জনরোষের ভয়ে ওরস বন্ধ করলেন ‘পির’
jugantor
জনরোষের ভয়ে ওরস বন্ধ করলেন ‘পির’

  কটিয়াদী (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি  

৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২, ২১:৪১:২২  |  অনলাইন সংস্করণ

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার মসুয়া গ্রামে জনরোষের ভয়ে একটি মাজারের বাৎসরিক ওরস বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওই গ্রামের আব্দুছ ছমেদ ফকিরের মাজারের বাৎসরিক ওরস ছিল আজ শুক্রবার। ইতোমধ্যে মাজারের বর্তমান খাদেম মরহুম আব্দুছ ছমেদ ফকিরের ছেলে মাইজউদ্দিন শাহ চিশতি ওয়াইছিরের নারী ভক্তদের সঙ্গে বিবাহবহির্ভূত শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের দুটি অডিও ভাইরাল হয়।

এতে এলাকাবাসী ক্ষিপ্ত হয়ে জুমার নামাজের পর বিক্ষোভ মিছিলও ওরসবন্ধের উদ্যোগ নেন। খবর পেয়ে জনরোষ থেকে রেহাই পেতে কথিত পির মাইজউদ্দিন ওরস বন্ধের ঘোষণা দেন এবং পুলিশ সুপারকে বিষয়টি জানান।

পরে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (হোসেনপুর সার্কেল ) ও কটিয়াদী মডেল থানার ওসি ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে এসে এলাকাবাসী ও ওরস সমর্থকদের সঙ্গে আলোচনায় বসেন। সভায় মাইজউদ্দিন ওরস বন্ধ রাখার ঘোষণা দেন।

মসুয়া গ্রামের বাসিন্দা মো. ফরিদ উদ্দিন জানান, কথিত পির মাইজউদ্দিন একজন নারীলোভী। তিনি তার নারী ভক্তদের সঙ্গে আশেক মাশেকের নামে শারীরিক সম্পর্ক করেন। এ বিষয়ে অনেক নারী প্রকাশ্যে বলেছেন এবং ধর্ষিতাদের অডিও এবং ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। আমরা ভণ্ড পিরের মাজার উচ্ছেদ ও মাইজউদ্দিনের শাস্তি চাই।

মাজারের খাদেম মাইজউদ্দিন শাহ জানান, আমার মৃত বাবার মাজারে শুক্রবার ছিল বাৎসরিক ওরস মাহফিল। ওরসের তারিখ ঘনিয়ে আসলে এলাকার কিছু লোক ওরস বন্ধের জন্য মসজিদের সামনে ওয়াজ মাহফিলের ঘোষণা দেন। আমার নামে অপবাদ ছড়ানো ও জনরোষ তৈরির জন্য কিছু নারীকে দিয়ে আমার নামে মিথ্যা কথা রেকর্ড করে এলাকায় ছড়িয়ে দিয়েছেন। আমি এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত নেই। আমাকে হেয়প্রতিপন্ন করতেই এসব ঘটনা ঘটনো হয়েছে। এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য ওরস বন্ধ করেছি।

কটিয়াদী মডেল থানার ওসি এসএম শাহাদাত হোসেন জানান, মাইজউদ্দিন সাহেব তার পূর্বঘোষিত বাৎসরিক ওরস বাতিল করেছেন।

জনরোষের ভয়ে ওরস বন্ধ করলেন ‘পির’

 কটিয়াদী (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি 
৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৯:৪১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার মসুয়া গ্রামে জনরোষের ভয়ে একটি মাজারের বাৎসরিক ওরস বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। 

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওই গ্রামের আব্দুছ ছমেদ ফকিরের মাজারের বাৎসরিক ওরস ছিল আজ শুক্রবার। ইতোমধ্যে মাজারের বর্তমান খাদেম মরহুম আব্দুছ ছমেদ ফকিরের ছেলে মাইজউদ্দিন শাহ চিশতি ওয়াইছিরের নারী ভক্তদের সঙ্গে বিবাহবহির্ভূত শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের দুটি অডিও ভাইরাল হয়। 

এতে এলাকাবাসী ক্ষিপ্ত হয়ে জুমার নামাজের পর বিক্ষোভ মিছিল ও ওরস বন্ধের উদ্যোগ নেন। খবর পেয়ে জনরোষ থেকে রেহাই পেতে কথিত পির মাইজউদ্দিন ওরস বন্ধের ঘোষণা দেন এবং পুলিশ সুপারকে বিষয়টি জানান।

পরে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (হোসেনপুর সার্কেল ) ও কটিয়াদী মডেল থানার ওসি ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে এসে এলাকাবাসী ও ওরস সমর্থকদের সঙ্গে আলোচনায় বসেন। সভায় মাইজউদ্দিন ওরস বন্ধ রাখার ঘোষণা দেন। 

মসুয়া গ্রামের বাসিন্দা মো. ফরিদ উদ্দিন জানান, কথিত পির মাইজউদ্দিন একজন নারীলোভী। তিনি তার নারী ভক্তদের সঙ্গে আশেক মাশেকের নামে শারীরিক সম্পর্ক করেন। এ বিষয়ে অনেক নারী প্রকাশ্যে বলেছেন এবং ধর্ষিতাদের অডিও এবং ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। আমরা ভণ্ড পিরের মাজার উচ্ছেদ ও মাইজউদ্দিনের শাস্তি চাই।

মাজারের খাদেম মাইজউদ্দিন শাহ জানান, আমার মৃত বাবার মাজারে শুক্রবার ছিল বাৎসরিক ওরস মাহফিল। ওরসের তারিখ ঘনিয়ে আসলে এলাকার কিছু লোক ওরস বন্ধের জন্য মসজিদের সামনে ওয়াজ মাহফিলের ঘোষণা দেন। আমার নামে অপবাদ ছড়ানো ও জনরোষ তৈরির জন্য কিছু নারীকে দিয়ে আমার নামে মিথ্যা কথা রেকর্ড করে এলাকায় ছড়িয়ে দিয়েছেন। আমি এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত নেই। আমাকে হেয়প্রতিপন্ন করতেই এসব ঘটনা ঘটনো হয়েছে। এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য ওরস বন্ধ করেছি।

কটিয়াদী মডেল থানার ওসি এসএম শাহাদাত হোসেন জানান, মাইজউদ্দিন সাহেব তার পূর্বঘোষিত বাৎসরিক ওরস বাতিল করেছেন। 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন