মেয়েকে বিয়ে দিতে বাবার যত ফন্দি
jugantor
মেয়েকে বিয়ে দিতে বাবার যত ফন্দি

  বিরামপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি  

২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২, ২২:১৯:০৭  |  অনলাইন সংস্করণ

মেয়েকে বিয়ে দিতে বাবার যত ফন্দি

নিজের নাবালিকা মেয়েকে সাবালিকা দেখিয়ে বিয়ে দেওয়ার নানা ফন্দিতে নেমেছে এক পিতা। তিনি একই মেয়ের ২টি জন্ম নিবন্ধন করতে গেলে বিষয়টি ধরা পড়েছে।

জানা গেছে, কিশোরীটি দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলার একটি স্কুলে ৮ম শ্রেণিতে পড়ে। সে পার্শ্ববর্তী নবাবগঞ্জ উপজেলার ভাদুরিয়া এলাকার আমেরিকা প্রবাসী আবু তাহের মো. জরজিস আলমের ছেলে ইশরাক জাহিম আল আমিনের সঙ্গে ফেসবুকের মাধ্যমে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে। আমেরিকা প্রবাসী ইশরাক জাহিম আল আমিন ওই মেয়েকে বিয়ে করতে আগ্রহী হয়ে ওঠে। কিন্তু বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে মেয়ের বয়স।

স্কুলে জমা দেওয়া জন্ম নিবন্ধনের তথ্য অনুযায়ী ওই মেয়ের বয়স এখন মাত্র ১৪ বছর। ১৮ বছর না হলে বিয়ে দেওয়া সম্ভব না হওয়ায় ওই মেয়ের পিতা হাকিমপুর উপজেলার বাসিন্দা কাগজ কলমে মেয়ের বয়স বাড়ানোর নানা ফন্দি ফিকিরে নেমে পড়েন।

কিশোরীটির পিতার অপতৎপরতা হিসাবে সংশ্লিষ্ট খট্টামাধবপাড়া ইউনিয়ন পরিষদে একই মেয়ের পৃথক নাম দিয়ে এবং বয়স বাড়িয়ে নতুনভাবে জন্ম নিবন্ধন নেওয়ার আবেদন করেন। নাবালিকা মেয়েকে সাবালিকা সাজিয়ে বিয়ে দেওয়া সংক্রান্ত বিষয়টি প্রকাশ হয়ে পড়লে ইউপি চেয়ারম্যান বয়স বাড়িয়ে জন্ম নিবন্ধন দেওয়ার আবেদনটি বাতিল করে দেন।

নাবালিকা মেয়ের পিতা জানান, প্রবাসী ছেলে বিয়ে করতে চাওয়ায় তিনি ভিন্ন নামে মেয়ের বয়স বাড়ানোর চেষ্টা করছেন। তবে তিনি এফিডেভিটের মাধ্যমে হলেও মেয়ের বয়স বাড়িয়ে নেওয়ার চেষ্টা করবেন।

খট্টামাধবপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান কাওসার হোসেন জানান, একই মেয়ের দুই নাম ব্যবহার করে প্রতারণা মূলক বয়স বাড়িয়ে জন্ম নিবন্ধন নেওয়ার আবেদনটি বাতিল করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতে এমন প্রতারণা না করার জন্য তাকে সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, নাবালিকা মেয়ের বয়স বাড়িয়ে বিয়ে দেওয়ার চেষ্টা গুরুত্বর অপরাধ। কোনোভাবে তিনি এ কাজ করলে আইনি জটিলতায় পড়তে পারেন।

মেয়েকে বিয়ে দিতে বাবার যত ফন্দি

 বিরামপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি 
২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১০:১৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
মেয়েকে বিয়ে দিতে বাবার যত ফন্দি
প্রতীকী ছবি

নিজের নাবালিকা মেয়েকে সাবালিকা দেখিয়ে বিয়ে দেওয়ার নানা ফন্দিতে নেমেছে এক পিতা। তিনি একই মেয়ের ২টি জন্ম নিবন্ধন করতে গেলে বিষয়টি ধরা পড়েছে।

জানা গেছে, কিশোরীটি দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলার একটি স্কুলে ৮ম শ্রেণিতে পড়ে। সে পার্শ্ববর্তী নবাবগঞ্জ উপজেলার ভাদুরিয়া এলাকার আমেরিকা প্রবাসী আবু তাহের মো. জরজিস আলমের ছেলে ইশরাক জাহিম আল আমিনের সঙ্গে ফেসবুকের মাধ্যমে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে। আমেরিকা প্রবাসী ইশরাক জাহিম আল আমিন ওই মেয়েকে বিয়ে করতে আগ্রহী হয়ে ওঠে। কিন্তু বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে মেয়ের বয়স।

স্কুলে জমা দেওয়া জন্ম নিবন্ধনের তথ্য অনুযায়ী ওই মেয়ের বয়স এখন মাত্র ১৪ বছর। ১৮ বছর না হলে বিয়ে দেওয়া সম্ভব না হওয়ায় ওই মেয়ের পিতা হাকিমপুর উপজেলার বাসিন্দা কাগজ কলমে মেয়ের বয়স বাড়ানোর নানা ফন্দি ফিকিরে নেমে পড়েন।

কিশোরীটির পিতার অপতৎপরতা হিসাবে সংশ্লিষ্ট খট্টামাধবপাড়া ইউনিয়ন পরিষদে একই মেয়ের পৃথক নাম দিয়ে এবং বয়স বাড়িয়ে নতুনভাবে জন্ম নিবন্ধন নেওয়ার আবেদন করেন। নাবালিকা মেয়েকে সাবালিকা সাজিয়ে বিয়ে দেওয়া সংক্রান্ত বিষয়টি প্রকাশ হয়ে পড়লে ইউপি চেয়ারম্যান বয়স বাড়িয়ে জন্ম নিবন্ধন দেওয়ার আবেদনটি বাতিল করে দেন।

নাবালিকা মেয়ের পিতা জানান, প্রবাসী ছেলে বিয়ে করতে চাওয়ায় তিনি ভিন্ন নামে মেয়ের বয়স বাড়ানোর চেষ্টা করছেন। তবে তিনি এফিডেভিটের মাধ্যমে হলেও মেয়ের বয়স বাড়িয়ে নেওয়ার চেষ্টা করবেন।

খট্টামাধবপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান কাওসার হোসেন জানান, একই মেয়ের দুই নাম ব্যবহার করে প্রতারণা মূলক বয়স বাড়িয়ে জন্ম নিবন্ধন নেওয়ার আবেদনটি বাতিল করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতে এমন প্রতারণা না করার জন্য তাকে সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, নাবালিকা মেয়ের বয়স বাড়িয়ে বিয়ে দেওয়ার চেষ্টা গুরুত্বর অপরাধ। কোনোভাবে তিনি এ কাজ করলে আইনি জটিলতায় পড়তে পারেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন