গরু বেচার টাকা নিয়েও চাকরি দিলেন না শিক্ষক!
jugantor
গরু বেচার টাকা নিয়েও চাকরি দিলেন না শিক্ষক!

  দশমিনা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি  

২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২, ২২:০৩:০১  |  অনলাইন সংস্করণ

পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার আলীপুরা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. সাইদুর রহমানের বিরুদ্ধে কর্মচারী নিয়োগে মোটা অংকের অর্থ বাণিজ্য করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। জমি ও গরু বেচার টাকা নিয়েও চাকরি দেননি এক যুবককে।

এ ঘটনায় রোববার ইউএনও বরাবরে ভুক্তভোগী মো. রুবলে হোসেন ও রুস্তুম আলী সিকদার নামে পৃথক ২ ব্যক্তি লিখিত অভিযোগ করেছেন।

লিখিত অভিযোগসহ বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, চলতি মাসের ৯ সেপ্টেম্বর উপজেলার আলীপুরা ইউনিয়নের আলীপুরা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নিরাপত্তাকর্মী হিসেবে মো. সাইদুল,মো. তামিম হোসেনকে পরিচ্ছন্নাকর্মী, মো. খোকনকে নৈশপ্রহরী ও সাথী বেগমকে আয়া পদে নিয়োগ দেয়া হয়।

মো. রুবেল হোসেন নামে এক যুবক ইউএনও বরাবরে লিখিত অভিযোগে বলেন, ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. সাইদুর রহমান তাকে পরিচ্ছন্নতাকর্মী হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার কথা বলে ৩ মাস আগে তার থেকে লোকজনের উপস্থিতিতে গরু ও জমি বেচা ৮ লাখ টাকা নেন। পরে তাকে নিয়োগ না দিয়ে অন্য এক যুবকের থেকে ফের টাকা নিয়ে তাকে পরিচ্ছন্নতাকর্মী হিসেবে নিয়োগ দেন।

অন্যদিকে, মো. রুস্তুম আলী নামে একজন ইউএনওকে লিখিত অভিযোগে জানান, তার ছেলে মো. কামরুল ইসলাম ওই বিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষের অবহেলায় গেটের কাজ করতে গিয়ে মারা যান। ওই সময় জানাজার নামাজে উপস্থিত স্থানীয় সরকারদলীয় নেতাসহ লোকজনের উপস্থিতিতে তার ছোট ছেলেকে বিদ্যালয়ে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ নিরাপত্তাকর্মীর চাকরি দেয়ার আশ্বাস দিলে তিনি থানার অভিযোগ তুলে নেন। কিন্তু পরে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. সাইদুর রহমান ও সভাপতি জহিরুল মুন্সি নামসর্বস্ব পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে মোটা অংকের টাকা বিনিময়ে রাতের আঁধারে বিভিন্ন পদে নিয়োগ দেন বলে লিখিত অভিযোগ বলেন তিনি।

অভিযোগের বিষয় প্রধান শিক্ষক মো. সাইদুর রহমান বলেন, দাবি করা অভিযোগ সত্য নয়। তারা মিথ্যা অভিযোগ করেছেন।

দশমিনা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মহিউদ্দিন আল হেলাল যুগান্তরকে বলেন, তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

গরু বেচার টাকা নিয়েও চাকরি দিলেন না শিক্ষক!

 দশমিনা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি 
২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১০:০৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার আলীপুরা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. সাইদুর রহমানের বিরুদ্ধে কর্মচারী নিয়োগে মোটা অংকের অর্থ বাণিজ্য করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। জমি ও গরু বেচার টাকা নিয়েও চাকরি দেননি এক যুবককে।

এ ঘটনায় রোববার ইউএনও বরাবরে ভুক্তভোগী মো. রুবলে হোসেন ও রুস্তুম আলী সিকদার নামে পৃথক ২ ব্যক্তি লিখিত অভিযোগ করেছেন।

লিখিত অভিযোগসহ বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, চলতি মাসের ৯ সেপ্টেম্বর উপজেলার আলীপুরা ইউনিয়নের আলীপুরা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নিরাপত্তাকর্মী হিসেবে মো. সাইদুল,মো. তামিম হোসেনকে পরিচ্ছন্নাকর্মী, মো. খোকনকে নৈশপ্রহরী ও সাথী বেগমকে আয়া পদে নিয়োগ দেয়া হয়।

মো. রুবেল হোসেন নামে এক যুবক ইউএনও বরাবরে লিখিত অভিযোগে বলেন, ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. সাইদুর রহমান তাকে পরিচ্ছন্নতাকর্মী হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার কথা বলে ৩ মাস আগে তার থেকে লোকজনের উপস্থিতিতে গরু ও জমি বেচা ৮ লাখ টাকা নেন। পরে তাকে নিয়োগ না দিয়ে অন্য এক যুবকের থেকে ফের টাকা নিয়ে তাকে পরিচ্ছন্নতাকর্মী হিসেবে নিয়োগ দেন।

অন্যদিকে, মো. রুস্তুম আলী নামে একজন ইউএনওকে লিখিত অভিযোগে জানান, তার ছেলে মো. কামরুল ইসলাম ওই বিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষের অবহেলায় গেটের কাজ করতে গিয়ে মারা যান। ওই সময় জানাজার নামাজে উপস্থিত স্থানীয় সরকারদলীয় নেতাসহ লোকজনের উপস্থিতিতে তার ছোট ছেলেকে বিদ্যালয়ে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ নিরাপত্তাকর্মীর চাকরি দেয়ার আশ্বাস দিলে তিনি থানার অভিযোগ তুলে নেন। কিন্তু পরে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. সাইদুর রহমান ও সভাপতি জহিরুল মুন্সি নামসর্বস্ব পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে মোটা অংকের টাকা বিনিময়ে রাতের আঁধারে বিভিন্ন পদে নিয়োগ দেন বলে লিখিত অভিযোগ বলেন তিনি।

অভিযোগের বিষয় প্রধান শিক্ষক মো. সাইদুর রহমান বলেন, দাবি করা অভিযোগ সত্য নয়। তারা মিথ্যা অভিযোগ করেছেন।

দশমিনা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মহিউদ্দিন আল হেলাল যুগান্তরকে বলেন, তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন