পরকীয়ার অভিযোগে গৃহবধূকে জুতাপেটা, অপমানে আত্মহত্যা
jugantor
পরকীয়ার অভিযোগে গৃহবধূকে জুতাপেটা, অপমানে আত্মহত্যা

  ধামরাই (ঢাকা) প্রতিনিধি  

১৯ আগস্ট ২০২২, ২২:১৭:৪৫  |  অনলাইন সংস্করণ

প্রতীকী ছবি

ঢাকার ধামরাইয়ে পরকীয়ার অভিযোগে এক গৃহবধূকে জুতাপেটা করেছে তার স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন। এ ঘটনায় অপমানে ওই নারী আত্মহত্যা করেছেন। শুক্রবার সকালে উপজেলার বালিয়া ইউনিয়নের ইন্দরা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা য়ায়, ইন্দরা গ্রামের মৃত আনোয়ার হোসেনের ছেলে মোহাম্মদ কামাল হোসেন তিন বছর আগে টাঙ্গাইলের নাগরপুরের আরিফুল ইসলামের মেয়ে আফরোজা আক্তারকে বিয়ে করেন। তাদের দেড় বছরের একটি কন্যাসন্তান রয়েছে। কামাল হোসেন ঢাকার একটি মাদ্রাসায় শিক্ষকতা ও ইমামতি করেন। চাকরির সুবাদে তিনি ঢাকায় থাকলেও স্ত্রী-সন্তান বাড়িতে রাখতেন।

শ্বশুরবাড়ির লোকজনের অভিযোগ, গৃহবধূ আফরোজার সঙ্গে প্রতিবেশী পিয়ার আলীর ছেলে গোলাম মোস্তফার পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে। বুধবার রাতে দুজনকে আপত্তিকর অবস্থায় আটক করা হয়। খবর পেয়ে বৃহস্পতিবার সকালে আফরোজার মা ও আত্মীয় স্বজনরা তার শ্বশুরবাড়িতে আসেন। অপরদিকে গৃহবধূর স্বামী কামালও ঢাকা থেকে বাড়িতে আসেন।

এরপর সবার সামনে স্ত্রীকে জুতাপেটা করেন কামাল। কামালের বোন নুরজাহানও তাকে মারধর করেন। এরপর বাথরুমে যাওয়ার কথা বলে টিউবওয়েলের পাড়ে গিয়ে আয়রন পাউডার সেবন করেন আফরোজা।

এ সময় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পথেই মারা যান। তার লাশ ময়নাতদন্তের জন্য রাজধানীর হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

এ ঘটনায় থানায় প্রাথমিকভাবে একটি অপমৃত্যু মামলা করা হয়েছে।

কাওয়ালীপাড়া তদন্ত কেন্দ্রের এসআই নিউটন মৃধা বলেন, আপাতত অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। মেডিকেল রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পরকীয়ার অভিযোগে গৃহবধূকে জুতাপেটা, অপমানে আত্মহত্যা

 ধামরাই (ঢাকা) প্রতিনিধি 
১৯ আগস্ট ২০২২, ১০:১৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
প্রতীকী ছবি
প্রতীকী ছবি

ঢাকার ধামরাইয়ে পরকীয়ার অভিযোগে এক গৃহবধূকে জুতাপেটা করেছে তার স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন। এ ঘটনায় অপমানে ওই নারী আত্মহত্যা করেছেন। শুক্রবার সকালে উপজেলার বালিয়া ইউনিয়নের ইন্দরা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।  

এলাকাবাসী সূত্রে জানা য়ায়, ইন্দরা গ্রামের মৃত আনোয়ার হোসেনের ছেলে মোহাম্মদ কামাল হোসেন তিন বছর আগে টাঙ্গাইলের নাগরপুরের আরিফুল ইসলামের মেয়ে আফরোজা আক্তারকে বিয়ে করেন। তাদের দেড় বছরের একটি কন্যাসন্তান রয়েছে। কামাল হোসেন ঢাকার একটি মাদ্রাসায় শিক্ষকতা ও ইমামতি করেন। চাকরির সুবাদে তিনি ঢাকায় থাকলেও স্ত্রী-সন্তান বাড়িতে রাখতেন। 

শ্বশুরবাড়ির লোকজনের অভিযোগ, গৃহবধূ আফরোজার সঙ্গে প্রতিবেশী পিয়ার আলীর ছেলে গোলাম মোস্তফার পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে। বুধবার রাতে দুজনকে আপত্তিকর অবস্থায় আটক করা হয়। খবর পেয়ে বৃহস্পতিবার সকালে আফরোজার মা ও আত্মীয় স্বজনরা তার শ্বশুরবাড়িতে আসেন। অপরদিকে গৃহবধূর স্বামী কামালও ঢাকা থেকে বাড়িতে আসেন। 

এরপর সবার সামনে স্ত্রীকে জুতাপেটা করেন কামাল। কামালের বোন নুরজাহানও তাকে মারধর করেন। এরপর বাথরুমে যাওয়ার কথা বলে টিউবওয়েলের পাড়ে গিয়ে আয়রন পাউডার সেবন করেন আফরোজা। 

এ সময় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পথেই মারা যান। তার লাশ ময়নাতদন্তের জন্য রাজধানীর হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। 

এ ঘটনায় থানায় প্রাথমিকভাবে একটি অপমৃত্যু মামলা করা হয়েছে। 

কাওয়ালীপাড়া তদন্ত কেন্দ্রের এসআই নিউটন মৃধা বলেন, আপাতত অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। মেডিকেল রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন