ড্রাগন চাষে দারুণ সাফল্য
jugantor
ড্রাগন চাষে দারুণ সাফল্য

  মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন, বুড়িচং (কুমিল্লা)  

১৬ আগস্ট ২০২২, ২২:৩২:২১  |  অনলাইন সংস্করণ

কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলা কৃষি অফিসের তত্ত্বাবধানে উপজেলার পশ্চিমসিংহ গ্রামে এক একর জমিতে বাণিজ্যিকভাবে ড্রাগন বাগান গড়ে উঠেছে। বাগানটি দ্বিতীয় বছরে পা দিয়েছে, বর্তমানে ফল সংগ্রহ চলছে।

এ বছর এখন পর্যন্ত ৩ লাখ টাকার অধিক মূল্যের ড্রাগন ফল বিক্রি করেছেন কৃষি উদ্যোক্তা মো. শাহ ইসরাইল। এ বছর বিনিয়োগের টাকা তুলে আনার প্রত্যাশা করছেন তিনি।

বাগান ঘুরে দেখা যায়, ডালে ডালে ফোটার অপেক্ষা করছে বিশালাকার ড্রাগন ফুল। বেশ কিছু ফুলের লাল লাল কলি ডালগুলোতে উঁকি দিচ্ছে।

উদ্যোক্তা জানালেন, মঙ্গলবার রাতেই বেশ কিছু ফুল ফুটবে। ভালো ফলন নিশ্চিত করতে হাত পরাগায়ন করবেন রাতে। সোমবার রাতে ৭০টি ফুল ফুটেছিল।

কৃষক মো. শাহ ইসরাইল জানান, লাভজনক ড্রাগন চাষের কথা জানতে পেরে গত বছর ২ বিঘা জমিতে বাগান শুরু করেন, নাম দেন “সেবা এগ্রো ফার্ম”। কিছু প্রতিবন্ধকতা দেখা দিলে উপজেলা কৃষি অফিসে যোগাযোগ করলে শুরুতে উপসহকারী কৃষি অফিসার মোছা. মনোয়ারা বেগম বাগানে এসে পরামর্শ দেন। কিছুদিন পর থেকে বাগানটি নিয়মিত তত্ত্বাবধান করে আসছেন কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার কৃষিবিদ বানিন রায়। ইতোমধ্যে উপজেলা ও জেলা পর্যায়ের একাধিক কর্মকর্তা বাগানটি পরিদর্শন করেছেন। বর্তমানে বাগানের পরিধি এক একর।

কৃষিবিদ বানিন রায় জানান, কুমিল্লা জেলার জন্য ড্রাগন বেশ লাভজনক ফল। কারণ এ অঞ্চলের মানুষের ক্রয়ক্ষমতা অন্যান্য অনেক জেলা থেকে বেশি। তাছাড়া ফলটির বাজার মূল্য ভালো। বাগানটিতে সব রকমের সহায়তা আমরা দিয়ে আসছি। ইতোমধ্যে বাগানটির সফলতা দেখে আরও কয়েকটি নতুন ড্রাগন বাগান গড়ে উঠছে।

ড্রাগন চাষে দারুণ সাফল্য

 মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন, বুড়িচং (কুমিল্লা) 
১৬ আগস্ট ২০২২, ১০:৩২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলা কৃষি অফিসের তত্ত্বাবধানে উপজেলার পশ্চিমসিংহ গ্রামে এক একর জমিতে বাণিজ্যিকভাবে ড্রাগন বাগান গড়ে উঠেছে। বাগানটি দ্বিতীয় বছরে পা দিয়েছে, বর্তমানে ফল সংগ্রহ চলছে।

এ বছর এখন পর্যন্ত ৩ লাখ টাকার অধিক মূল্যের ড্রাগন ফল বিক্রি করেছেন কৃষি উদ্যোক্তা মো. শাহ ইসরাইল। এ বছর বিনিয়োগের টাকা তুলে আনার প্রত্যাশা করছেন তিনি।

বাগান ঘুরে দেখা যায়, ডালে ডালে ফোটার অপেক্ষা করছে বিশালাকার ড্রাগন ফুল। বেশ কিছু ফুলের লাল লাল কলি ডালগুলোতে উঁকি দিচ্ছে।

উদ্যোক্তা জানালেন, মঙ্গলবার রাতেই বেশ কিছু ফুল ফুটবে। ভালো ফলন নিশ্চিত করতে হাত পরাগায়ন করবেন রাতে। সোমবার রাতে ৭০টি ফুল ফুটেছিল।

কৃষক মো. শাহ ইসরাইল জানান, লাভজনক ড্রাগন চাষের কথা জানতে পেরে গত বছর ২ বিঘা জমিতে বাগান শুরু করেন, নাম দেন “সেবা এগ্রো ফার্ম”। কিছু প্রতিবন্ধকতা দেখা দিলে উপজেলা কৃষি অফিসে যোগাযোগ করলে শুরুতে উপসহকারী কৃষি অফিসার মোছা. মনোয়ারা বেগম বাগানে এসে পরামর্শ দেন। কিছুদিন পর থেকে বাগানটি নিয়মিত তত্ত্বাবধান করে আসছেন কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার কৃষিবিদ বানিন রায়। ইতোমধ্যে উপজেলা ও জেলা পর্যায়ের একাধিক কর্মকর্তা বাগানটি পরিদর্শন করেছেন। বর্তমানে বাগানের পরিধি এক একর।

কৃষিবিদ বানিন রায় জানান, কুমিল্লা জেলার জন্য ড্রাগন বেশ লাভজনক ফল। কারণ এ অঞ্চলের মানুষের ক্রয়ক্ষমতা অন্যান্য অনেক জেলা থেকে বেশি। তাছাড়া ফলটির বাজার মূল্য ভালো। বাগানটিতে সব রকমের সহায়তা আমরা দিয়ে আসছি। ইতোমধ্যে বাগানটির সফলতা দেখে আরও কয়েকটি নতুন ড্রাগন বাগান গড়ে উঠছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন