গাজীপুরে রোহিঙ্গা স্ত্রীসহ স্বামী গ্রেফতার, শ্যালিকাকে খুঁজছে পুলিশ!
jugantor
গাজীপুরে রোহিঙ্গা স্ত্রীসহ স্বামী গ্রেফতার, শ্যালিকাকে খুঁজছে পুলিশ!

  পূবাইল ও পূর্বাচল প্রতিনিধি  

২০ আগস্ট ২০২২, ০১:৪৩:৪১  |  অনলাইন সংস্করণ

গাজীপুর মহানগরীর পূবাইল মেট্রোপলিটন থানার বসুগাঁও ক্লাব এলাকা থেকে ২৫০ পিস ইয়াবাসহ রোহিঙ্গা স্ত্রী মুন্নি (২৭) ও তার স্বামী স্থানীয় রেজাউল সরকারকে (৩১) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ইয়াবা সরবরাহকারী শ্যালিকা রোহিঙ্গা ছমিরা বেগমকে খুঁজছে পুলিশ।

শুক্রবার রাত ৯টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নগরীর ৪১নং ওয়ার্ডের বসুগাঁও ক্লাব এলাকা থেকে ওই মাদক কারবারি দম্পতিকে ইয়াবাসহ গ্রেফতার করে পূবাইল থানা পুলিশ।

রেজাউল সরকার একই এলাকার আবুল কাসেমের ছেলে। রোহিঙ্গা স্ত্রী মুন্নি চট্টগ্রামের টেকনাফ উপজেলার আবদুল জলিলের মেয়ে।

জানা যায়, ইয়াবা ব্যবসা করতে গিয়ে ৭ বছর আগে রোহিঙ্গা মুন্নির সঙ্গে পরিচয় হয় পূবাইলের রেজাউল সরকারের। ওই সুবাদেই তাদের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে রেজাউলের শ্যালিকা ছমিরা বেগম (২৫) ইয়াবার বড় বড় চালানের বেশিরভাগ গাজীপুর এলাকায় বিক্রির জন্য দুলাভাইকে সরবরাহ করতেন। সেই সুবাদে পূবাইলের বসুগাঁও এলাকাকে ইয়াবা ট্রানজিট হিসাবে ব্যবহার করতে থাকে ওই দম্পতি।

টেকনাফ থেকে ইয়াবা চালান শ্যালিকা ছমিরা বেগম নিয়া আসতেন ঢাকাসহ গাজীপুর মহানগরীর পূবাইলে। হোম ডেলিভারি দিতেন দুলাভাই রেজাউল।

প্রায় ২ বছর আগে শ্যালিকা-দুলাভাই ৩ হাজার ৮৪০ পিস ইয়াবাসহ পূবাইল থানা পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়। জামিনে মুক্তি পেয়ে আবারো ইয়াবা ব্যবসা চালাতে গিয়ে পুলিশের জালে আটকা পড়ে স্বামী স্ত্রী।

পূবাইল থানার পুলিশ পরিদর্শক (ভারপ্রাপ্ত) আতিকুর রহমান আতিক রোহিঙ্গা নারী ও তার স্বামীকে গ্রেফতারের সত্যতা নিশ্চিত করে যুগান্তরকে জানান, রোহিঙ্গা নারী ও তার স্বামীকে ইয়াবা চালানসহ গ্রেফতার করা হয়েছে। রেজাউলের শ্যালিকা ছমিরাকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

গাজীপুরে রোহিঙ্গা স্ত্রীসহ স্বামী গ্রেফতার, শ্যালিকাকে খুঁজছে পুলিশ!

 পূবাইল ও পূর্বাচল প্রতিনিধি 
২০ আগস্ট ২০২২, ০১:৪৩ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

গাজীপুর মহানগরীর পূবাইল মেট্রোপলিটন থানার বসুগাঁও ক্লাব এলাকা থেকে ২৫০ পিস ইয়াবাসহ রোহিঙ্গা স্ত্রী মুন্নি (২৭) ও তার স্বামী স্থানীয় রেজাউল সরকারকে (৩১) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ইয়াবা সরবরাহকারী শ্যালিকা রোহিঙ্গা ছমিরা বেগমকে খুঁজছে পুলিশ। 

শুক্রবার রাত ৯টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নগরীর ৪১নং ওয়ার্ডের বসুগাঁও ক্লাব এলাকা থেকে ওই মাদক কারবারি  দম্পতিকে ইয়াবাসহ গ্রেফতার করে পূবাইল থানা পুলিশ। 

রেজাউল সরকার একই এলাকার আবুল কাসেমের ছেলে। রোহিঙ্গা স্ত্রী মুন্নি চট্টগ্রামের টেকনাফ উপজেলার আবদুল জলিলের মেয়ে। 

জানা যায়, ইয়াবা ব্যবসা করতে গিয়ে ৭ বছর আগে রোহিঙ্গা  মুন্নির সঙ্গে পরিচয় হয় পূবাইলের রেজাউল সরকারের। ওই সুবাদেই তাদের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে রেজাউলের শ্যালিকা ছমিরা বেগম (২৫) ইয়াবার বড় বড় চালানের বেশিরভাগ গাজীপুর এলাকায় বিক্রির জন্য দুলাভাইকে সরবরাহ করতেন। সেই সুবাদে পূবাইলের বসুগাঁও এলাকাকে ইয়াবা ট্রানজিট হিসাবে ব্যবহার করতে থাকে ওই দম্পতি।

টেকনাফ থেকে ইয়াবা চালান শ্যালিকা ছমিরা বেগম নিয়া আসতেন ঢাকাসহ গাজীপুর মহানগরীর পূবাইলে। হোম ডেলিভারি দিতেন দুলাভাই রেজাউল।

প্রায় ২ বছর আগে শ্যালিকা-দুলাভাই ৩ হাজার ৮৪০ পিস ইয়াবাসহ পূবাইল থানা পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়। জামিনে মুক্তি পেয়ে আবারো ইয়াবা ব্যবসা চালাতে গিয়ে পুলিশের জালে আটকা পড়ে স্বামী স্ত্রী।

পূবাইল থানার পুলিশ পরিদর্শক (ভারপ্রাপ্ত) আতিকুর রহমান আতিক রোহিঙ্গা নারী ও তার স্বামীকে গ্রেফতারের সত্যতা নিশ্চিত করে যুগান্তরকে জানান, রোহিঙ্গা নারী ও তার স্বামীকে ইয়াবা চালানসহ গ্রেফতার করা হয়েছে। রেজাউলের শ্যালিকা ছমিরাকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন