নলকূপের পানি পান করে অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী অসুস্থ
jugantor
নলকূপের পানি পান করে অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী অসুস্থ

  ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি  

২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০২:১০:১৩  |  অনলাইন সংস্করণ

ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর উপজেলার শিতলপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের নলকূপের পানি পান করে অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। বুধবার দুপুর ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হরিপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডা. আসাদুজ্জামান।

তিনি জানান, বিদ্যালয়ের পানি পান করার পর প্রথমে ৪ জন ও পরে আরও ৩ জন হাসপাতালে আসেন পেট ব্যথা ও বমির লক্ষণ নিয়ে। তাদের মাঝে ৩ জন বেশি অসুস্থ। এই ৭ জনের অসুস্থতা দেখে মনে হয়েছে নলকূপের পানিতে খুব বিষ জাতীয় কিছু মেশানো হয়নি। তবে ছত্রাকনাশক কোনো রাসায়নিক মিশ্রিত পানিপানে এ ধরনের লক্ষণ দেখা যেতে পারে।

হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার বলেন, আমরা পানি সংগ্রহ করেছি। তার নমুনা ঢাকা পাঠানো হবে পরীক্ষার জন্য। এই ৭ জনের বাইরে যারা এসেছেন তারা আতঙ্কিত হয়ে ভর্তি হয়েছেন। আমরা সবার চিকিৎসা দিচ্ছি। ৬০ জনই এখন শঙ্কামুক্ত।

নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী নাদিয়া বলেন, পিপাসা লাগলে কয়েকজন বান্ধবী মিলে পানি পান করি। টিউবওয়েলের পানি পান করার পর থেকে পেট ব্যথা করতে শুরু করে। ধীরে ধীরে ৩০ মিনিটের মধ্যে অসুস্থতা বোধ করি। তখন স্কুল থেকে ভ্যানে করে হাসপাতালে নেওয়া হয় আমাদের। পানি পান করে ষষ্ঠ শ্রেণির ৪ জন, সপ্তম শ্রেণির ৬ জন, অষ্টম শ্রেণির ১ জন, নবম শ্রেণির ২ জন ও দশম শ্রেণির ১ জনসহ প্রায় ৫০ জনের ও অধিক ছাত্রছাত্রী অসুস্থ হয়ে হরিপুর হাসপাতালে ভর্তি হয়।

বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আলতাফুর রহমান বলেন, স্কুলে পিটির পর এক ক্লাস শেষে ছাত্রীরা পানি করার পর এ ঘটনা ঘটে। সে সময় আমি স্কুলে ছিলাম না। স্কুলে ক্লাস বসিয়ে দিয়ে মেয়েকে পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছে দিতে গিয়েছিলাম। তিনি তদন্ত-পূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণের কথা বলেছেন প্রশাসনকে।

হরিপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার রাইহানুল ইসলাম মিঞা বলেন, স্কুলে টিউবওয়েলের পানি পান করে ৬ জনের মতো শিক্ষার্থী প্রথমে অসুস্থতার খবর পাওয়া যায়। স্কুল কর্তৃপক্ষকে টিউবওয়েলের পানি পান বন্ধে ব্যবস্থা নিতে বলেন এবং পুলিশকে জানাতে বলেন। তবে বর্তমানে হাসপাতালে ৩০ জনের মতো শিক্ষার্থী চিকিৎসা নিচ্ছেন। তাদের খোঁজ নিতে গিয়ে এবং চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলে জানতে পারেন তারা শঙ্কামুক্ত।

হরিপুর থানার ওসি তাজুল ইসলাম বলেন, ধারণা করা হচ্ছে বিদ্যালয়ের টিউবওয়েলে বিষ জাতীয় কিছু মেশানো হয়েছে। প্রধান শিক্ষক এমনটি জানিয়েছেন। আমরা ঘটনা তদন্ত করছি।

নলকূপের পানি পান করে অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী অসুস্থ

 ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি 
২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০২:১০ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর উপজেলার শিতলপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের নলকূপের পানি পান করে অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। বুধবার দুপুর ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হরিপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডা. আসাদুজ্জামান।

তিনি জানান, বিদ্যালয়ের পানি পান করার পর প্রথমে ৪ জন ও পরে আরও ৩ জন হাসপাতালে আসেন পেট ব্যথা ও বমির লক্ষণ নিয়ে। তাদের মাঝে ৩ জন বেশি অসুস্থ। এই ৭ জনের অসুস্থতা দেখে মনে হয়েছে নলকূপের পানিতে খুব বিষ জাতীয় কিছু মেশানো হয়নি। তবে ছত্রাকনাশক কোনো রাসায়নিক মিশ্রিত পানিপানে এ ধরনের লক্ষণ দেখা যেতে পারে। 

হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার বলেন, আমরা পানি সংগ্রহ করেছি। তার নমুনা ঢাকা পাঠানো হবে পরীক্ষার জন্য। এই ৭ জনের বাইরে যারা এসেছেন তারা আতঙ্কিত হয়ে ভর্তি হয়েছেন। আমরা সবার চিকিৎসা দিচ্ছি। ৬০ জনই এখন শঙ্কামুক্ত।  

নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী নাদিয়া বলেন, পিপাসা লাগলে কয়েকজন বান্ধবী মিলে পানি পান করি। টিউবওয়েলের পানি পান করার পর থেকে পেট ব্যথা করতে শুরু করে। ধীরে ধীরে ৩০ মিনিটের মধ্যে অসুস্থতা বোধ করি। তখন স্কুল থেকে ভ্যানে করে হাসপাতালে নেওয়া হয় আমাদের। পানি পান করে ষষ্ঠ শ্রেণির ৪ জন, সপ্তম শ্রেণির ৬ জন, অষ্টম শ্রেণির ১ জন, নবম শ্রেণির ২ জন ও দশম শ্রেণির ১ জনসহ প্রায় ৫০ জনের ও অধিক ছাত্রছাত্রী অসুস্থ হয়ে হরিপুর হাসপাতালে ভর্তি হয়।
 
বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আলতাফুর রহমান বলেন, স্কুলে পিটির পর এক ক্লাস শেষে ছাত্রীরা পানি করার পর এ ঘটনা ঘটে। সে সময় আমি স্কুলে ছিলাম না। স্কুলে ক্লাস বসিয়ে দিয়ে মেয়েকে পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছে দিতে গিয়েছিলাম। তিনি তদন্ত-পূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণের কথা বলেছেন প্রশাসনকে।

হরিপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার রাইহানুল ইসলাম মিঞা বলেন, স্কুলে টিউবওয়েলের পানি পান করে ৬ জনের মতো শিক্ষার্থী প্রথমে অসুস্থতার খবর পাওয়া যায়। স্কুল কর্তৃপক্ষকে টিউবওয়েলের পানি পান বন্ধে ব্যবস্থা নিতে বলেন এবং পুলিশকে জানাতে বলেন। তবে বর্তমানে হাসপাতালে ৩০ জনের মতো শিক্ষার্থী চিকিৎসা নিচ্ছেন। তাদের খোঁজ নিতে গিয়ে এবং চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলে জানতে পারেন তারা শঙ্কামুক্ত।

হরিপুর থানার ওসি তাজুল ইসলাম বলেন, ধারণা করা হচ্ছে বিদ্যালয়ের টিউবওয়েলে বিষ জাতীয় কিছু মেশানো হয়েছে। প্রধান শিক্ষক এমনটি জানিয়েছেন। আমরা ঘটনা তদন্ত করছি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন