পরিত্যক্ত বাড়িতে শিশুর লাশ
jugantor
পরিত্যক্ত বাড়িতে শিশুর লাশ

  পাবনা প্রতিনিধি  

১৬ আগস্ট ২০২২, ২২:৩৩:৪৬  |  অনলাইন সংস্করণ

পাবনায় কলেজশিক্ষকের পরিত্যক্ত বাড়ি থেকে রোমিও সর্দার (৮) নামে এক শিশুর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার রাতে সদর উপজেলার চরতারাপুর গ্রামের মির্জা আলী হায়দারের বাড়ির টয়লেট থেকে ওই শিশুর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

নিহত শিশু রোমিও সদর উপজেলার চরতারপুর গ্রামের মো. মাসুদ সর্দারের ছেলে এবং চরতারাপুর বালিয়াডাঙ্গী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্র।

নিহতের স্বজন ও স্থানীয়রা জানান, সোমবার সকাল ৯টার দিকে রোমিও বাড়ি থেকে বের হয় এবং সারাদিন আর বাড়ি ফিরে আসেনি। সম্ভাব্য সব জায়গায় খুঁজেও তার সন্ধান পাওয়া যায়নি। পরে রাত আনুমানিক ১১টার দিকে একই গ্রামের বাসিন্দা ও পাবনা কলেজের শিক্ষক মির্জা আলী হায়দারের বাড়ির টয়লেট থেকে রোমিওর লাশ উদ্ধার করা হয়।

বাড়ি মালিক আলী হায়দারসহ তার অন্য দুই ভাই শহরে বসবাস করার কারণে বাড়িটি সব সময় তালাবদ্ধ থাকে।

বাড়ির মালিক মির্জা আলী হায়দার জানান, বাবা-মা মারা যাওয়ার পর থেকে বেশ কয়েক বছর ধরে তারা তিন ভাই শহরের বসবাস করছেন। এজন্য বাড়িটি বেশির ভাগ সময় তালাবদ্ধ থাকে। তিনি বলেন, বিষয়টি খুবই রহস্যজনক মনে হচ্ছে।

মঙ্গলবার বিকাল ৫টায় এ রিপোর্ট লেখার সময় পাবনা থানার ওসি (অপারেশন) মো. মনিরুজ্জামান যুগান্তরকে বলেন, আমরা ঘটনাস্থলে রয়েছি। লাশের সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। লাশের শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে- তাকে হত্যার পর এখানে লাশ লুকিয়ে রাখা হয়েছে। কিন্ত পরিত্যক্ত ওই বাড়ির মধ্যে শিশুটি কীভাবে প্রবেশ করল এবং কে বা কারা তাকে হত্যা করেছে তা প্রাথমিকভাবে বলা যাচ্ছে না। পুলিশ রহস্য উদঘাটনে কাজ করছে।

পরিত্যক্ত বাড়িতে শিশুর লাশ

 পাবনা প্রতিনিধি 
১৬ আগস্ট ২০২২, ১০:৩৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

পাবনায় কলেজশিক্ষকের পরিত্যক্ত বাড়ি থেকে রোমিও সর্দার (৮) নামে এক শিশুর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার রাতে সদর উপজেলার চরতারাপুর গ্রামের মির্জা আলী হায়দারের বাড়ির টয়লেট থেকে ওই শিশুর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

নিহত শিশু রোমিও সদর উপজেলার চরতারপুর গ্রামের মো. মাসুদ সর্দারের ছেলে এবং চরতারাপুর বালিয়াডাঙ্গী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্র। 

নিহতের স্বজন ও স্থানীয়রা জানান, সোমবার সকাল ৯টার দিকে রোমিও বাড়ি থেকে বের হয় এবং সারাদিন আর বাড়ি ফিরে আসেনি। সম্ভাব্য সব জায়গায় খুঁজেও তার সন্ধান পাওয়া যায়নি। পরে রাত আনুমানিক ১১টার দিকে একই গ্রামের বাসিন্দা ও পাবনা কলেজের শিক্ষক মির্জা আলী হায়দারের বাড়ির টয়লেট থেকে রোমিওর লাশ উদ্ধার করা হয়। 

বাড়ি মালিক আলী হায়দারসহ তার অন্য দুই ভাই শহরে বসবাস করার কারণে বাড়িটি সব সময় তালাবদ্ধ থাকে। 

বাড়ির মালিক মির্জা আলী হায়দার জানান, বাবা-মা মারা যাওয়ার পর থেকে বেশ কয়েক বছর ধরে তারা তিন ভাই শহরের বসবাস করছেন। এজন্য বাড়িটি বেশির ভাগ সময় তালাবদ্ধ থাকে। তিনি বলেন, বিষয়টি খুবই রহস্যজনক মনে হচ্ছে। 

মঙ্গলবার বিকাল ৫টায় এ রিপোর্ট লেখার সময় পাবনা থানার ওসি (অপারেশন) মো. মনিরুজ্জামান যুগান্তরকে বলেন, আমরা ঘটনাস্থলে রয়েছি। লাশের সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। লাশের শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে- তাকে হত্যার পর এখানে লাশ লুকিয়ে রাখা হয়েছে। কিন্ত পরিত্যক্ত ওই বাড়ির মধ্যে শিশুটি কীভাবে প্রবেশ করল এবং কে বা কারা তাকে হত্যা করেছে তা প্রাথমিকভাবে বলা যাচ্ছে না। পুলিশ রহস্য উদঘাটনে কাজ করছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন