দুই বৌদি-ভাতিজির মরদেহ সৎকার করে জয়া-জুঁথির অপেক্ষায় গোপাল
jugantor
দুই বৌদি-ভাতিজির মরদেহ সৎকার করে জয়া-জুঁথির অপেক্ষায় গোপাল

  মাহবুব রহমান, রংপুর ব্যুরো  

২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০২:১০:১০  |  অনলাইন সংস্করণ

পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার মাড়েয়া ফুটকিবাড়ি শিকারপুর এলাকার বাসিন্দা গোপাল চন্দ্র। মাড়েয়া আউলিয়া ঘাটে করতোয়া নদীতে নৌকাডুবির ঘটনায় তার দুই ভাইয়ের স্ত্রী ও তিন ভাতিজিকে হারিয়েছেন।

ইতোমধ্যে বড়ভাই হেমন্তের স্ত্রী কবিতা রানী (৩৫), সেজো ভাই বাসুদেবের স্ত্রী রুপালী রানী (৩০) ও ভাতিজি শ্যামলীর (১২) মরদেহ খুঁজে পেয়ে সৎকার করেছেন। এখন তিন বছরের ভাতিজি জয়া ও চার বছরের ভাতিজি জুঁথির খোঁজে করতোয়ার পাড়ে ছুটে এসেছেন গোপাল। তবে এখনো তাদের খোঁজ পাননি।

একসঙ্গে পরিবারের পাঁচ সদস্যকে হারিয়ে দিশেহারা গোপালের পরিবার।

গোপাল চন্দ্রের ভাষ্যমতে, সেদিন বৌদিরা আর বাচ্চাগুলা খুব আনন্দে বাড়ি থেকে বের হইছিল। কে জানে এমনটা হবে। দুই দিন দুই রাত অপেক্ষা করেও এখনো ভাতিজি দুইটার লাশ খুঁজে পাইনি। আজকের দিনটিও চলে যাচ্ছে। বাড়ির লোকজনের অবস্থা বেশি ভালো না। ভাই বারবার বেহুঁশ হয়ে যাচ্ছেন। ভাই তো এখানে আসতেও পারে না। তাই আমাকেই থাকতে হবে, শেষ পর্যন্ত থাকব। যেভাবে হোক ভাতিজি দুইটার লাশ খুঁজে দিন। দুই বৌদি আর এক ভাতিজির মরদেহ চিতায় দিয়ে এসেছি।

দুই বৌদি-ভাতিজির মরদেহ সৎকার করে জয়া-জুঁথির অপেক্ষায় গোপাল

 মাহবুব রহমান, রংপুর ব্যুরো 
২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০২:১০ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার মাড়েয়া ফুটকিবাড়ি শিকারপুর এলাকার বাসিন্দা গোপাল চন্দ্র। মাড়েয়া আউলিয়া ঘাটে করতোয়া নদীতে নৌকাডুবির ঘটনায় তার দুই ভাইয়ের স্ত্রী ও তিন ভাতিজিকে হারিয়েছেন। 

ইতোমধ্যে বড়ভাই হেমন্তের স্ত্রী কবিতা রানী (৩৫), সেজো ভাই বাসুদেবের স্ত্রী রুপালী রানী (৩০) ও ভাতিজি শ্যামলীর (১২) মরদেহ খুঁজে পেয়ে সৎকার করেছেন। এখন তিন বছরের ভাতিজি জয়া ও চার বছরের ভাতিজি জুঁথির খোঁজে করতোয়ার পাড়ে  ছুটে এসেছেন গোপাল। তবে এখনো তাদের খোঁজ পাননি।

একসঙ্গে পরিবারের পাঁচ সদস্যকে হারিয়ে দিশেহারা গোপালের পরিবার।

গোপাল চন্দ্রের ভাষ্যমতে, সেদিন বৌদিরা আর বাচ্চাগুলা খুব আনন্দে বাড়ি থেকে বের হইছিল। কে জানে এমনটা হবে। দুই দিন দুই রাত অপেক্ষা করেও এখনো ভাতিজি দুইটার লাশ খুঁজে পাইনি। আজকের দিনটিও চলে যাচ্ছে। বাড়ির লোকজনের অবস্থা বেশি ভালো না। ভাই বারবার বেহুঁশ হয়ে যাচ্ছেন। ভাই তো এখানে আসতেও পারে না। তাই আমাকেই থাকতে হবে, শেষ পর্যন্ত থাকব। যেভাবে হোক ভাতিজি দুইটার লাশ খুঁজে দিন। দুই বৌদি আর এক ভাতিজির মরদেহ চিতায় দিয়ে এসেছি। 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন