ধর্ষণ মামলায় এক ব্যক্তির যাবজ্জীবন
jugantor
ধর্ষণ মামলায় এক ব্যক্তির যাবজ্জীবন

  টাঙ্গাইল প্রতিনিধি  

১৬ আগস্ট ২০২২, ২২:০৯:৩০  |  অনলাইন সংস্করণ

টাঙ্গাইলে এক কলেজছাত্রীকে অপহরণ করে দীর্ঘ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের অভিযোগে এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক খালেদা ইয়াসমিন মঙ্গলবার বিকালে এ রায় দেন।

রায়ে দণ্ডিতকে এক লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছর কারাদণ্ডের আদেশের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

দণ্ডিত ব্যক্তির নাম মো. বাদল মিয়া (৪৫)। তিনি সখীপুর উপজেলার রতনপুর গ্রামের দরবেশ আলীর ছেলে।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের সহকারী সরকারি কৌঁসুলি (এপিপি) মোহাম্মদ আব্দুল কুদ্দুস জানান, সখীপুরের উচ্চ মাধ্যমিক দ্বিতীয় বর্ষের এক ছাত্রীকে বাদল মিয়া ২০১৭ সালের ১১ জানুয়ারি ফুসলিয়ে অপহরণ করে নিয়ে যান। পরে তাকে পরিত্যক্ত একটি ঘরে আটকে রাখেন। ওই ঘরে ছয় মাস আটকে রেখে তাকে ধর্ষণ করেন। ওই বছর ২৯ জুলাই ওই ছাত্রীকে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। পরে ওই ছাত্রীর ভাই বাদী হয়ে সখীপুর থানায় বাদল মিয়াকে আসামি করে মামলা করেন।

বাদল মিয়া গ্রেফতার হওয়ার পর আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। তদন্ত শেষে গোয়েন্দা পুলিশের এসআই শামসুল ইসলাম ২০১৮ সালের ১ জুন বাদল মিয়ার বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।

মামলা চলাকালে বাদল মিয়া জামিনে মুক্তি লাভ করেন। তারপর থেকেই তিনি পলাতক রয়েছেন।

ধর্ষণ মামলায় এক ব্যক্তির যাবজ্জীবন

 টাঙ্গাইল প্রতিনিধি 
১৬ আগস্ট ২০২২, ১০:০৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

টাঙ্গাইলে এক কলেজছাত্রীকে অপহরণ করে দীর্ঘ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের অভিযোগে এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। 

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক খালেদা ইয়াসমিন মঙ্গলবার বিকালে এ রায় দেন। 

রায়ে দণ্ডিতকে এক লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছর কারাদণ্ডের আদেশের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। 

দণ্ডিত ব্যক্তির নাম মো. বাদল মিয়া (৪৫)। তিনি সখীপুর উপজেলার রতনপুর গ্রামের দরবেশ আলীর ছেলে। 

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের সহকারী সরকারি কৌঁসুলি (এপিপি) মোহাম্মদ আব্দুল কুদ্দুস জানান, সখীপুরের উচ্চ মাধ্যমিক দ্বিতীয় বর্ষের এক ছাত্রীকে বাদল মিয়া ২০১৭ সালের ১১ জানুয়ারি ফুসলিয়ে অপহরণ করে নিয়ে যান। পরে তাকে পরিত্যক্ত একটি ঘরে আটকে রাখেন। ওই ঘরে ছয় মাস আটকে রেখে তাকে ধর্ষণ করেন। ওই বছর ২৯ জুলাই ওই ছাত্রীকে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। পরে ওই ছাত্রীর ভাই বাদী হয়ে সখীপুর থানায় বাদল মিয়াকে আসামি করে মামলা করেন। 

বাদল মিয়া গ্রেফতার হওয়ার পর আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। তদন্ত শেষে গোয়েন্দা পুলিশের এসআই শামসুল ইসলাম ২০১৮ সালের ১ জুন বাদল মিয়ার বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। 

মামলা চলাকালে বাদল মিয়া জামিনে মুক্তি লাভ করেন। তারপর থেকেই তিনি পলাতক রয়েছেন। 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন