স্কুলছাত্রীকে অপহরণ ও ধর্ষণ মামলায় ৬০ বছরের কারাদণ্ড
jugantor
স্কুলছাত্রীকে অপহরণ ও ধর্ষণ মামলায় ৬০ বছরের কারাদণ্ড

  মাগুরা প্রতিনিধি  

১৬ আগস্ট ২০২২, ২২:৩১:০৭  |  অনলাইন সংস্করণ

মাগুরায় স্কুলছাত্রীকে অপহরণ ও ধর্ষণ মামলায় নূর আলি (৩৩) নামে এক যুবককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। উভয় অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় এবং পরপর সাজাভোগের আদেশের কারণে আসামিকে ৬০ বছর কারাভোগ করতে হবে।

মঙ্গলবার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল আদালতের বিচারক জেলা ও দায়রা জজ প্রণয় কুমার দাশ এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত নূর আলি মাগুরা সদর উপজেলার সীতারামপুর গ্রামের মুরাদ বিশ্বাসের ছেলে।

আদালত সূত্র জানায়, স্কুলে যাওয়া-আসার পথে নূর আলি মেয়েটিকে প্রেম নিবেদন করে উত্ত্যক্ত করতেন। পরে মেয়েটিকে বোনের বাড়ি মাগুরার শ্রীপুর উপজেলায় পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

সেখানে ২০১৪ সালের ৭ জুন সকালে প্রাইভেট পড়তে বাড়ি থেকে বের হলে মেয়েটি অপহৃত হয়। নূর আলি মেয়েটিকে মোটরসাইকেলে করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে ধর্ষণ করেন। পরবর্তীতে সে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে।

ঘটনার দিন মেয়েটির বাবা শ্রীপুর থানায় নূর আলির বিরুদ্ধে মামলা করেন। দীর্ঘ ৮ বছর পর মামলার সাক্ষ্য প্রমাণাদি শেষে আদালত তাকে উভয় অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করে রায় দেন।

নাবালক মেয়েকে অপহরণের দায়ে তাকে যাবজ্জীবন ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও এক মাস এবং ধর্ষণের দায়ে যাবজ্জীবন ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও দুই মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

তবে আদালতের এ রায়ে আপিল করা হবে বলে জানিয়েছেন আসামিপক্ষের আইনজীবী মাহবুবুল আকবর কল্লোল।

বাদীপক্ষের আইনজীবী মাগুরা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতের পিপি এটিকে দৃষ্টান্তমূলক রায় বলে উল্লেখ করেছেন। নাবালক কোনো শিশুর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের ঘটনাও দণ্ডনীয় অপরাধ। এ রায় সমাজের জন্য একটি মেসেজ বলে তিনি উল্লেখ করেন।

স্কুলছাত্রীকে অপহরণ ও ধর্ষণ মামলায় ৬০ বছরের কারাদণ্ড

 মাগুরা প্রতিনিধি 
১৬ আগস্ট ২০২২, ১০:৩১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

মাগুরায় স্কুলছাত্রীকে অপহরণ ও ধর্ষণ মামলায় নূর আলি (৩৩) নামে এক যুবককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। উভয় অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় এবং পরপর সাজাভোগের আদেশের কারণে আসামিকে ৬০ বছর কারাভোগ করতে হবে।

মঙ্গলবার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল আদালতের বিচারক জেলা ও দায়রা জজ প্রণয় কুমার দাশ এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত নূর আলি মাগুরা সদর উপজেলার সীতারামপুর গ্রামের মুরাদ বিশ্বাসের ছেলে।

আদালত সূত্র জানায়, স্কুলে যাওয়া-আসার পথে নূর আলি মেয়েটিকে প্রেম নিবেদন করে উত্ত্যক্ত করতেন। পরে মেয়েটিকে বোনের বাড়ি মাগুরার শ্রীপুর উপজেলায় পাঠিয়ে দেওয়া হয়। 

সেখানে ২০১৪ সালের ৭ জুন সকালে প্রাইভেট পড়তে বাড়ি থেকে বের হলে মেয়েটি অপহৃত হয়। নূর আলি মেয়েটিকে মোটরসাইকেলে করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে ধর্ষণ করেন। পরবর্তীতে সে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে।

ঘটনার দিন মেয়েটির বাবা শ্রীপুর থানায় নূর আলির বিরুদ্ধে মামলা করেন। দীর্ঘ ৮ বছর পর মামলার সাক্ষ্য প্রমাণাদি শেষে আদালত তাকে উভয় অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করে রায় দেন। 

নাবালক মেয়েকে অপহরণের দায়ে তাকে যাবজ্জীবন ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও এক মাস এবং ধর্ষণের দায়ে যাবজ্জীবন ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও দুই মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

তবে আদালতের এ রায়ে আপিল করা হবে বলে জানিয়েছেন আসামিপক্ষের আইনজীবী মাহবুবুল আকবর কল্লোল।

বাদীপক্ষের আইনজীবী মাগুরা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতের পিপি এটিকে দৃষ্টান্তমূলক রায় বলে উল্লেখ করেছেন। নাবালক কোনো শিশুর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের ঘটনাও দণ্ডনীয় অপরাধ। এ রায় সমাজের জন্য একটি মেসেজ বলে তিনি উল্লেখ করেন।
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন