম হোসেন, এশিয়ান টিভির ওমর ফারুক, ডেইলি সানের মেহেদী হাসান মানিক, আলোকিত বাংলাদেশের জাহিন সিংহ, দৈনিক তৃতীয় মাত্রার সোহেল রানা, মোহনা টিভির জিয়াউদ্দিন জাহিদ, যায়যায়দিনের আরজু মীর, সময়ের আলোর দেওয়ান ইমন প্রমুখ।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন