প্রবাসীর স্ত্রীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার
jugantor
প্রবাসীর স্ত্রীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

  ফরিদপুর ব্যুরো  

২০ সেপ্টেম্বর ২০২২, ২১:০৭:১০  |  অনলাইন সংস্করণ

ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় জেবা আক্তার (২১) নামে এক প্রবাসীর স্ত্রীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার দুপুর আড়াইটার দিকে নিজ ঘর থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহত জেবা উপজেলার গট্টি ইউনিয়নের কাঁঠালবাড়িয়া গ্রামের খসরু মোল্যার মেয়ে ও একই গ্রামের প্রবাসী কামরুল ইসলামের স্ত্রী।

নিহতের বাবার বাড়ির লোকজনের দাবি, তাকে হত্যা করে ঝুলিয়ে রেখেছে শ্বশুরবাড়ির লোকজন। আর শ্বশুরবাড়ির লোকজনের দাবি, তিনি আত্মহত্যা করেছেন; কিন্তু কী কারণে আত্মহত্যা করেছেন তার সঠিক কোনো উত্তর দিতে পারেননি কেউ।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, দুই বছর আগে কাঁঠালবাড়িয়া গ্রামের সোবহান মণ্ডলের ছেলে কামরুলের সঙ্গে জেবা আক্তারের পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। বিয়ের এক বছর পর তার স্বামী সংযুক্ত আরব আমিরাত চলে যান। এখনো তিনি সেখানেই আছেন। জেবা-কামরুল দম্পতির কারিমা নামে ৯ মাস বয়সী কন্যাসন্তান আছে।

নিহত জেবার চাচা তানভির মোল্যা বলেন, খবর পেয়ে আমরা গিয়ে দেখি ঘরের আড়ার সঙ্গে আমার ভাতিজি জেবার লাশ ঝুলে আছে। আমাদের দাবি, তাকে হত্যা করে মরদেহ শ্বশুরবাড়ির লোকজন ঝুলিয়ে রেখেছে। আমরা এ ঘটনায় হত্যা মামলা করব।

তবে নিহত জেবার ভাসুর শাহআলম মণ্ডল বলেন, আমার ছোট ভাইয়ের স্ত্রী জেবা গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। কী কারণে আত্মহত্যা করলেন এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, আমি জানি না। তবে তার সঙ্গে কারো ঝগড়াও হয়নি।

এ বিষয়ে সালথা থানার এসআই আওলাদ হোসেন বলেন, খবর পেয়ে ওই গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। ওই প্রতিবেদন আসার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

প্রবাসীর স্ত্রীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

 ফরিদপুর ব্যুরো 
২০ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৯:০৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় জেবা আক্তার (২১) নামে এক প্রবাসীর স্ত্রীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার দুপুর আড়াইটার দিকে নিজ ঘর থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহত জেবা উপজেলার গট্টি ইউনিয়নের কাঁঠালবাড়িয়া গ্রামের খসরু মোল্যার মেয়ে ও একই গ্রামের প্রবাসী কামরুল ইসলামের স্ত্রী।

নিহতের বাবার বাড়ির লোকজনের দাবি, তাকে হত্যা করে ঝুলিয়ে রেখেছে শ্বশুরবাড়ির লোকজন। আর শ্বশুরবাড়ির লোকজনের দাবি, তিনি আত্মহত্যা করেছেন; কিন্তু কী কারণে আত্মহত্যা করেছেন তার সঠিক কোনো উত্তর দিতে পারেননি কেউ।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, দুই বছর আগে কাঁঠালবাড়িয়া গ্রামের সোবহান মণ্ডলের ছেলে কামরুলের সঙ্গে জেবা আক্তারের পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। বিয়ের এক বছর পর তার স্বামী সংযুক্ত আরব আমিরাত চলে যান। এখনো তিনি সেখানেই আছেন। জেবা-কামরুল দম্পতির কারিমা নামে ৯ মাস বয়সী কন্যাসন্তান আছে।

নিহত জেবার চাচা তানভির মোল্যা বলেন, খবর পেয়ে আমরা গিয়ে দেখি ঘরের আড়ার সঙ্গে আমার ভাতিজি জেবার লাশ ঝুলে আছে। আমাদের দাবি, তাকে হত্যা করে মরদেহ শ্বশুরবাড়ির লোকজন ঝুলিয়ে রেখেছে। আমরা এ ঘটনায় হত্যা মামলা করব।

তবে নিহত জেবার ভাসুর শাহআলম মণ্ডল বলেন, আমার ছোট ভাইয়ের স্ত্রী জেবা গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। কী কারণে আত্মহত্যা করলেন এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, আমি জানি না। তবে তার সঙ্গে কারো ঝগড়াও হয়নি।

এ বিষয়ে সালথা থানার এসআই আওলাদ হোসেন বলেন, খবর পেয়ে ওই গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। ওই প্রতিবেদন আসার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন