‘প্রধানমন্ত্রী আমাদের ইজ্জত রক্ষা করলেন’
jugantor
‘প্রধানমন্ত্রী আমাদের ইজ্জত রক্ষা করলেন’

  চাটমোহর (পাবনা) প্রতিনিধি  

১৭ আগস্ট ২০২২, ০১:২৩:৩১  |  অনলাইন সংস্করণ

‘প্রধানমন্ত্রী আমাদের ইজ্জত রক্ষা করলেন’

জরাজীর্ণ পাটকাঠির বেড়ার ঘরে বসবাস ছিল রবিউল-রওশন আরা দম্পতির। ঘরের চালা আর চৌকির দূরত্ব ছিল মাত্র দুই হাত। অনেকটা নির্ঘুম রাত কাটতো তাদের। ঘরের এমন দুরবস্থার কারণে স্ত্রী ও মেয়ে জামা-কাপড় পাল্টাতো অন্যের বাড়িতে।

তবে যুগান্তর অনলাইন সংস্করণে সংবাদ প্রকাশের পর এ চিত্র পাল্টেছে পাবনার চাটমোহর উপজেলার ছাইকোলা ইউনিয়নের পশ্চিমপাড়া গ্রামের অসহায় এই দম্পতির।

এখন তারা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার হিসেবে দেওয়া পাকা ঘরে বসবাস করেন। এর আগে ১ জুন বুধবার যুগান্তর অনলাইন সংষ্করণে সংবাদ প্রকাশের কয়েকঘন্টার মাথায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নজরে যায় সংবাদটি।

প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের নির্দেশে বৃষ্টি-কাদা মাড়িয়ে রবিউলের বাড়িতে ছুটে যান পাবনার জেলা প্রশাসক বিশ্বাস রাসেল, চাটমোহর উপজেলার সদ্য বিদায়ী নির্বাহী কর্মকর্তা সৈকত ইসলাম।

ওই সময় অসহায় এই পরিবারের হাতে খাদ্য সামগ্রী এবং নতুন জামা কাপড় তুলে দেন জেলা প্রশাসক। শুধু তাই নয়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাদের জন্য একটি নতুন ঘর উপহার হিসেবে দেবেন এই আশ্বাস দিয়ে আসেন জেলা প্রশাসক।

এক সপ্তাহের মধ্যে রবিউল-রওশন আরা দম্পতির জন্য নতুন পাকা ঘর নির্মাণ কাজ শুরু হয়। প্রায়
এক মাসের ব্যবধানে মাথা উঁচু করে দাঁড়ায় নতুন পাকা ঘরটি।

গত ৫ আগস্ট চাটমোহর উপজেলার সদ্য বিদায়ী নির্বাহী কর্মকর্তা সৈকত ইসলাম প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার হিসেবে দেওয়া নতুন ঘরে অসহায় ওই পরিবারটিকে তুলে দেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ছাইকোলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুজ্জামান নুরু, সাবেক চেয়ারম্যান
বোরহান উদ্দিন, যুগান্তর প্রতিনিধি পবিত্র তালুকদারসহ এলাকার সুধীজন।

নতুন ঘর পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্য দুই হাত তুলে দোয়া করে রওশন আরা বলেন, ‘অনেক কষ্টে ভাঙ্গা ঘরে বসবাস করতাম। বাইরে থেকে সব দেখা যেত। মেয়ে এবং আমি অন্যের
ঘরে গিয়ে জামা কাপড় পাল্টাতাম। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাদের ইজ্জত রক্ষা করলেন। এ ঋণ কখনো শোধ করতে পারব না। প্রধানমন্ত্রীর জন্য দোয়া করা ছাড়া আমাদের দেওয়ার মতো কিছু নাই।’

সদ্য বিদায়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সৈকত ইসলাম যুগান্তরকে জানান, পরিবারটি খুব কষ্টে বসবাস করতো। তবে প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে দেওয়া নতুন ঘরে তুলে দেওয়ার সময় তারা যে কী খুশি হয়েছে সেটা বলে বোঝানো যাবে না।

‘প্রধানমন্ত্রী আমাদের ইজ্জত রক্ষা করলেন’

 চাটমোহর (পাবনা) প্রতিনিধি 
১৭ আগস্ট ২০২২, ০১:২৩ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ
‘প্রধানমন্ত্রী আমাদের ইজ্জত রক্ষা করলেন’
নতুন ঘরের সামনে দাঁড়িয়ে রবিউল-রওশন আরা দম্পতি ও তাদের মেয়ে। ছবি: যুগান্তর

জরাজীর্ণ পাটকাঠির বেড়ার ঘরে বসবাস ছিল রবিউল-রওশন আরা দম্পতির। ঘরের চালা আর চৌকির দূরত্ব ছিল মাত্র দুই হাত। অনেকটা নির্ঘুম রাত কাটতো তাদের। ঘরের এমন দুরবস্থার কারণে স্ত্রী ও মেয়ে জামা-কাপড় পাল্টাতো অন্যের বাড়িতে। 

তবে যুগান্তর অনলাইন সংস্করণে সংবাদ প্রকাশের পর এ চিত্র পাল্টেছে পাবনার চাটমোহর উপজেলার ছাইকোলা ইউনিয়নের পশ্চিমপাড়া গ্রামের অসহায় এই দম্পতির।

এখন তারা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার হিসেবে দেওয়া পাকা ঘরে বসবাস করেন। এর আগে ১ জুন বুধবার যুগান্তর অনলাইন সংষ্করণে সংবাদ প্রকাশের কয়েকঘন্টার মাথায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নজরে যায় সংবাদটি। 

প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের নির্দেশে বৃষ্টি-কাদা মাড়িয়ে রবিউলের বাড়িতে ছুটে যান পাবনার জেলা প্রশাসক বিশ্বাস রাসেল, চাটমোহর উপজেলার সদ্য বিদায়ী নির্বাহী কর্মকর্তা সৈকত ইসলাম। 

ওই সময় অসহায় এই পরিবারের হাতে খাদ্য সামগ্রী এবং নতুন জামা কাপড় তুলে দেন জেলা প্রশাসক। শুধু তাই নয়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাদের জন্য একটি নতুন ঘর উপহার হিসেবে দেবেন এই আশ্বাস দিয়ে আসেন জেলা প্রশাসক।

এক সপ্তাহের মধ্যে রবিউল-রওশন আরা দম্পতির জন্য নতুন পাকা ঘর নির্মাণ কাজ শুরু হয়। প্রায়
এক মাসের ব্যবধানে মাথা উঁচু করে দাঁড়ায় নতুন পাকা ঘরটি। 

গত ৫ আগস্ট চাটমোহর উপজেলার সদ্য বিদায়ী নির্বাহী কর্মকর্তা সৈকত ইসলাম প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার হিসেবে দেওয়া নতুন ঘরে অসহায় ওই পরিবারটিকে তুলে দেন। 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ছাইকোলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুজ্জামান নুরু, সাবেক চেয়ারম্যান
বোরহান উদ্দিন, যুগান্তর প্রতিনিধি পবিত্র তালুকদারসহ এলাকার সুধীজন।

নতুন ঘর পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্য দুই হাত তুলে দোয়া করে রওশন আরা বলেন, ‘অনেক কষ্টে ভাঙ্গা ঘরে বসবাস করতাম। বাইরে থেকে সব দেখা যেত। মেয়ে এবং আমি অন্যের
ঘরে গিয়ে জামা কাপড় পাল্টাতাম। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাদের ইজ্জত রক্ষা করলেন। এ ঋণ কখনো শোধ করতে পারব না। প্রধানমন্ত্রীর জন্য দোয়া করা ছাড়া আমাদের দেওয়ার মতো কিছু নাই।’

সদ্য বিদায়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সৈকত ইসলাম যুগান্তরকে জানান, পরিবারটি খুব কষ্টে বসবাস করতো। তবে প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে দেওয়া নতুন ঘরে তুলে দেওয়ার সময় তারা যে কী খুশি হয়েছে সেটা বলে বোঝানো যাবে না।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন