শিকল দিয়ে তরুণ-তরুণীকে বেঁধে নির্যাতনের ঘটনায় মামলা
jugantor
শিকল দিয়ে তরুণ-তরুণীকে বেঁধে নির্যাতনের ঘটনায় মামলা

  চাটমোহর (পাবনা) প্রতিনিধি  

১৬ আগস্ট ২০২২, ০২:৪১:৫৮  |  অনলাইন সংস্করণ

পাবনার চাটমোহরে অসামাজিক কাজের অভিযোগ এনে তরুণ-তরুণীকে শিকল দিয়ে বেঁধে নির্যাতনের ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের হয়েছে। সোমবার দুপুরে হেলাল উদ্দিন নামে ভুক্তভোগী ওই তরুণ বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন।

হেলাল উদ্দিন পার্শ্ববর্তী ভাঙ্গুড়া উপজেলার অষ্টমনিষা গ্রামের সিরাজুল সরদারের ছেলে।

মামলা ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, হেলাল উদ্দিন ও চাটমোহর উপজেলার নিমাইচড়া ইউনিয়নের করকোলা গ্রামের সুমন হোসেন নামের এক যুবক যশোরের একটি রাইস মিলে একসঙ্গে চাকরি করেন। শুক্রবার (১২ আগস্ট) হেলাল যশোর থেকে বাড়িতে আসার সময় তার সহকর্মী সুমন সংসারের খরচের জন্য নগদ দুই হাজার টাকা তার স্ত্রীকে দেওয়ার জন্য পাঠান।

ওই রাত ৮টার দিকে হেলাল উদ্দিন নিজে সুমনের বাড়িতে গিয়ে তার স্ত্রীকে টাকা দেওয়ার সময় স্থানীয় কয়েকজন যুবক অসামাজিক কাজে লিপ্ত থাকার অভিযোগ এনে বাড়ি ঘেরাও করে। পরে তাদের বিরুদ্ধে অসামাজিক কাজের অভিযোগ এসে দুইজনকে শিকল দিয়ে গাছের সঙ্গে বেঁধে রাতভর মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতন করে।

খবর পেয়ে শনিবার সকালে গ্রামপুলিশ পাঠিয়ে নির্যাতনের শিকার ওই তরুণ-তরুণীকে উদ্ধার করেন ইউপি চেয়ারম্যান নূরজাহান বেগম মুক্তি। পরে তাদের দুইজনকে পরিবারের জিম্মায় দেন তিনি।

এদিকে সোমবার নির্যাতনের অভিযোগ এনে স্থানীয় কয়েকজন যুবকের নামে থানায় মামলা দায়ের করেন হেলাল উদ্দিন নামের ভুক্তভোগী ওই তরুণ।

নিমাইচড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নূরজাহান বেগম মুক্তি যুগান্তরকে বলেন, বিষয়টি অমানবিক। লোকমুখে শিকল দিয়ে বেঁধে নির্যাতনের খবর পেয়ে তাদের উদ্ধারের পর পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।

এ ব্যাপারে চাটমোহর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জালাল উদ্দিন যুগান্তরকে জানান, বিষয়টি আমরা পরে জেনেছি। শিকল দিয়ে বেঁধে মারধর করা কোনোমতেই ঠিক করেনি। সোমবার থানায় মামলা দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী ওই তরুণ। আসামিদের ধরতে পুলিশি অভিযান অব্যাহত আছে।

শিকল দিয়ে তরুণ-তরুণীকে বেঁধে নির্যাতনের ঘটনায় মামলা

 চাটমোহর (পাবনা) প্রতিনিধি 
১৬ আগস্ট ২০২২, ০২:৪১ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

পাবনার চাটমোহরে অসামাজিক কাজের অভিযোগ এনে তরুণ-তরুণীকে শিকল দিয়ে বেঁধে নির্যাতনের ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের হয়েছে। সোমবার দুপুরে হেলাল উদ্দিন নামে ভুক্তভোগী ওই তরুণ বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন।

হেলাল উদ্দিন পার্শ্ববর্তী ভাঙ্গুড়া উপজেলার অষ্টমনিষা গ্রামের সিরাজুল সরদারের ছেলে। 

মামলা ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, হেলাল উদ্দিন ও চাটমোহর উপজেলার নিমাইচড়া ইউনিয়নের করকোলা গ্রামের সুমন হোসেন নামের এক যুবক যশোরের একটি রাইস মিলে একসঙ্গে চাকরি করেন। শুক্রবার (১২ আগস্ট) হেলাল যশোর থেকে বাড়িতে আসার সময় তার সহকর্মী সুমন সংসারের খরচের জন্য নগদ দুই হাজার টাকা তার স্ত্রীকে দেওয়ার জন্য পাঠান।

ওই রাত ৮টার দিকে হেলাল উদ্দিন নিজে সুমনের বাড়িতে গিয়ে তার স্ত্রীকে টাকা দেওয়ার সময় স্থানীয় কয়েকজন যুবক অসামাজিক কাজে লিপ্ত থাকার অভিযোগ এনে বাড়ি ঘেরাও করে। পরে তাদের বিরুদ্ধে অসামাজিক কাজের অভিযোগ এসে দুইজনকে শিকল দিয়ে গাছের সঙ্গে বেঁধে রাতভর মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতন করে। 

খবর পেয়ে শনিবার সকালে গ্রামপুলিশ পাঠিয়ে নির্যাতনের শিকার ওই তরুণ-তরুণীকে উদ্ধার করেন ইউপি চেয়ারম্যান নূরজাহান বেগম মুক্তি। পরে তাদের দুইজনকে পরিবারের জিম্মায় দেন তিনি।

এদিকে সোমবার নির্যাতনের অভিযোগ এনে স্থানীয় কয়েকজন যুবকের নামে থানায় মামলা দায়ের করেন হেলাল উদ্দিন নামের ভুক্তভোগী ওই তরুণ।

নিমাইচড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নূরজাহান বেগম মুক্তি যুগান্তরকে বলেন, বিষয়টি অমানবিক। লোকমুখে শিকল দিয়ে বেঁধে নির্যাতনের খবর পেয়ে তাদের উদ্ধারের পর পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।

এ ব্যাপারে চাটমোহর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জালাল উদ্দিন যুগান্তরকে জানান, বিষয়টি আমরা পরে জেনেছি। শিকল দিয়ে বেঁধে মারধর করা কোনোমতেই ঠিক করেনি। সোমবার থানায় মামলা দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী ওই তরুণ। আসামিদের ধরতে পুলিশি অভিযান অব্যাহত আছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন