পড়ানোর নামে স্কুলছাত্রীদের ধর্ষণ, শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ
jugantor
পড়ানোর নামে স্কুলছাত্রীদের ধর্ষণ, শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ

  রাজশাহী ব্যুরো  

২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০১:১৫:৪৮  |  অনলাইন সংস্করণ

রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে একাধিক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে শিক্ষক রফিকুল ইসলাম মোল্লার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেছে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও এলাকাবাসী।

এলাকাবাসীর অভিযোগ উপজেলার একটি উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলাম মোল্লা (৩৮) স্কুলের পাশে একটি ভবনের রুম ভাড়া নিয়ে ইংরেজি বিষয়ে প্রাইভেট পড়িয়ে আসছেন বেশ কিছুদিন ধরে। এই শিক্ষকের কাছে প্রাইভেট পড়তে আসা একাধিক ছাত্রীকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে ও বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তিনি ধর্ষণ করেছেন বলে লিখিত ও মৌখিকভাবে অভিযোগ ভুক্তভোগী ছাত্রীর অভিভাবকরা।

জানা গেছে, স্কুলের এক ছাত্রীর অভিভাবক স্কুল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতির কাছে কয়েকদিন আগে লিখিত একটি অভিযোগ দিয়েছেন। এই অভিযোগে শিক্ষক রফিকুল ইসলাম মোল্লার অপকর্মের বিভিন্ন ফিরিস্তি উঠে এসেছে।

কয়েকদিন আগে অভিভাবকদের অভিযোগ পেয়ে স্কুল ব্যবস্থাপনা কমিটি স্কুলে এক সমঝোতা বৈঠক করেন। এই বৈঠকে শিক্ষক রফিকুল ইসলাম মোল্লা ছাত্রীদের ধর্ষণের কথা স্বীকার করে নেন। অভিযুক্ত শিক্ষক ওই সময় অভিভাবকদের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেন।

স্কুলের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি এরফান আলী জানান, অভিযোগটি গুরুতর। শিক্ষক রফিকুল ইসলাম মোল্লা অভিভাবকদের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন তার অপকর্মের দায়ে। মুচলেকা দিয়েছেন এমন কাজ আর তিনি জীবনেও করবেন না বলে।

তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীর অভিভাবকরা আইনি পদক্ষেপ নিলে তিনি শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থাপনা নেবেন।

অন্যদিকে স্কুলের প্রধান শিক্ষক মজিবুর রহমান বলেন, স্কুলে অভিভাবকদের নিয়ে একটি সালিশ হয়েছিল কয়েকদিন আগে। সেখানে শিক্ষক রফিকুল ইসলাম মোল্লা নিজের দোষ স্বীকার করে ক্ষমা চেয়েছেন। তবে শিক্ষকের বিরুদ্ধে কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে পারেনি স্কুল কর্তৃপক্ষ। কারণ এখানে আইনি বিষয় জড়িয়ে আছে।

এদিকে বুধবার দুপুরে অভিযুক্ত শিক্ষক রফিকুল ইসলাম মোল্লার শাস্তির দাবিতে অভিভাবক ও স্থানীয় লোকজন প্রধান শিক্ষকের অফিস ঘেরাও করে বিক্ষোভ করেন। পরে প্রধান শিক্ষক মুজিবুর রহমান স্থানীয়দের আশ্বস্ত করে বলেন, অচিরেই অভিযুক্ত শিক্ষক রফিকুর ইসলাম মোল্লার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবেন কর্তৃপক্ষ। পাশাপাশি তিনি সংশ্লিষ্টদের আইনি পদক্ষেপ গ্রহণেরও পরামর্শ দেন।

অন্যদিকে অভিযুক্ত শিক্ষক রফিকুল মোল্লার সঙ্গে যোগাযোগের জন্য ফোন করা হলেও তিনি রিসিভ না করায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

গোদাগাড়ী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কামরুল ইসলাম বলেন, ঘটনা শুনেছি তবে কেউ থানায় অভিযোগ দেননি। ফলে তিনি কোনো আইনগত পদক্ষেপ নিতে পারেননি। এজাহার পাওয়া গেলে মামলা নিয়ে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

পড়ানোর নামে স্কুলছাত্রীদের ধর্ষণ, শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ

 রাজশাহী ব্যুরো 
২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০১:১৫ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে একাধিক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে শিক্ষক রফিকুল ইসলাম মোল্লার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেছে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও এলাকাবাসী।

এলাকাবাসীর অভিযোগ উপজেলার একটি উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলাম মোল্লা (৩৮) স্কুলের পাশে একটি ভবনের রুম ভাড়া নিয়ে ইংরেজি বিষয়ে প্রাইভেট পড়িয়ে আসছেন বেশ কিছুদিন ধরে। এই শিক্ষকের কাছে প্রাইভেট পড়তে আসা একাধিক ছাত্রীকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে ও বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তিনি ধর্ষণ করেছেন বলে লিখিত ও মৌখিকভাবে অভিযোগ ভুক্তভোগী ছাত্রীর অভিভাবকরা।

জানা গেছে, স্কুলের এক ছাত্রীর অভিভাবক স্কুল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতির কাছে কয়েকদিন আগে লিখিত একটি অভিযোগ দিয়েছেন। এই অভিযোগে শিক্ষক রফিকুল ইসলাম মোল্লার অপকর্মের বিভিন্ন ফিরিস্তি উঠে এসেছে।

কয়েকদিন আগে অভিভাবকদের অভিযোগ পেয়ে স্কুল ব্যবস্থাপনা কমিটি স্কুলে এক সমঝোতা বৈঠক করেন। এই বৈঠকে শিক্ষক রফিকুল ইসলাম মোল্লা ছাত্রীদের ধর্ষণের কথা স্বীকার করে নেন। অভিযুক্ত শিক্ষক ওই সময় অভিভাবকদের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেন।

স্কুলের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি এরফান আলী জানান, অভিযোগটি গুরুতর। শিক্ষক রফিকুল ইসলাম মোল্লা অভিভাবকদের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন তার অপকর্মের দায়ে। মুচলেকা দিয়েছেন এমন কাজ আর তিনি জীবনেও করবেন না বলে।

তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীর অভিভাবকরা আইনি পদক্ষেপ নিলে তিনি শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থাপনা নেবেন।

অন্যদিকে স্কুলের প্রধান শিক্ষক মজিবুর রহমান বলেন, স্কুলে অভিভাবকদের নিয়ে একটি সালিশ হয়েছিল কয়েকদিন আগে। সেখানে শিক্ষক রফিকুল ইসলাম মোল্লা নিজের দোষ স্বীকার করে ক্ষমা চেয়েছেন। তবে শিক্ষকের বিরুদ্ধে কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে পারেনি স্কুল কর্তৃপক্ষ। কারণ এখানে আইনি বিষয় জড়িয়ে আছে।

এদিকে বুধবার দুপুরে অভিযুক্ত শিক্ষক রফিকুল ইসলাম মোল্লার শাস্তির দাবিতে অভিভাবক ও স্থানীয় লোকজন প্রধান শিক্ষকের অফিস ঘেরাও করে বিক্ষোভ করেন। পরে প্রধান শিক্ষক মুজিবুর রহমান স্থানীয়দের আশ্বস্ত করে বলেন, অচিরেই অভিযুক্ত শিক্ষক রফিকুর ইসলাম মোল্লার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবেন কর্তৃপক্ষ। পাশাপাশি তিনি সংশ্লিষ্টদের আইনি পদক্ষেপ গ্রহণেরও পরামর্শ দেন।

অন্যদিকে অভিযুক্ত শিক্ষক রফিকুল মোল্লার সঙ্গে যোগাযোগের জন্য ফোন করা হলেও তিনি রিসিভ না করায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

গোদাগাড়ী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কামরুল ইসলাম বলেন, ঘটনা শুনেছি তবে কেউ থানায় অভিযোগ দেননি। ফলে তিনি কোনো আইনগত পদক্ষেপ নিতে পারেননি। এজাহার পাওয়া গেলে মামলা নিয়ে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন