সিলেট বিভাগে ২৭৩৩ মণ্ডপে দুর্গাপূজা, নিরাপত্তা জোরদার
jugantor
সিলেট বিভাগে ২৭৩৩ মণ্ডপে দুর্গাপূজা, নিরাপত্তা জোরদার

  সিলেট ব্যুরো  

২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০২:০৭:১০  |  অনলাইন সংস্করণ

সিলেট বিভাগজুড়ে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গোৎসব পালনের প্রস্তুতি এখন শেষ পর্যায়ে। মাটির কাজের পাশাপাশি চলছে সাজসজ্জার কাজও। রঙের আঁচড়ে দেবী দুর্গাকে সাজিয়ে তোলা হচ্ছে নানা রঙ।

পূজা ঘনিয়ে আসায় এখন রাত দিন ব্যস্ত সময় পার করছে মৃৎশিল্পীরা। পরশু শনিবার দেবীর বোধনের মধ্য দিয়ে শুরু হবে শারদীয় দুর্গোৎসব। আর ৫ অক্টোবর প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে উৎসব শেষ হবে।

নির্বিঘ্নে দুর্গাপূজা উদযাপনের জন্য প্রতিটি মণ্ডপ এলাকা ছাড়াও সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এর বাইরেও জেলা ও উপজেলা প্রশাসন অতিরিক্ত মনিটরিংয়ের ব্যবস্থা করেছে। জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে চালু করা হয়েছে হটলাইন।

এ বছর সিলেট বিভাগে পারিবারিক, বারোয়ারি ও সার্বজনীন পূজামণ্ডপ (স্থায়ী ও অস্থায়ী) ২ হাজার ৭৩৩টি। পুরো বিভাগে গত বছর থেকে এবার ১৪৯টি পূজা বেশি হবে। গত বছর ছিল সিলেট বিভাগে পূজা মণ্ডপ ছিল ২৫৮৪টি।

আর বিভাগের মধ্যে সবচেয়ে বেশি পূজা মৌলভীবাজার জেলায় ১ হাজার ৬টি। সিলেট মহানগর ও জেলায় ৬১১টি মণ্ডপে পূজার আয়োজন করা হয়েছে। তার মধ্যে সার্বজনীন ৫৬১টি, পারিবারিক ৫০টি পূজার আয়োজন হবে।

মহানগরীতে ১৫৪টি পূজার মধ্যে সার্বজনীন ১৩৫টি ও পারিবারিক ১৯টি। জেলায় ৪৫৭টি পূজার মধ্যে সার্বজনীন ৪২৬টি ও পারিবারিক ৩১টি। জেলায় ৪৫৭টি মণ্ডপের মধ্যে গোলাপগঞ্জ উপজেলায় ৬০টি, বালাগঞ্জ উপজেলায় ৩০টি, কানাইঘাট উপজেলায় ৩৫টি, জৈন্তাপুর উপজেলায় ২২টি, বিশ্বনাথ উপজেলায় ২৬টি, গোয়াইনঘাট উপজেলায় পূজা ৩৬টি, জকিগঞ্জ উপজেলায় ৯৯টি, বিয়ানীবাজার উপজেলায় ৫২টি, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় ২৬টি, ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলায় ৩৭টি এবং ওসমানীনগর উপজেলায় পূজা ৩৪টি মণ্ডপে পূজা অনুষ্ঠিত হবে।

এছাড়া মৌলভীবাজার জেলায় ১ হাজার ৬টি মণ্ডপের মধ্যে মৌলভীবাজার পৌরসভা ও সদর উপজেলায় ১০৯টি, শ্রীমঙ্গল উপজেলায় ১৬৭টি, বড়লেখা উপজেলায় ১৫১টি, জুড়ি উপজেলায় ৭২টি, রাজনগর উপজেলায় ১২৯টি, কমলগঞ্জ উপজেলায় ১৬০টি ও কুলাউড়া উপজেলায় সর্বোচ্চ ২১৮টি পূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

সুনামগঞ্জে এবার ৪২৪টি মণ্ডপে পূজার আয়োজন করা হয়েছে। এর মধ্যে সুনামগঞ্জ পৌরসভায় ২৬টি, সদর উপজেলায় ২৩টি, ছাতক পৌরসভায় ১২টি, ছাতক উপজেলায় ২২টি, জগন্নাথপুর পৌরসভায় ৬টি, জগন্নাথপুর উপজেলায় ৩৪টি, দিরাই পৌরসভায় ৭টি, দিরাই উপজেলায় ৬০টি, শান্তিগঞ্জ (দক্ষিণ সুনামগঞ্জ) উপজেলায় ২২টি, জামালগঞ্জ উপজেলায় ৪৯টি, বিশ্বম্ভরপুর উপজেলায় ৩০টি, শাল্লা উপজেলায় ৩৩টি, তাহিরপুর উপজেলায় ৩০টি, দোয়ারাবাজার উপজেলায় ১৯টি, ধর্মপাশা উপজেলায় ১৮টি ও মধ্যনগর উপজেলায় ৩৩টি।

হবিগঞ্জ জেলায় এবার ৬৯২টি পূজা মণ্ডপের মধ্যে হবিগঞ্জ পৌরসভায় ৩৭টি, সদর উপজেলায় ৪২টি, শায়েস্তাগঞ্জ পৌরসভায় ৯টি, শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলায় ১২টি, লাখাই উপজেলায় ৬৭টি, আজমিরীগঞ্জ পৌরসভায় ৮টি, আজমিরীগঞ্জ উপজেলায় ৩২টি, বানিয়াচং উপজেলায় ১২৬টি, চুনারুঘাট পৌরসভায় ১০টি, চুনারুঘাট উপজেলায় ৭৯টি, মাধবপুর পৌরসভায় ১৩টি, মাধবপুর উপজেলায় ১১১টি, বাহুবল উপজেলায় ৫২টি, নবীগঞ্জ পৌরসভায় ৭টি ও নবীগঞ্জ উপজেলায় ৮৭টি পূজার আয়োজন করা হয়েছে।

সিলেট বিভাগে ২৭৩৩ মণ্ডপে দুর্গাপূজা, নিরাপত্তা জোরদার

 সিলেট ব্যুরো 
২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০২:০৭ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

সিলেট বিভাগজুড়ে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গোৎসব পালনের প্রস্তুতি এখন শেষ পর্যায়ে। মাটির কাজের পাশাপাশি চলছে সাজসজ্জার কাজও। রঙের আঁচড়ে দেবী দুর্গাকে সাজিয়ে তোলা হচ্ছে নানা রঙ।

পূজা ঘনিয়ে আসায় এখন রাত দিন ব্যস্ত সময় পার করছে মৃৎশিল্পীরা। পরশু শনিবার দেবীর বোধনের মধ্য দিয়ে শুরু হবে শারদীয় দুর্গোৎসব। আর ৫ অক্টোবর প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে উৎসব শেষ হবে।

নির্বিঘ্নে দুর্গাপূজা উদযাপনের জন্য প্রতিটি মণ্ডপ এলাকা ছাড়াও সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এর বাইরেও জেলা ও উপজেলা প্রশাসন অতিরিক্ত মনিটরিংয়ের ব্যবস্থা করেছে। জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে চালু করা হয়েছে হটলাইন।

এ বছর সিলেট বিভাগে পারিবারিক, বারোয়ারি ও সার্বজনীন পূজামণ্ডপ (স্থায়ী ও অস্থায়ী) ২ হাজার ৭৩৩টি। পুরো বিভাগে গত বছর থেকে এবার ১৪৯টি পূজা বেশি হবে। গত বছর ছিল সিলেট বিভাগে পূজা মণ্ডপ ছিল ২৫৮৪টি।

আর বিভাগের মধ্যে সবচেয়ে বেশি পূজা মৌলভীবাজার জেলায় ১ হাজার ৬টি। সিলেট মহানগর ও জেলায় ৬১১টি মণ্ডপে পূজার আয়োজন করা হয়েছে। তার মধ্যে সার্বজনীন ৫৬১টি, পারিবারিক ৫০টি পূজার আয়োজন হবে।

মহানগরীতে ১৫৪টি পূজার মধ্যে সার্বজনীন ১৩৫টি ও পারিবারিক ১৯টি। জেলায় ৪৫৭টি পূজার মধ্যে সার্বজনীন ৪২৬টি ও পারিবারিক ৩১টি। জেলায় ৪৫৭টি মণ্ডপের মধ্যে গোলাপগঞ্জ উপজেলায় ৬০টি, বালাগঞ্জ উপজেলায় ৩০টি, কানাইঘাট উপজেলায় ৩৫টি, জৈন্তাপুর উপজেলায় ২২টি, বিশ্বনাথ উপজেলায় ২৬টি, গোয়াইনঘাট উপজেলায় পূজা ৩৬টি, জকিগঞ্জ উপজেলায় ৯৯টি, বিয়ানীবাজার উপজেলায় ৫২টি, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় ২৬টি, ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলায় ৩৭টি এবং ওসমানীনগর উপজেলায় পূজা ৩৪টি মণ্ডপে পূজা অনুষ্ঠিত হবে।

এছাড়া মৌলভীবাজার জেলায় ১ হাজার ৬টি মণ্ডপের মধ্যে মৌলভীবাজার পৌরসভা ও সদর উপজেলায় ১০৯টি, শ্রীমঙ্গল উপজেলায় ১৬৭টি, বড়লেখা উপজেলায় ১৫১টি, জুড়ি উপজেলায় ৭২টি, রাজনগর উপজেলায় ১২৯টি, কমলগঞ্জ উপজেলায় ১৬০টি ও কুলাউড়া উপজেলায় সর্বোচ্চ ২১৮টি পূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

সুনামগঞ্জে এবার ৪২৪টি মণ্ডপে পূজার আয়োজন করা হয়েছে। এর মধ্যে সুনামগঞ্জ পৌরসভায় ২৬টি, সদর উপজেলায় ২৩টি, ছাতক পৌরসভায় ১২টি, ছাতক উপজেলায় ২২টি, জগন্নাথপুর পৌরসভায় ৬টি, জগন্নাথপুর উপজেলায় ৩৪টি, দিরাই পৌরসভায় ৭টি, দিরাই উপজেলায় ৬০টি, শান্তিগঞ্জ (দক্ষিণ সুনামগঞ্জ) উপজেলায় ২২টি, জামালগঞ্জ উপজেলায় ৪৯টি, বিশ্বম্ভরপুর উপজেলায় ৩০টি, শাল্লা উপজেলায় ৩৩টি, তাহিরপুর উপজেলায় ৩০টি, দোয়ারাবাজার উপজেলায় ১৯টি, ধর্মপাশা উপজেলায় ১৮টি ও মধ্যনগর উপজেলায় ৩৩টি।

হবিগঞ্জ জেলায় এবার ৬৯২টি পূজা মণ্ডপের মধ্যে হবিগঞ্জ পৌরসভায় ৩৭টি, সদর উপজেলায় ৪২টি, শায়েস্তাগঞ্জ পৌরসভায় ৯টি, শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলায় ১২টি, লাখাই উপজেলায় ৬৭টি, আজমিরীগঞ্জ পৌরসভায় ৮টি, আজমিরীগঞ্জ উপজেলায় ৩২টি, বানিয়াচং উপজেলায় ১২৬টি, চুনারুঘাট পৌরসভায় ১০টি, চুনারুঘাট উপজেলায় ৭৯টি, মাধবপুর পৌরসভায় ১৩টি, মাধবপুর উপজেলায় ১১১টি, বাহুবল উপজেলায় ৫২টি, নবীগঞ্জ পৌরসভায় ৭টি ও নবীগঞ্জ উপজেলায় ৮৭টি পূজার আয়োজন করা হয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন