প্রধান শিক্ষিকাকে পিটিয়ে জখম করলেন শিক্ষা কর্মকর্তা
jugantor
প্রধান শিক্ষিকাকে পিটিয়ে জখম করলেন শিক্ষা কর্মকর্তা

  খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি  

১৭ আগস্ট ২০২২, ০০:৪৭:৫৮  |  অনলাইন সংস্করণ

খাগড়াছড়িতে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকাকে পিটিয়ে আহত করেছেন সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা। মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলা শিক্ষা অফিসারের কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।

আহত প্রধান শিক্ষিকা মৌসুমী ত্রিপুরা মহালছড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কর্মরত। অভিযুক্ত সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা খাগড়াছড়ি সদর উপজেলার শিক্ষা অফিসারের কার্যালয়ে কর্মরত।

আহত প্রধান শিক্ষিকা জানান, সকালে বিদ্যালয়ের নড়বড়ে গেট সংস্কার করার আবেদন নিয়ে উপজেলা শিক্ষা অফিসারের কার্যালয়ে গেলে সুভায়ন খীসা আমার সঙ্গে কথা বলেননি। অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন। পরে আমাকে পিটিয়ে আহত করেন। সহকর্মীরা আমাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসেন।

এই শিক্ষিকা আরও দাবি করেন- শিক্ষা কর্মকর্তা সুভায়ন খীসা আমাকে গত বছরের ২৩ সেপ্টেম্বর বিয়ে করেছেন কিন্তু স্বীকৃতি দিচ্ছেন না। এ কারণে তিনি আমার সঙ্গে এমন আচরণ করছেন।

খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসক মিথিলা বড়ুয়া জানান, আহত মৌসুমী ত্রিপুরা মাথায় আঘাত পেয়েছেন। তার চোখের নিচেও সেলাই করতে হয়েছে। যেহেতু উনি মাথায় আঘাত পেয়েছেন তাই সিটিস্ক্যান করানোর জন্য বলা হয়েছে। বর্তমানে তিনি হাসপাতালের সার্জারি ওয়ার্ডে ভর্তি আছেন।

তবে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা বলেন, আমি অফিসে দাপ্তরিক কাজ করছিলাম। এ সময় অসৌজন্যমূলক আচরণ করার কারণে প্রধান শিক্ষিকার সঙ্গে আমার ধস্তাধস্তি হয়। একপর্যায়ে দরজায় ধাক্কা খেয়ে তিনি আহত হন। সহকর্মীরা তাকে হাসপাতালে ভর্তি করেন।

তবে ওই শিক্ষিকাকে বিয়ে করার কথা অস্বীকার করেছেন এই কর্মকর্তা। তিনি বলেন, এটা মিথ্যা এবং বানোয়াট।

আহত প্রধান শিক্ষিকাকে হাসপাতালে দেখতে যান জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ফাতেমা মেহের ইয়াসমিন। তিনি সাংবাদিকদের জানান, কিভাবে এমনটি হয়েছে, আমি এখনো জানতে পারিনি। হামলার শিকার শিক্ষিকা এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ করলে আমরা তদন্ত করে ব্যবস্থা নেব।

প্রধান শিক্ষিকাকে পিটিয়ে জখম করলেন শিক্ষা কর্মকর্তা

 খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি 
১৭ আগস্ট ২০২২, ১২:৪৭ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

খাগড়াছড়িতে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকাকে পিটিয়ে আহত করেছেন সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা। মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলা শিক্ষা অফিসারের কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।

আহত প্রধান শিক্ষিকা মৌসুমী ত্রিপুরা মহালছড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কর্মরত। অভিযুক্ত সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা খাগড়াছড়ি সদর উপজেলার শিক্ষা অফিসারের কার্যালয়ে কর্মরত।

আহত প্রধান শিক্ষিকা জানান, সকালে বিদ্যালয়ের নড়বড়ে গেট সংস্কার করার আবেদন নিয়ে উপজেলা শিক্ষা অফিসারের কার্যালয়ে গেলে সুভায়ন খীসা আমার সঙ্গে কথা বলেননি। অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন। পরে আমাকে পিটিয়ে আহত করেন। সহকর্মীরা আমাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসেন।

এই শিক্ষিকা আরও দাবি করেন- শিক্ষা কর্মকর্তা সুভায়ন খীসা আমাকে গত বছরের ২৩ সেপ্টেম্বর বিয়ে করেছেন কিন্তু স্বীকৃতি দিচ্ছেন না। এ কারণে তিনি আমার সঙ্গে এমন আচরণ করছেন।

খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসক মিথিলা বড়ুয়া জানান, আহত মৌসুমী ত্রিপুরা মাথায় আঘাত পেয়েছেন। তার চোখের নিচেও সেলাই করতে হয়েছে। যেহেতু উনি মাথায় আঘাত পেয়েছেন তাই  সিটিস্ক্যান করানোর জন্য বলা হয়েছে। বর্তমানে তিনি হাসপাতালের সার্জারি ওয়ার্ডে ভর্তি আছেন।

তবে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা বলেন, আমি অফিসে দাপ্তরিক কাজ করছিলাম। এ সময় অসৌজন্যমূলক আচরণ করার কারণে প্রধান শিক্ষিকার সঙ্গে আমার ধস্তাধস্তি হয়। একপর্যায়ে দরজায় ধাক্কা খেয়ে তিনি আহত হন। সহকর্মীরা তাকে হাসপাতালে ভর্তি করেন।

তবে ওই শিক্ষিকাকে বিয়ে করার কথা অস্বীকার করেছেন এই কর্মকর্তা। তিনি বলেন, এটা মিথ্যা এবং বানোয়াট।

আহত প্রধান শিক্ষিকাকে হাসপাতালে দেখতে যান জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ফাতেমা মেহের ইয়াসমিন। তিনি সাংবাদিকদের জানান, কিভাবে এমনটি হয়েছে, আমি এখনো জানতে পারিনি। হামলার শিকার শিক্ষিকা এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ করলে আমরা তদন্ত করে ব্যবস্থা নেব।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন