টাকা নিয়ে মাদ্রাসায় নিয়োগের অভিযোগে মানববন্ধন
jugantor
টাকা নিয়ে মাদ্রাসায় নিয়োগের অভিযোগে মানববন্ধন

  ঝালকাঠি প্রতিনিধি   

৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২, ২১:৩১:৩৫  |  অনলাইন সংস্করণ

টাকা নিয়ে মাদ্রাসায় নিয়োগের অভিযোগে মানববন্ধন

ঝালকাঠি ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসায় টাকার বিনিময়ে অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার অপারেটর পদে নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগে মানববন্ধন হয়েছে।

শুক্রবার দুপুরে ঝালকাঠি প্রেস ক্লাবের সামনের সড়কে মানববন্ধনে অংশ নেন নিয়োগের লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী প্রার্থীরা।

মানববন্ধনে তারা অভিযোগ করেন, ঝালকাঠি ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসায় গত ২ সেপ্টেম্বর অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার অপারেটর পদে নিয়োগ পরীক্ষা হয়। এতে ১৯ প্রার্থী অংশ নেন। ৮ জন প্রার্থীকে ব্যবহারিক পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়। এর মধ্যে তিনজনকে মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার জন্য ডাকা হয়। ২৫ জনের মধ্যে ২২ পেয়ে প্রথম হওয়া মো. সোলায়মানকে লিখিত পরীক্ষায় ডাকা হয়নি। তার পরিবর্তে ১০ লাখ টাকার বিনিময়ে তৃতীয় স্থানে থাকা খাইরুল হাসান নামে একজনকে ওই পদে নিয়োগ দেন অধ্যক্ষ। নিয়োগপ্রাপ্ত খাইরুল নেছারাবাদ কামিল মাদ্রসার নন-এমপিও কর্মচারী ছিলেন এবং এই মাদ্রসার অধ্যক্ষ গাজী মো. শহিদুল ইসলাম ছিলেন নিয়োগ পরীক্ষায় ডিজির প্রতিনিধি।

চাকরি প্রার্থী মো. সোলায়মান বলেন, খাইরুল হাসান তৃতীয় স্থানে ছিলেন। তিনি লিখিত পরীক্ষায় পেয়েছেন ১৪ নাম্বার। আমি পেয়েছি ২২ নাম্বার। তবুও আমাকে মৌখিক পরীক্ষায় ডাকা হয়নি। গোপনে তারা ১০ লাখ টাকার বিনিময়ে খাইরুলকে নিয়োগ দিয়েছেন। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত চাই।

এ ব্যাপারে ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মো. আব্দুল কাউয়ুম বলেন, বিধি অনুযায়ী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে ম্যাজিস্ট্রেটদের তদারকিতে হয়েছে। যারা অকৃতকার্য হয়েছে তারা বিভিন্ন স্থানে মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে মাদ্রাসার ভাবমূর্তি নষ্টের চেষ্টা করছে।

টাকা নিয়ে মাদ্রাসায় নিয়োগের অভিযোগে মানববন্ধন

 ঝালকাঠি প্রতিনিধি  
৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৯:৩১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
টাকা নিয়ে মাদ্রাসায় নিয়োগের অভিযোগে মানববন্ধন
টাকা নিয়ে মাদ্রাসায় নিয়োগের অভিযোগে মানববন্ধন। ছবি-যুগান্তর

ঝালকাঠি ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসায় টাকার বিনিময়ে অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার অপারেটর পদে নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগে মানববন্ধন হয়েছে। 

শুক্রবার দুপুরে ঝালকাঠি প্রেস ক্লাবের সামনের সড়কে মানববন্ধনে অংশ নেন নিয়োগের লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী প্রার্থীরা। 

মানববন্ধনে তারা অভিযোগ করেন, ঝালকাঠি ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসায় গত ২ সেপ্টেম্বর অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার অপারেটর পদে নিয়োগ পরীক্ষা হয়। এতে ১৯ প্রার্থী অংশ নেন। ৮ জন প্রার্থীকে ব্যবহারিক পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়। এর মধ্যে তিনজনকে মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার জন্য ডাকা হয়। ২৫ জনের মধ্যে ২২ পেয়ে প্রথম হওয়া মো. সোলায়মানকে লিখিত পরীক্ষায় ডাকা হয়নি। তার পরিবর্তে ১০ লাখ টাকার বিনিময়ে তৃতীয় স্থানে থাকা খাইরুল হাসান নামে একজনকে ওই পদে নিয়োগ দেন অধ্যক্ষ। নিয়োগপ্রাপ্ত খাইরুল নেছারাবাদ কামিল মাদ্রসার নন-এমপিও কর্মচারী ছিলেন এবং এই মাদ্রসার অধ্যক্ষ গাজী মো. শহিদুল ইসলাম ছিলেন নিয়োগ পরীক্ষায় ডিজির প্রতিনিধি। 

চাকরি প্রার্থী মো. সোলায়মান বলেন, খাইরুল হাসান তৃতীয় স্থানে ছিলেন। তিনি লিখিত পরীক্ষায় পেয়েছেন ১৪ নাম্বার। আমি পেয়েছি ২২ নাম্বার। তবুও আমাকে মৌখিক পরীক্ষায় ডাকা হয়নি। গোপনে তারা ১০ লাখ টাকার বিনিময়ে খাইরুলকে নিয়োগ দিয়েছেন। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত চাই। 

এ ব্যাপারে ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মো. আব্দুল কাউয়ুম বলেন, বিধি অনুযায়ী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে ম্যাজিস্ট্রেটদের তদারকিতে হয়েছে। যারা অকৃতকার্য হয়েছে তারা বিভিন্ন স্থানে মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে মাদ্রাসার ভাবমূর্তি নষ্টের চেষ্টা করছে।
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন