একদিনের ব্যবধানে তালাক ছাড়াই মেয়েকে দ্বিতীয় বিয়ে দিলেন শিক্ষক!
jugantor
একদিনের ব্যবধানে তালাক ছাড়াই মেয়েকে দ্বিতীয় বিয়ে দিলেন শিক্ষক!

  গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি  

১৮ আগস্ট ২০২২, ১৫:৫৭:০৩  |  অনলাইন সংস্করণ

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় প্রেমিককে গোপনে বিয়ে করার দুদিন পর পছন্দের পাত্রের সঙ্গে তালাক ছাড়াই আবারও জোর করে অনার্স পড়ুয়া মেয়েকে বিয়ে দিলেন এক মাদ্রাসাশিক্ষক।

ঘটনাটি ঘটেছে টুঙ্গিপাড়া উপজেলার বর্নি ইউনিয়নের গজালিয়া গ্রামে।

এদিকে প্রথম স্বামীর সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ না করিয়ে মেয়েকে নিজের পছন্দের পাত্রের সঙ্গে বিয়ে দেওয়ায় এলাকায় শুরু হয়েছে আলোচনা-সমালোচনার ঝড়।

জানা যায়, বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার কাশিপুর গ্রামের তাজমুল শিকদারের ছেলে ইমন শিকদারের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল টুঙ্গিপাড়ার গজালিয়া গ্রামের আবু জাফর মোহাম্মদ সালেহর মেয়ে তামান্নার। গত ১১ আগস্ট পাটগাতী কাজী অফিসে ইসলামি শরিয়া মোতাবেক কলেমা পড়ে ও সরকারি রেজিস্টার খাতায় স্বাক্ষর করে তারা দুজন বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন।

এ বিষয়টি জানাজানি হলে ১৩ আগস্ট বিকালে তামান্নার পিতা গজালিয়া মহিলা আলিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আবু জাফর ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। এর পর কোটালীপাড়া উপজেলার চুরখুলি গ্রামের শরাফাত খানের বড় ছেলে জুয়েল খানের সঙ্গে মেয়েকে পুনরায় বিয়ে দেন তিনি।

গোপালগঞ্জ ইসলামিক ফাউন্ডেশনের শিক্ষক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, একজন মাদ্রাসার অধ্যক্ষ তার মেয়ের প্রথম স্বামীর সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ না ঘটিয়ে কীভাবে দ্বিতীয় বিয়ে দেন? শরিয়া অনুযায়ী এ ধরনের বিবাহকে বৈধ বলা যায় না।

তামান্নার স্বামী ইমন শিকদার বলেন, আমরা ইসলামী শরিয়া মোতাবেক কালেমা পড়ে কাজির সামনে সাক্ষী রেখে দুই লাখ ৩০ হাজার টাকা দেনমোহরে দুজনে বিয়ে করি। এ ঘটনাটি জানার পর মেয়ের বাবা ক্ষুব্ধ হয়ে দুদিন পর জোর করে মেয়েকে কোটালীপাড়ায় বিয়ে দেয়। বর্তমানে আমার স্ত্রী তামান্নার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছি না। এ ছাড়া ওর বাবা স্থানীয় কিছু লোকদের দিয়ে আমাকে ভয় দেখাচ্ছে। ওই এলাকায় গেলে আমাকে মেরে ফেলবে। আমি আমার স্ত্রীকে ফেরত পেতে প্রশাসনসহ সবার সহযোগিতা চাই।

এ বিষয়ে তামান্নার বাবার সঙ্গে মোবাইলে যোগাযোগের চেষ্টা করলে সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে কলটি কেটে দিয়ে তিনি মোবাইল ফোন বন্ধ করে দেন।

টুঙ্গিপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আল মামুন বলেন, বিষয়টি আপনাদের মাধ্যমে জানতে পারলাম। এ ব্যাপারে খোঁজ নিয়ে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

একদিনের ব্যবধানে তালাক ছাড়াই মেয়েকে দ্বিতীয় বিয়ে দিলেন শিক্ষক!

 গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি 
১৮ আগস্ট ২০২২, ০৩:৫৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় প্রেমিককে গোপনে বিয়ে করার দুদিন পর পছন্দের পাত্রের সঙ্গে তালাক ছাড়াই আবারও জোর করে অনার্স পড়ুয়া মেয়েকে বিয়ে দিলেন এক মাদ্রাসাশিক্ষক।

ঘটনাটি ঘটেছে টুঙ্গিপাড়া উপজেলার বর্নি ইউনিয়নের গজালিয়া গ্রামে। 

এদিকে প্রথম স্বামীর সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ না করিয়ে মেয়েকে নিজের পছন্দের পাত্রের সঙ্গে বিয়ে দেওয়ায় এলাকায় শুরু হয়েছে আলোচনা-সমালোচনার ঝড়।

জানা যায়, বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার কাশিপুর গ্রামের তাজমুল শিকদারের ছেলে ইমন শিকদারের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল টুঙ্গিপাড়ার গজালিয়া গ্রামের আবু জাফর মোহাম্মদ সালেহর মেয়ে তামান্নার। গত ১১ আগস্ট পাটগাতী কাজী অফিসে ইসলামি শরিয়া মোতাবেক কলেমা পড়ে ও সরকারি রেজিস্টার খাতায় স্বাক্ষর করে তারা দুজন বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন।

এ বিষয়টি জানাজানি হলে ১৩ আগস্ট বিকালে তামান্নার পিতা গজালিয়া মহিলা আলিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আবু জাফর ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। এর পর কোটালীপাড়া উপজেলার চুরখুলি গ্রামের শরাফাত খানের বড় ছেলে জুয়েল খানের সঙ্গে মেয়েকে পুনরায় বিয়ে দেন তিনি। 

গোপালগঞ্জ ইসলামিক ফাউন্ডেশনের শিক্ষক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, একজন মাদ্রাসার অধ্যক্ষ তার মেয়ের প্রথম স্বামীর সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ না ঘটিয়ে কীভাবে দ্বিতীয় বিয়ে দেন? শরিয়া অনুযায়ী এ ধরনের বিবাহকে বৈধ বলা যায় না।

তামান্নার স্বামী ইমন শিকদার বলেন, আমরা ইসলামী শরিয়া মোতাবেক কালেমা পড়ে কাজির সামনে সাক্ষী রেখে দুই লাখ ৩০ হাজার টাকা দেনমোহরে দুজনে বিয়ে করি। এ ঘটনাটি জানার পর মেয়ের বাবা ক্ষুব্ধ হয়ে দুদিন পর জোর করে মেয়েকে কোটালীপাড়ায় বিয়ে দেয়। বর্তমানে আমার স্ত্রী তামান্নার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছি না। এ ছাড়া ওর বাবা স্থানীয় কিছু লোকদের দিয়ে আমাকে ভয় দেখাচ্ছে। ওই এলাকায় গেলে আমাকে মেরে ফেলবে। আমি আমার স্ত্রীকে ফেরত পেতে প্রশাসনসহ সবার সহযোগিতা চাই। 

এ বিষয়ে তামান্নার বাবার সঙ্গে মোবাইলে যোগাযোগের চেষ্টা করলে সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে কলটি কেটে দিয়ে তিনি মোবাইল ফোন বন্ধ করে দেন। 

টুঙ্গিপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আল মামুন বলেন, বিষয়টি আপনাদের মাধ্যমে জানতে পারলাম। এ ব্যাপারে খোঁজ নিয়ে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন