৯ বছর পর গৃহবধূ হত্যা মামলায় স্বামীর মৃত্যুদণ্ড
jugantor
৯ বছর পর গৃহবধূ হত্যা মামলায় স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

  পাবনা প্রতিনিধি  

১৫ আগস্ট ২০২২, ০২:২১:৪৯  |  অনলাইন সংস্করণ

পাবনায় দীর্ঘ ৯ বছর পর চাঞ্চল্যকর গৃহবধূ নাছিমা হত্যার রায়ে স্বামী সিফাত আলীকে ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত। এছাড়াও তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানার আদেশ দেওয়া হয়েছে। আদালত মামলার অন্য তিন আসামিকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন।

রোববার (১৪ আগস্ট) দুপরে পাবনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মিজানুর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন।

২০১৩ সালে সিফাত আলী যৌতুকের দাবিতে তার স্ত্রী নাছিমাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছিলেন। দীর্ঘ ৯ বছর পর এ মামলার রায় ঘোষণা হলো।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি সিফাত আলী চাটমোহর উপজেলার ধুলাউড়ি স্কুলপাড়ার রাব্বেল আলীর ছেলে। তার স্ত্রীর নাম নাছিমা খাতুন নাটোর জেলার বড়াইগ্রাম উপজেলার ভিটাকাজিপুর গ্রামের আরদেশ প্রামাণিকের মেয়ে। তিনি এক ছেলে ও এক মেয়ের জননী ছিলেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০১৩ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর সকালে যৌতুকের দাবিতে স্ত্রী নাছিমাকে পরিবারের লোকজন নিয়ে মারধর ও গলাটিপে হত্যা করে পালিয়ে যান সিফাত আলী। পরে নিহতের বাবা আরদেশ প্রামাণিক বাদী হয়ে চাটমোহর থানায় ৫ জনের নামে একটি হত্যা মামলা করেন। ২০১৪ সালের ১৫ জানুয়ারি তাদের আসামি করে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। মামলা চলাকালে এক আসামির মৃত্যু হয়। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া ও ৯ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য শেষে রায় ঘোষণা করা হলো।

মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ট্রাইব্যুনালের বিশেষ পিপি অ্যাডভোকেট খন্দকার আব্দুর রকিব বলেন, রায়ের সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। এ রায়ে বাদী পক্ষ সন্তুষ্ট। এ রায় দ্রুত রায় কার্যকর করা হবে বলে তারা আশাবাদী।

আসামি পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইতি হোসেন মুক্তি বলেন, রায়ে তারা ক্ষুব্ধ। তার মক্কেল উচ্চ আদালতে আপিল করবেন।

৯ বছর পর গৃহবধূ হত্যা মামলায় স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

 পাবনা প্রতিনিধি 
১৫ আগস্ট ২০২২, ০২:২১ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

পাবনায় দীর্ঘ ৯ বছর পর চাঞ্চল্যকর গৃহবধূ নাছিমা হত্যার রায়ে স্বামী সিফাত আলীকে ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত। এছাড়াও তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানার আদেশ দেওয়া হয়েছে। আদালত মামলার অন্য তিন আসামিকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন।

রোববার (১৪ আগস্ট) দুপরে পাবনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মিজানুর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন।

২০১৩ সালে সিফাত আলী যৌতুকের দাবিতে তার স্ত্রী নাছিমাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছিলেন। দীর্ঘ ৯ বছর পর এ মামলার রায় ঘোষণা হলো।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি সিফাত আলী চাটমোহর উপজেলার ধুলাউড়ি স্কুলপাড়ার রাব্বেল আলীর ছেলে। তার স্ত্রীর নাম নাছিমা খাতুন নাটোর জেলার বড়াইগ্রাম উপজেলার ভিটাকাজিপুর গ্রামের আরদেশ প্রামাণিকের মেয়ে। তিনি এক ছেলে ও এক মেয়ের জননী ছিলেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০১৩ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর সকালে যৌতুকের দাবিতে স্ত্রী নাছিমাকে পরিবারের লোকজন নিয়ে মারধর ও গলাটিপে হত্যা করে পালিয়ে যান সিফাত আলী। পরে নিহতের বাবা আরদেশ প্রামাণিক বাদী হয়ে চাটমোহর থানায় ৫ জনের নামে একটি হত্যা মামলা করেন। ২০১৪ সালের ১৫ জানুয়ারি তাদের আসামি করে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। মামলা চলাকালে এক আসামির মৃত্যু হয়। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া ও ৯ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য শেষে রায় ঘোষণা করা হলো।

মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ট্রাইব্যুনালের বিশেষ পিপি অ্যাডভোকেট খন্দকার আব্দুর রকিব বলেন, রায়ের সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।  এ রায়ে বাদী পক্ষ সন্তুষ্ট। এ রায় দ্রুত রায় কার্যকর করা হবে বলে তারা আশাবাদী।

আসামি পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইতি হোসেন মুক্তি বলেন, রায়ে তারা ক্ষুব্ধ। তার মক্কেল উচ্চ আদালতে আপিল করবেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন