বাঁশঝাড় নিয়ে বিরোধে কুপিয়ে হত্যা
jugantor
বাঁশঝাড় নিয়ে বিরোধে কুপিয়ে হত্যা

  পাবনা প্রতিনিধি  

৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২, ২১:৫০:১১  |  অনলাইন সংস্করণ

বাঁশঝাড়ের মালিকানা নিয়ে বিরোধে ইসলামী আন্দোলনের নেতা শরিফুল ইসলামকে (৩৫) কুঠার দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করল চাচাতো ভাইয়েরা। শুক্রবার দুপুরে পাবনা সদর উপজেলার ভাড়ারা ইউনিয়নের ভাড়ারা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

শরিফুল ইসলাম ইসলাম ভাঁড়ারা গ্রামের সামাদ সরদারের ছেলে। তিনি ইসলামী আন্দোলনের ভাঁড়ারা ইউনিয়ন শাখার সাধারণ সম্পাদক এবং কসমেটিক্স ব্যবসায়ী। পারিবারিক বিরোধের জের ধরে এ ঘটনা ঘটেছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। হত্যার দায়ে মজনু সরদারের দুই ছেলে অভিযুক্ত স্বপন ও শাহীনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

পাবনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাসুদ আলম জানান, শরিফুল ইসলামের সাথে তার চাচাতো ভাইদের বাঁশ ঝাড়ের মালিকানা নিয়ে বিরোধ চলছিল। এ অবস্থার মধ্যেই শরিফুল ইসলাম শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে নিজ বাড়ির বাঁশঝাড়ে বাঁশ কাটতে যান। এ সময় তার প্রতিপক্ষ চাচাতো ভাইয়েরা শরিফুলকে বাধা দেন। এ নিয়ে বচসার একপর্যায়ে চাচাতো ভাই স্বপন ও শাহীন মিলে শরিফুলকে বাঁশ কাটার কুঠার ( কুড়াল) দিয়ে কোপায়।

এ সময় শরিফুলের চিৎকারে তার বাবা এগিয়ে আসলে চাচাতো ভাইয়েরা তাকেও তারা কুঠার দিয়ে আঘাত করেন। এদিকে স্থানীয়রা গুরুতর আহত শরিফুলকে উদ্ধার করে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম জানান, পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে। পরে লাশ উদ্ধার করে পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠান হয়।

ভাঁড়ারা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সুলতান মাহমুদ বলেন, নিহত শরিফুলদের পরিবারের মধ্যে জমিজমা নিয়ে অভ্যন্তরীণ কোন্দল চলছিল। এ নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদে সালিশি বৈঠক করেও সমাধান করা যায়নি। কারণ আদালতে মামলা চলমান রয়েছে।

এদিকে এ ঘটনায় এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। তবে এলাকার আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে বলে সদর থানার ওসি জানিয়েছেন।

বাঁশঝাড় নিয়ে বিরোধে কুপিয়ে হত্যা

 পাবনা প্রতিনিধি 
৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৯:৫০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বাঁশঝাড়ের মালিকানা নিয়ে বিরোধে ইসলামী আন্দোলনের নেতা শরিফুল ইসলামকে (৩৫) কুঠার দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করল চাচাতো ভাইয়েরা। শুক্রবার দুপুরে পাবনা সদর উপজেলার ভাড়ারা ইউনিয়নের ভাড়ারা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। 

শরিফুল ইসলাম ইসলাম ভাঁড়ারা গ্রামের সামাদ সরদারের ছেলে। তিনি ইসলামী আন্দোলনের ভাঁড়ারা ইউনিয়ন শাখার সাধারণ সম্পাদক এবং কসমেটিক্স ব্যবসায়ী। পারিবারিক বিরোধের জের ধরে এ ঘটনা ঘটেছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। হত্যার দায়ে মজনু সরদারের দুই ছেলে অভিযুক্ত স্বপন ও শাহীনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
 
পাবনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাসুদ আলম জানান, শরিফুল ইসলামের সাথে তার চাচাতো ভাইদের বাঁশ ঝাড়ের মালিকানা নিয়ে বিরোধ চলছিল। এ অবস্থার মধ্যেই শরিফুল ইসলাম শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে নিজ বাড়ির বাঁশঝাড়ে বাঁশ কাটতে যান। এ সময় তার প্রতিপক্ষ চাচাতো ভাইয়েরা শরিফুলকে বাধা দেন। এ নিয়ে বচসার একপর্যায়ে চাচাতো ভাই স্বপন ও শাহীন মিলে শরিফুলকে বাঁশ কাটার কুঠার ( কুড়াল) দিয়ে কোপায়। 

এ সময় শরিফুলের চিৎকারে তার বাবা এগিয়ে আসলে চাচাতো ভাইয়েরা তাকেও তারা কুঠার দিয়ে আঘাত করেন। এদিকে স্থানীয়রা গুরুতর আহত শরিফুলকে উদ্ধার করে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। 

পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম জানান, পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে। পরে লাশ উদ্ধার করে পাবনা জেনারেল  হাসপাতাল মর্গে পাঠান হয়। 

ভাঁড়ারা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সুলতান মাহমুদ বলেন, নিহত শরিফুলদের পরিবারের মধ্যে জমিজমা নিয়ে অভ্যন্তরীণ কোন্দল চলছিল। এ নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদে সালিশি বৈঠক করেও সমাধান করা যায়নি। কারণ আদালতে মামলা চলমান রয়েছে। 

এদিকে এ ঘটনায় এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। তবে এলাকার আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে বলে সদর থানার ওসি জানিয়েছেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন